Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
হোটেলশ্রমিক সোহেলের মজুরিতে রাস্তা সংস্কার
রবিবার, ৮ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

শিবব্রত বর্মন

শিবব্রত বর্মন

লেখক ও চিত্রনাট্যকার

ব্ল্যাকবোর্ড, চকখড়ি আর এআই

ব্ল্যাকবোর্ড, চকখড়ি আর এআই

ব্ল্যাকবোর্ডে চকের ঘষা খাওয়ার শব্দ। ক্যাঁচ ক্যাঁচ, ক্যাঁচ ক্যাঁচ কানে লাগে। চকের গুঁড়া বোর্ডের ধার ঘেঁষে পাউডারের মতো নেমে এসে জমা হয় নিচে বোর্ডের সীমানায়। জমা হতেই থাকে। কখনো খোলা জানালা দিয়ে হেমন্তের বাতাস এলে সেই সাদা পাউডার ফুলের রেণুর মতো ওড়ে ক্লাসরুমে। শিক্ষক তন্ময় হয়ে লেখেন। কখনো তদ্ধিত প্রত্যয় বা দ্বিগু সমাসের উদাহরণ, কখনো ইউক্লিডের জ্যামিতি, কখনো ফুটো হওয়া চৌবাচ্চার অঙ্ক। মনে হয় কত যুগ আগের কথা। এখনো মাঝে মাঝে আমার কানে আসে ব্ল্যাকবোর্ডে চকখড়ির ঘষা খাওয়ার আওয়াজ। স্মৃতির ওপার থেকে। আমি...
কলাম•৪ দিন আগে
গণমাধ্যমকে বাঁচানোর পথ কী

গণমাধ্যমকে বাঁচানোর পথ কী

গত দুই দশকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম প্রচলিত গণমাধ্যমের ব্যবসায়িক কাঠামোকে প্রায় ভেঙে দিয়েছে। সংবাদপত্র আর টেলিভিশনের জায়গা দখল করে নিয়েছে অ্যালগরিদমনির্ভর নিউজফিড। একসময় সংবাদমাধ্যমের আয়ের বড় উৎস ছিল বিজ্ঞাপন। কিন্তু সেই বিজ্ঞাপনের বড় অংশ এখন চলে গেছে গুগল আর মেটার মতো প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠানের কাছে। ফলে দুনিয়া জুড়ে সংবাদপত্রগুলো কর্মী ছাঁটাই করছে। অনুসন্ধানী সাংবাদিকতা সংকুচিত হচ্ছে। এমনকি অনেক সংবাদমাধ্যম অস্তিত্বের সংকটে পড়েছে।অন্যদিকে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে খবরের প্রতিযোগিতা তৈরি হয়েছে মনোযোগের জ...
বিশেষ লেখা•৫ দিন আগে
সাপলুডু ও সাহেব

সাপলুডু ও সাহেব

আমার শৈশব কেটেছে লুডু খেলে। অধিকাংশ বাঙালির ক্ষেত্রেই বোধ করি তাই। তবে আমার বেশি আকর্ষণ ছিল লুডুর বোর্ডের উল্টো দিকটায়, যেখানে সাপলুডুর ছক আঁকা। এই খেলার যে উত্তেজনা, সেটা আমি সাধারণ লুডুতে পেতাম না। সাপলুডুর সাপগুলো এখনো আমার দিকে তাকিয়ে থাকে। চোখ বুজলেই সেগুলোকে দেখতে পাই। কয়েকটি মই আর এঁকেবেঁকে থাকা সাপ। তার মাথা একদিকে। লেজ আরেক দিকে। বিশেষ করে ১০০ নম্বর ঘরে পৌঁছানোর আগের ঘরে থাকা সাপটা সবচেয়ে লম্বা। অজগর সম্ভবত। তার লেজ নেমে গেছে অনেক নিচে, বোর্ডের একেবারে শুরুর দিকে। এই সাপ যেন অমোঘ...
বিবিধ•১১ দিন আগে
বুদ্ধ আর রুমি যখন বাজারে

