এশিয়া কাপ
আরেকটি বাংলাদেশ-ভারত লড়াইয়ের অপেক্ষা

২০১৮ সালের কুয়ালালামপুরের সেই ঐতিহাসিক স্মৃতি আজও তরতাজা। মালয়েশিয়ার মাটিতে ভারতকে হারিয়ে উইমেন্স এশিয়া কাপের শিরোপা জিতেছিল বাংলাদেশ। আট বছর পর দুবাইয়ে আজ আবারও মহাদেশীয় শ্রেষ্ঠত্বের লড়াইয়ে সেই ভারতের মুখোমুখি হচ্ছে টাইগ্রেসরা। বর্তমান সময়ের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন ভারতীয় দলটিকে কাগজে-কলমে পরিষ্কার ফেভারিট মনে হলেও বাংলাদেশের হারানোর কিছু নেই।
গ্রুপ পর্বের ম্যাচে সংযুক্ত আরব আমিরাতের বিপক্ষে ব্যাট হাতে খুব একটা সুবিধা করতে পারেনি লাল-সবুজের প্রতিনিধিরা, সংগ্রহ করেছিল মাত্র ১০৩ রান। তবে দুর্বলতা থাকলেও এই বড় ম্যাচটিকে বাড়তি চাপের জায়গায় না দেখে বরং দারুণ এক সুযোগ হিসেবেই দেখছেন বাংলাদেশ দলের ব্যাটার শারমিন আক্তার। ম্যাচের আগে আত্মবিশ্বাসী কণ্ঠে শারমিন বলেন, ‘যদি আপনি ভাবেন এই ম্যাচটি অনেক চাপের, তবে আপনি অবশ্যই চাপ অনুভব করবেন। আমি যেভাবে বিষয়টি দেখি, তা হলো ভারতের বিপক্ষে খেলতে পারাটা পরম আনন্দের বিষয়। কারণ চ্যাম্পিয়ন হতে হলে আপনার তাদের মতো শীর্ষ দলগুলোকেই হারাতে হবে।’
অন্যদিকে, ভারতীয় দলের চিত্র কিছুটা ভিন্ন। টুর্নামেন্টে পাকিস্তান, থাইল্যান্ড ও হংকংয়ের বিপক্ষে দাপুটে জয়ে সেমিফাইনালে পা রেখেছে হারমানপ্রীত কৌরের দল। তবে ওপেনিং জুটির ওপর অতিরিক্ত নির্ভরশীলতা এবং মিডল অর্ডারের সাম্প্রতিক ফর্মহীনতা ভারতের চিন্তার বড় কারণ। চলতি এশিয়া কাপে ভারতের মোট রানের ৬২.৬ শতাংশই এসেছে স্মৃতি মান্ধানা ও শেফালি ভার্মার ওপেনিং জুটি থেকে। দলের মিডল অর্ডারের এই দুর্বলতা নিয়ে ম্যাচপূর্ব সংবাদ সম্মেলনে ওপেনার শেফালি ভার্মা বলেন, ‘কিছুটা খারাপ দিন গেছে, তবে তারা সবাই খুব ভালো খেলোয়াড়। তারা দারুণ ব্যাটার। ভারতী এবং রিচা দুর্দান্ত ফিনিশার, যারা মিডল অর্ডারে অতীতে দারুণ সব কাজ করেছে। আমার বিশ্বাস, তারা আসন্ন ম্যাচগুলোতে ভালো করবে।’
দুর্বলতা থাকলেও ভারতীয় দলে অভিজ্ঞতার কমতি নেই। অধিনায়ক হারমানপ্রীত কৌর, সহ-অধিনায়ক স্মৃতি মান্ধানা এবং দীপ্তি শর্মার মতো তারকারা ২০১৮ সালের সেই ফাইনালেও দলে ছিলেন। এবার তারা বর্তমান বিশ্বচ্যাম্পিয়ন হিসেবে মাঠে নামবেন। বিশেষ করে ভারতীয় স্পিন আক্রমণ এবারের টুর্নামেন্টে প্রতিপক্ষ ব্যাটারদের জন্য ত্রাস হয়ে উঠেছে। তাদের স্পিন ত্রয়ী মাত্র ৭৯ রান খরচায় তুলে নিয়েছে ২০ উইকেট।







