Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
অসহায়দের ভাগ্য বদলাচ্ছেন জুয়েল
সোমবার, ২ নভেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

পাখি-সব-করে-রব

দোতনা আর তার মায়ের গল্প
দোতনা আর তার মায়ের গল্প
দোতনা একটি ছোট্ট শিশু। মামার সঙ্গে দারুণসব কাণ্ড ঘটায় সে। শুধু গল্পের চরিত্রই নয়; এই নামে সত্যি একজন মানুষও আছে। তার মা আবার তোমাদের জন্য মজার মজার লেখা লিখেছেন। সেই মায়ের লেখার সঙ্গে পরিচয় করিয়ে দিচ্ছেন আশিক মুস্তাফা   “ছোট্ট মিশুর বয়স তখন পাঁচ কি ছয়। ওরা থাকত পুরোনো ঢাকায়। চমৎকার একটি বাড়িতে। বাড়ির কাছে মস্ত বড় মাঠ, সবুজ ঘাসে ঢাকা। যেন কার্পেট বিছানো। মাঠের মাঝখানে বিরাট একটা বটগাছ। পাড়ার ছেলে-মেয়েরা সারা বিকেল সেই মাঠে খেলা করে। মিশু বারান্দায় দাঁড়িয়ে খেলা দেখে আর বলে,...
পাখি সব করে রব•৪ দিন আগে
কথা বলা লাল-নীল সাইকেল
কথা বলা লাল-নীল সাইকেল
এক সাইকেলের দুই চাকা, আরেকটির চারটি। ওরা আবার কথা বলতেও জানে। সেই গল্প লিখেছেন ফারহানা মান্নান   বিকেলবেলা। পাশাপাশি দুই বাড়ির উঠানে দাঁড়িয়ে আছে দুটি সাইকেল। একটি ছোট্ট লাল সাইকেল। তার চারটি চাকা। সামনে দুটি নয়, পেছনের বড় চাকার দুই পাশে ছোট্ট দুটি সাপোর্ট চাকা। অন্যটি নীল সাইকেল। একটু বড়সড়। তার মাত্র দুটি চাকা। লাল সাইকেলটি অনেকক্ষণ ধরে নীল সাইকেলের দিকে তাকিয়ে ছিল। হঠাৎ জিজ্ঞেস করল, ‘এই যে নীল ভাই, তোমার বাকি দুই চাকা কোথায়?’ নীল সাইকেল একটু অবাক হয়ে বলল, ‘বাকি দুই...
পাখি সব করে রব•৪ দিন আগে
তারাবতী
তারাবতী
একটি শিশু একদিন তারা হয়ে গেল। তারপর কী হলো? সেই গল্প লিখেছে সাবিকা সামরিন। সে থাকে ঢাকায়; দ্বিতীয় শ্রেণিতে পড়ে বটমলী হোম বালিকা উচ্চবিদ্যালয়ে   এক দেশে ছিল ছোট্ট একটি মেয়ে। ওর শরীর তারাদের মতো হলদেটে রঙের। তাই ওর নাম তারাবতী। তারাবতী একদিন ওর মাকে বলল, ‘মা, আমি কেন তারাদের মতো আকাশে ভেসে বেড়াই না?’ এ কথা শুনে মা হেসে বললেন, ‘তুমি তো মানুষ, তুমি আবার তারা হতে যাবে কেন?’ ‘কারণ আমি তারাদের মতো কাজ করি! তারারা যেভাবে মেঘ দিয়ে নিজেকে ঢাকে আবার বের হয়ে আসে; সেরকম আমিও ঝোপের...
পাখি সব করে রব•৪ দিন আগে
হেমন্তের ছড়া-কবিতা
হেমন্তের ছড়া-কবিতা
হেমন্তের রূপ সোমা মুৎসুদ্দী   আকাশ জুড়ে মেঘের ভেলা প্রকৃতিরই কোলে সবুজ মাঠে সোনার ফসল হেমন্তে ঐ দোলে।   বাউরি বাতাস যায় বয়ে যায় দখিন বিলের মাঝে সবুজ শ্যামল প্রকৃতিও হেমন্তে আজ সাজে।   ছয়টি ঋতুর একটি ঋতু হেমন্তিকা রানী বছর ঘুরে শোনায় যেন ফুল ফসলের বাণী।   পাখির গানে ফুলের সাথে হেমন্ত আজ আসে সবুজ শ্যামল বাংলাকে সে অনেক ভালোবাসে।   হেমবরণ ধান আশরাফ মাহতাব   ধানের শিষে জমে শিশির শিশির জমে চাষীর চোখে, স্বর্ণ-বরণ শিষ ফলা...
পাখি সব করে রব•৪ দিন আগে
মন খারাপ করা ভূতের গল্প
মন খারাপ করা ভূতের গল্প
ছিল দুই ভূত। সম্পর্কে ওরা ভাই। কিন্তু মানুষকে ভয় দেখানোর কথা থাকলেও গোলমাল পাকিয়ে ফেলত। ওদের গল্প লিখেছেন আবুল কালাম আজাদ মিনু আর বিনু। ওরা দুই বোন। মিনু বড়। ক্লাস থ্রিতে পড়ে। বিনু ছোট। ক্লাস ওয়ানে পড়ে। ওদের ভালো লাগে গল্প শুনতে। সবচেয়ে ভালো লাগে ভূতের গল্প। রাতে ভূতের গল্প শুনলে গা ছমছম করে। এই গা ছমছম করাটাই ভূতের গল্পের মজা। মিনু আর বিনু সেদিন রাতে ওদের দাদাকে বলল, ‘দাদা, গল্প বলো।’ দাদা বললেন, ‘কীসের গল্প বলব?’ দুজন একসঙ্গে বলে উঠল, ‘ভূতের গল্প।’ দাদা বললেন, ‘তাহলে...