বুদ্ধ আর রুমি যখন বাজারে

কিছুদিন আগে একটা বই নেড়েচেড়ে দেখছিলাম, যেটার নাম ‘বায়িং বুদ্ধা, সেলিং রুমি : ওরিয়েন্টালিজম অ্যান্ড দ্য মিস্টিক্যাল মার্কেটপ্লেস’। লেখক সোফিয়া রোজ আরজানা। মিস্টিক্যাল মার্কেটপ্লেস কথাটা খুব মনে ধরল। কথাটা ঠিক। ধ্যান এখন এক পণ্যের নাম। সুফি কবিতা খুব ট্রেন্ডি। কফিশপের দেয়ালে দেয়ালে সুফি কবি রুমির উক্তি। বুদ্ধের মূর্তি সবচেয়ে বেশি বিক্রি হওয়া শোপিস। আধ্যাত্মিকতা এখন শুধু মঠ বা খানকায় সীমাবদ্ধ নেই। সাধনার ভাষা উপাসনালয়ের দেয়াল বেয়ে নেমে এসে মিশে গেছে বিপণনের ভাষায়। গবেষক সোফিয়া রোজ আরজানার অনুসন্ধান...
কলাম•১৩ দিন আগে
দিনলিপি

দিনলিপি

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমি মহাসক্রিয়। সারাদিন ফেসবুকে পড়ে থাকি। রিলস দেখি। ইনস্টাগ্রামে নিয়মিত ছবি আপলোড করি। টুইটার বা হালের ‘এক্স’ বাঙালিরা খুব একটা ব্যবহার করে না। কিন্তু সেটাতেও আমি যথেষ্ট সক্রিয়। কম্পিউটারে লিখি। মাঝে মাঝে টাইপ করতে আলস্য লাগলে ডিকটেশন দিই, কম্পিউটার লিখে নেয়। এই আমি এখনো ডায়েরি লিখি। প্রায় নিয়মিত এবং হাতে। গোটা গোটা অক্ষরে, তারিখ দিয়ে, কখনো বাংলায়, কখনো ইংরেজি ভাষায় আমি দিনের ঘটনা লিখে রাখি। এই পুরনো অভ্যাস আমি আজও ত্যাগ করিনি। ক্লাস সেভেন থেকে শুরু। চলছে।  জাত...
বিশেষ লেখা•১৮ দিন আগে
যে জীবন সেলফির

যে জীবন সেলফির

আর্জেন্টিনার জার্সি গায়ে লিওনেল মেসির শেষ ম্যাচ স্বচক্ষে দেখতে বুয়েনস আয়ার্সের মনুমেন্টাল স্টেডিয়ামে হাজির ছিলেন ৮৫ হাজার দর্শক। আমি টিভিতে এ খেলা দেখার সময় লক্ষ রাখছিলাম গ্যালারির দর্শকদের দিকে। মেসি যখন বেনিনের গোলপোস্টের সামনে ফ্রি-কিক নেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন, তখন গ্যালারিতে দর্শকদের প্রায় সবাই তাকিয়ে ছিলেন তাদের নিজ নিজ মোবাইল ফোনের স্ক্রিনের দিকে। তাদের সামনে মেসি। ফ্রি-কিক নিচ্ছেন। কিন্তু তারা তাকিয়ে রয়েছেন স্ক্রিনে। কারণ তারা এ মুহূর্তের ছবি তুলছেন বা ভিডিও করছেন। তারা দৃশ্যটি দেখছিল...
কলাম•২৪ দিন আগে
অতীত বনাম ভবিষ্যৎ

অতীত বনাম ভবিষ্যৎ

হিন্দি ভাষায় ‘আগে’ মানে যে ‘পরে’— সেটি বুঝতে আমার বেশ সময় লেগেছে। শৈশবে আমাদের সীমান্ত এলাকার মফস্বল শহরে ভারতের জাতীয় টেলিভিশন চ্যানেল দূরদর্শন দেখা যেত। বিটিভির অনুষ্ঠানের পাশাপাশি আমরা ডিডি বা দূরদর্শনের অনুষ্ঠানমালা দেখতে পেতাম। তাতে হিন্দি ভাষায়ও আমরা বেশ সড়গড় হয়ে উঠছিলাম। লক্ষ করছিলাম, বাংলা ভাষার সঙ্গে এই ভাষার অনেক মিল। কিন্তু আমার শিশুমন এই ‘আগে’ শব্দটায় এসে খটকায় পড়ে যেত। ‘আগলিবার’ মানে যে পরের বার, এইটা মানতে আমার অভ্যাসে বাধত। সামনেটা কী করে পেছনে আর পেছনটা কী করে সামনে হয়ে যায়? অত...
সংস্কৃতি•প্রায় ১ মাস আগে
প্রথম দুই-তিন লাইন পড়েই ঠিক করি অনুবাদ করতে হবে

