ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা আরও বাড়াবে ইরান

ছবি: রয়টার্স
দূরপাল্লার ক্ষেপণাস্ত্রের সক্ষমতা বাড়াবে ইরান। দেশটির সেনাবাহিনীর মুখপাত্র মোহাম্মদ আকরামিনিয়া বলেছেন, বর্তমানে মার্কিন বাহিনী ইরানের উপকূল থেকে সর্বোচ্চ ১ হাজার কিলোমিটার দূরে অবস্থান করছে।
ফার্স নিউজ এজেন্সিকে তিনি বললেন, ‘এই যুদ্ধের সময় আমরা বুঝতে পেরেছি, আমাদের ক্ষেপণাস্ত্রের পাল্লা অবশ্যই বাড়াতে হবে। আমরা এখন সেই দিকেই এগোচ্ছি।’
পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি রবিবার বিদেশি রাষ্ট্রদূত ও কূটনীতিকদের বলেছেন, তেহরান আশা করছে ওয়াশিংটন কূটনীতির পথ বেছে নেবে। তবে তিনি সতর্ক করে বলেন, যুক্তরাষ্ট্র আবার সামরিক পদক্ষেপ নিলে ইরান তার জবাব দিতে প্রস্তুত।
ইরান মধ্যপ্রাচ্যের বৃহত্তম ক্ষেপণাস্ত্র কর্মসূচি পরিচালনা করে, যার অধীনে ৩০০ কিলোমিটার থেকে প্রায় ২ হাজার৫০০ কিলোমিটার পাল্লার কার্যকর স্বল্প ও মাঝারি পাল্লার ব্যবস্থা রয়েছে।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক সূত্র বৃহস্পতিবার রয়টার্সকে জানিয়েছে, যুক্তরাষ্ট্র আবার বড় পরিসরে সামরিক হামলা শুরু করলে ইরান আরও ব্যাপক ও শক্তিশালী জবাব দেওয়ার প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এদিকে, আরাঘচি বলেছেন, ‘তারা যদি আবার সামরিক সমাধানের দিকে এগোয়, তাহলে আমরা আগের চেয়ে বেশি প্রস্তুত রয়েছি এবং নিজেদের রক্ষায় প্রয়োজনীয় যেকোনো পদক্ষেপ নেব।’
নিউইয়র্কে জাতিসংঘের বৈঠকে ইরান যে প্রস্তাব দিয়েছে, সেটি পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি তুলে ধরেছিলেন। মধ্যস্থতাকারীদের মাধ্যমে ওই প্রস্তাবের বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্রের জবাব তেহরান পেয়েছে এবং বিষয়টি নিয়ে আলোচনা চলছে।
ইরানের উপপররাষ্ট্রমন্ত্রী কাজেম গারিবাবাদি বললেন, ‘এই মতামতগুলো বর্তমানে ইরানে পর্যালোচনা করা হচ্ছে। ইসলামী প্রজাতন্ত্র ইরানের চূড়ান্ত জবাব প্রস্তুত হলে যথাযথ চ্যানেলের মাধ্যমে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।’
গত মাসের শেষ দিকে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বলেছিলেন, সাত দিনের মধ্যে হরমুজ প্রণালি পুনরায় খুলে দেওয়ার বিষয়ে ইরানের পরিকল্পনা তিনি প্রত্যাখ্যান করেছেন। ইরান জানিয়েছে, মধ্যস্থতাকারী দেশগুলোর মাধ্যমে আলোচনা এখনো চলছে।
সূত্র: আলজাজিরা