প্রথম দুই-তিন লাইন পড়েই ঠিক করি অনুবাদ করতে হবে

প্রখ্যাত অনুবাদক জি এইচ হাবীব। চার দশক ধরে বিশ্বসাহিত্যের সঙ্গে আমাদের পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন। ‘তাড়িখোর’, ‘নিঃসঙ্গতার একশ বছর’, ‘গোলাপের নাম’, ‘সোফির জগৎ’ তার অনূদিত উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ। ২০২৪ সালে অনুবাদে পেয়েছেন বাংলা একাডেমি পুরস্কার। ৩০ সেপ্টেম্বর ছিল বিশ্ব অনুবাদ দিবস। এ উপলক্ষে তার মুখোমুখি হয়েছিলেন শিবব্রত বর্মন। আপনার শৈশব, কৈশোর ও প্রথম তারুণ্যের বইপাঠের জগৎটি কেমন ছিল? এখনকার চেয়ে একেবারেই অন্যরকম ছিল। ১৯৭৪ সাল থেকে আমরা থাকতাম ঢাকার মিরপুরে। পল্লবীতে ছিলাম প্রথমে, পরে ১০ নম্বরে চলে আসি।...
তিনি বললেন•প্রায় ১ মাস আগে
আহাম্মকির ইতিবৃত্ত

আহাম্মকির ইতিবৃত্ত

একটা লোক কত বুদ্ধিমান, তা মাপা যায়। মাপার বৈজ্ঞানিক পদ্ধতি আছে। কিন্তু একটা লোক কতটা আহাম্মক, তা পরিমাপ করা কি সম্ভব? এর সবচেয়ে সহজ উত্তর হলো, সম্ভব না। কারণ, আমরা আহাম্মকিকে কোনো স্বাধীন আচরণগত বৈশিষ্ট্য হিসেবে দেখি না। আহাম্মকি আমাদের কাছে হলো বুদ্ধির অনুপস্থিতি। যার বুদ্ধি যত কম, সে তত আহাম্মক বা গর্দভ বা বুরবক। পৃথিবীতে সবচেয়ে বিখ্যাত আহাম্মকের নাম বোধ করি নাসিরুদ্দীন হোজ্জা, যার জন্মস্থান উজবেকিস্তানের বুখারায় আমি গিয়েছিলাম। গিয়ে দেখি, গাধার পিঠে চেপে তার হেঁটে যাওয়ার একটা ভাস্কর্...
কলাম•প্রায় ২ মাস আগে
সৈয়দ মুজতবা আলী কেন আজও প্রাসঙ্গিক

সৈয়দ মুজতবা আলী কেন আজও প্রাসঙ্গিক

সৈয়দ মুজতবা আলীর প্রথম বিদেশ ভ্রমণ আফগানিস্তানে। সেখানে তার প্রথম চাকরি। কলেজে অধ্যাপনার। কল্পনা করুন দৃশ্যটা। ১৯২৭ সাল। শান্তিনিকেতন থেকে বিএ পাস করা ২৩ বছরের এক তরুণ প্রথম পা রাখছে দেশের বাইরে। হাওড়া থেকে পেশোয়ার পর্যন্ত দীর্ঘ ট্রেনযাত্রা। তারপর সড়কপথে খাইবার গিরিপথ পেরিয়ে কাবুল। ট্রেন একবার বাংলা অঞ্চলের বাইরে বেরোতেই জানালাপথে অচেনা এক ভূ-দৃশ্যের দিকে তাকিয়ে থাকেন মুজতবা। তখনো তিনি জানেন না, এটা তার জীবনে এক বিশেষ যাত্রা। এটা শুধুই বাংলার বাইরে পা রাখা নয়, এ তার ভবঘুরে অনিকেত...
কাজললেখা•প্রায় ২ মাস আগে
যেখানে ভূতের ভয়

যেখানে ভূতের ভয়

আমি ভূতপ্রেতে বিশ্বাস করি না। কিন্তু বিশ্বাস করতে চাই। মানে, আমার সবসময় মনে হয়েছে, ভূত থাকলে ভালো হতো। ভূতপ্রেত-অশরীরী আত্মারা যে নেই, এ নিয়ে আমার মধ্যে একপ্রকার আফসোস কাজ করে। আর কাজ করে নস্টালজিয়া। সেটি কীরকম? সেটি এরকম যে, আমার শুধুই মনে হয়, আধুনিক যুগে ভূতদের আলাদা একটা অনুপস্থিতি তৈরি হয়েছে। ভূত নেই বটে, কিন্তু তাদের না থাকাটা এতকাল কোনো অনুপস্থিতি তৈরি করেনি। কিন্তু আমাদের বিজ্ঞানমনস্ক নিয়নের আলোজ্বলা নগরজীবন থেকে ভূতরা বিদায় নিয়েছে। একটা কল্পনার জমিন ফাঁকা করে দিয়ে তারা চলে গেছে। অথচ এ...
বিশেষ লেখা•প্রায় ২ মাস আগে
পৃথিবী বদলে গেছে

পৃথিবী বদলে গেছে

আমি যদি বলি, এ মাসের ৪ তারিখ থেকে আমাদের চেনা দুনিয়াটা বদলে গেছে, সেটা অত্যুক্তি হবে বটে, তবে পুরোপুরি মিথ্যা হবে না। এদিন জাতিসংঘ বিশ্বের একটি নতুন এবং ‘সঠিক’ মানচিত্র অনুমোদন করেছে, যেখানে মহাদেশগুলোর তুলনামূলক আকারের ভুল সংশোধন করা হয়েছে। ‘ভুল’ না বলে মিথ্যাচারও বলা যায়। আমরা আসলে মানচিত্রের মধ্য দিয়ে এতদিন একটা ভুল বা মিথ্যা পৃথিবী দেখছিলাম। সেখানে গ্রিনল্যান্ডকে দেখানো হচ্ছিল আফ্রিকা মহাদেশের চেয়ে বড় করে। অথচ বাস্তবে আফ্রিকা মহাদেশ গ্রিনল্যান্ডের চেয়ে ১৪ গুণ বড়। এরকম আরও নানা মিথ্যাচার ছড়ি...
কলাম•প্রায় ২ মাস আগে
ভাতঘুম

ভাতঘুম

ভাতঘুম আমার সবচেয়ে প্রিয় কাজ। কেউ যদি আমাকে জিজ্ঞেস করে, আধুনিক নগর জীবনের সবচেয়ে খারাপ দিক কোনটা, আমি বলব— ভাতঘুমের বিদায়। দুপুরে ভরপেট খেয়ে ফ্যানের নিচে ঘণ্টা খানেকের একটি জম্পেশ ঘুমের চেয়ে উপাদেয় আর কী থাকতে পারে পৃথিবীতে! পাওয়ার ন্যাপট্যাপ নয়। ভাতঘুম। আমাদের ১০টা-৫টার অফিস আর ক্যারিয়ারসর্বস্ব প্রতিযোগিতার জীবনে সেই বিলাসিতার সুযোগ কোথায়! ভাতঘুম নাকি আবহমান বাঙালি জীবনের এক অচ্ছেদ্য অংশ। সমাজ গবেষকরা বললেন, আমাদের কৃষিজীবী সমাজের শ্রমের ধরনের সঙ্গে এর যোগ। ভোর থেকে মাঠে কাজ। তারপর ভরপেট খ...
কলাম•২ মাস আগে
নেপাল ও নিনিয়ো

নেপাল ও নিনিয়ো

নেপালের প্রলয়ঙ্করী পাহাড়ি ঢল সকলের অন্তরাত্মা কাঁপিয়ে দিয়েছে। সেটা শুধু হিমালয়ের পাদদেশে অবস্থিত দেশগুলোর না। সারা বিশ্বের। নেপালের ঘটনায় যে জিনিশটা আমরা হাড়ে হাড়ে বুঝেছি, তা হলো: প্রকৃতির প্রচণ্ড রূপের কাছে মানুষ অসহায়। তার সভ্যতা, তার নগর-বন্দর, সেতু, কনক্রিটের বাঁধ, তার শান-শওকত খরকুটোর মতো ভেসে যায় প্রকৃতির সামান্য ফুঁয়ে।এই ঢল কোনো জানান না দিয়ে হঠাৎ কী করে হাজির হলো, এ নিয়ে এখনও গবেষণা চলছে। কারণ যাই হোক না কেন, এরকম আরও অনেকগুলি জনপদনাশী দুর্যোগ যে আমাদের সামনে অপেক্ষমান এ বিষয়ে কারো দ্বিম...
বিশেষ লেখা•২ মাস আগে
দুঃস্বপ্নের শহরে

দুঃস্বপ্নের শহরে

ঢাকা অনেক জনবহুল শহর বটে। কিন্তু কতটা জনবহুল? গত বছর জাতিসংঘের এক গবেষণা প্রতিবেদন জানিয়েছে, আমাদের এই প্রিয় রাজধানী এখন বিশ্বের দ্বিতীয় জনবহুল শহর। এক নম্বরে ইন্দোনেশিয়ার রাজধানী জাকার্তা। জনসংখ্যা কত ঢাকার? জাতিসংঘের ‘ওয়ার্ল্ড আরবানাইজেশন প্রসপেক্টস’ নামক ওই প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, এ শহরে এখন ৩ কোটি ৬০ লাখ লোকের বসবাস। অর্থাৎ মুক্তিযুদ্ধের সময় গোটা দেশের যা জনসংখ্যা ছিল, তার অর্ধেকের বেশি এখন এ শহরে বসবাস করে। অনেকের সন্দেহ, ঢাকার সত্যিকার জনসংখ্যা হয়তো আরও বেশি।মুক্তিযুদ্ধের সময় ঢাকার জনসংখ্যা...
বিশেষ লেখা•৩ মাস আগে
বালির বাঁধ

বালির বাঁধ

আমরা এখন যে গতিতে দালানকোঠা, রাস্তাঘাট, নগর-বন্দর নির্মাণ করছি, তাতে ২০৫০ সাল নাগাদ সারা দুনিয়ার সব বালু শেষ হয়ে যাবে। কথাটা মোটেও ‘কেয়ামত নাজদিক হ্যায়’মার্কা কোনো ভবিষ্যদ্বাণী নয়, যার লক্ষ্য মানুষকে ভড়কে দেওয়া। এ তথ্য দিচ্ছে খোদ জাতিসংঘের পরিবেশ কর্মসূচি বা ইউএনইপি। তারা জানাচ্ছে, বিশ্ব জুড়ে এখন প্রতি বছর গড়ে ৫০ বিলিয়ন টন বালু লাগছে নির্মাণকাজে। প্রতি সেকেন্ডে ৬৩টি ট্রাক বা লরি ভর্তি করে বালু তোলা হচ্ছে কোনো না কোনো নদনদী থেকে। আমাদের এই মাটির পৃথিবী যতটুকু বালু তৈরি করতে পারে বছরে, তার চেয়ে দ্...
বিবিধ•৩ মাস আগে
রবীন্দ্রনাথ কী খেতেন

রবীন্দ্রনাথ কী খেতেন

শোনা যায়, রবীন্দ্রনাথ নাকি আম খুব পছন্দ করতেন। বিদেশযাত্রার সময় সঙ্গে করে আম নিয়ে যেতেন। তিনি নিরামিষভোজী ছিলেন না মোটেও। মাছ-মাংস দুটিই খেতেন আয়েশ করে। ঠাকুরবাড়িতে দেশি এবং ইউরোপীয়— দুই ধরনের খাবারেরই চল ছিল। এ-ও শোনা যায়, তিনি মাঝেমধ্যে নিজে রান্না করতেন এবং পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে নানারকম নতুন নতুন পদ উদ্ভাবন করতেন। রবীন্দ্রনাথের খাদ্যাভ্যাস নিয়ে চালু কথাবার্তার বেশিরভাগই জনশ্রুতি। তবে কবিগুরুর খাদ্যাভ্যাস বিষয়ে আমার একটা পুরনো কৌতূহল: তিনি অ্যালকোহলজাতীয় পানি খেতেন কি না, এ বিষয়ে কোথাও কোনো উল্...
কলাম•৩ মাস আগে
এআই-এর সর্বগ্রাসী বইক্ষুধা

এআই-এর সর্বগ্রাসী বইক্ষুধা

কদিন ধরে একটা শোরগোল ইন্টারনেটে। শোনা যাচ্ছে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা আর্টিফিশিয়াল ইন্টালিজেন্সের সর্বগ্রাসী ক্ষুধার বলি হচ্ছে পুরনো বইপত্র।ব্যাপারটা এরকম যে, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার স্পর্শ পড়েনি— এমন বিশুদ্ধ ডেটা ইন্টারনেটে ফুরিয়ে আসছে। তাই এআই কোম্পানিগুলো এবার হাত বাড়িয়েছে পুরনো বইয়ের দিকে। তারা খুঁজে ফিরছে অতীতের ‘কুমারী’ বইপত্র। ‘কুমারী’ এই অর্থে যে এসব বই কখনও কোনো চ্যাটবটের খাদ্য হয়নি। এখন ভাঙা আলমারি ঘেঁটে, ধুলো ঝেড়ে নামিয়ে আনা হচ্ছে সেসব বই। তারপর? তারপর তাদের স্পাইন ছিঁড়ে, পৃষ্ঠা আলাদা করে...
কলাম•৩ মাস আগে
গ্যাংস অব মোহাম্মদপুর

গ্যাংস অব মোহাম্মদপুর

মোহাম্মদপুরের জাকির হোসেন রোডে আমি বাসা ভাড়া নিয়ে ১৪ বছর ছিলাম। ফলে এই এলাকা আমার নিজের হয়ে উঠেছে। এর সঙ্গে আমার নাড়ির যোগ। একদিকে লালমাটিয়ার ছায়াঢাকা মহল্লা আর আরেকদিকে টাউন হল মার্কেটের হট্টগোলময় ব্যস্ততার মাঝখানে বহু স্মৃতি জমে উঠেছে আমার মধ্যে। এজন্য পত্রপত্রিকায় যখন দেখি মোহাম্মদপুরকে ‘অপরাধের স্বর্গরাজ্য’, ‘অপরাধের রাজধানী’ ইত্যাদি অভিধা দেওয়া হচ্ছে, তখন বুকের একটা কোনা চিনচিন করে ওঠে। অপরাধ ঢাকা শহরের সব মহল্লায়ই হয়। শহরমাত্রই অপরাধ। কারণ শহর বহু বিচিত্র মানুষ আর তাদের বিচিত্র আকাঙ্ক্ষাকে...
কলাম•৩ মাস আগে
ষড়যন্ত্র তত্ত্ব : ফুটবলের মাঠ থেকে পোস্ট-ট্রুথের জগতে

ষড়যন্ত্র তত্ত্ব : ফুটবলের মাঠ থেকে পোস্ট-ট্রুথের জগতে

ভেবেছিলাম বিশ্বকাপ শেষ হলে ফুটবল ফ্যানদের বিচিত্র ষড়যন্ত্র তত্ত্বের জাল বোনার বিরক্তিকর বাতিকের ইতি ঘটবে। কিন্তু অবাক হয়ে দেখছি, এই প্রবণতা শেষ তো হয়নি, উল্টো এক পরিহাসময় দিকে মোড় নিয়েছে। এখন উল্টো আর্জেন্টাইন ফ্যানরা নতুন করে ফিফার ষড়যন্ত্র খুঁজে পাচ্ছেন। টুর্নামেন্ট শেষ হওয়ার পর যেন ষড়যন্ত্র তত্ত্বের এক নতুন বিশ্বকাপ শুরু হয়েছে। আমি সেগুলোর দিকে নজর না দিয়ে বরং ভিন্ন একটি বাস্তবতায় নজর দিতে চাই। আর তা হলো ষড়যন্ত্র তত্ত্বের একাধিপত্য। কেন এবার সকলে এমন গণহারে ষড়যন্ত্র তত্ত্বে বিশ্বাস করে বসে...
মতামত•৪ মাস আগে