পাখি সব করে রব•২৫ দিন আগে
হামিংবার্ড নাকি প্যারাশুট
হামিংবার্ড নাকি প্যারাশুট
কোটি কোটি বছর আগে আকাশে চক্কর দিয়ে বেড়াত অতি ক্ষুদ্র এক প্রজাতির ডাইনোসর। নাম ছিল ‘মাইক্রোর‌্যাপ্টর’ বা ‘পুঁচকে শিকারি’। ওদের কথা লিখেছেন অলকানন্দা রায় অনেক অনেক দিন আগের কথা। তখন পৃথিবীটা আজকের মতো ছিল না। বড় বড় সব ডাইনোসর দাপিয়ে বেড়াত চারদিকে। কেউ পাহাড়ে, কেউ পানিতে, কেউ আবার বিশাল খোলা মাঠে। আমি অবশ্য অত বড় ছিলাম না। আমার নাম মাইক্রোর‍্যাপ্টর। তোমরা চাইলে আমাকে চিক্কু নামেও ডাকতে পারো। ভাবছ, ‘বাব্বা! কী ভারী নাম রে!’ নামটা ভারী হলে কী হবে, আমি বেশ হালকাপাতলা ছিলাম। আর একদম...
পাখি সব করে রব•২৫ দিন আগে
পাখি ও পিঁপড়া ছানা
পাখি ও পিঁপড়া ছানা
একটি পাখি দুটি পাখি তিনটি পাখির ছানা ছানাগুলো লুকিয়ে খেলে কেউ করে না মানা।   একটি ছানা খেলতে গিয়ে হোঁচট খেলো ডালে আরেক ছানা উড়তে গিয়ে ব্যথা পেলো গালে।   আরেক ছানা ভয়ে ভয়ে যেই বাড়ালো মুখ কামড়ে দিলো পিঁপড়া ছানা পেলো ভীষণ দুখ।   তিনটি ছানা দিলো হানা পিঁপড়া ছানার বাড়ি বললো ডেকে পিঁপড়া ভায়া তোমার সঙ্গে আড়ি।   কথা ছিলো সবাই মিলে কাটিয়ে দিবো দিন বন্ধু হয়ে থাকবো গাছে আমরা ছানা তিন।   কিন্তু তুমি কামড়ে দিলে কষ্ট পেলো বোন বন্ধুর...
পাখি সব করে রব•২৫ দিন আগে
শরতের সূর্যাস্ত
শরতের সূর্যাস্ত
সন্ধ্যা ঘনিয়ে এলো। সুয্যিমামা ডুবুডুবু। আকাশ হয়ে গেছে কমলারঙা। পাখিরা নীড়ে ফিরছে। পথের পাশে ফুটে আছে সাদা কাশফুল। সুন্দর এই ছবি এঁকেছে মো. মিরসাব আবতাহী। সে থাকে চট্টগ্রামে; হালিশহর প্রি ক্যাডেট স্কুলের তৃতীয় শ্রেণিতে পড়ে, ওর রোল নম্বর ২৭
পাখি সব করে রব•২৫ দিন আগে
ভালোবাসার আখতার হুসেন
ভালোবাসার আখতার হুসেন
ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা। তোমাদের ভীষণ ভালোবাসতেন। একজীবনে দুহাত ভরে লিখেছেন। তিনি প্রখ্যাত শিশুসাহিত্যিক আখতার হুসেন, যিনি গত ২৪ সেপ্টেম্বর (বৃহস্পতিবার) চলে গেছেন পরপারে। তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই বিশেষ আয়োজন আরও পড়ুন আসিয়া আখতার থেকে আখতার হুসেন ০১ অক্টোবর ২০২৬ আরও পড়ুন...
পাখি সব করে রব•প্রায় ১ মাস আগে
আসিয়া আখতার থেকে আখতার হুসেন
আসিয়া আখতার থেকে আখতার হুসেন
নিজের লেখা নিজেই ছিঁড়ে ফেলেছিলেন। কিন্তু কেন? কীসের অভিমান? উত্তরে লেখক বললেন, ‘বাংলা এবং বিদেশি সাহিত্যিকদের অনেকের লেখার প্রভাব সেসব লেখায় ছিল বলেই আমি এ কাজ করেছিলাম।’তারপরের ইতিহাস ভিন্ন। লেখা হলো জীবনের অন্যরকম গল্প। আখতার হুসেন হয়ে উঠলেন বাংলা শিশুসাহিত্যের অন্যতম প্রধান লেখক। ষোলো বছর বয়সে তার প্রথম লেখা ছাপা হয়। ১৯৬১ সালের কথা। তখন তিনি গফরগাঁও সরকারি ইসলামিয়া হাই স্কুলে ক্লাস এইটে পড়েন। বড়দের উপযোগী ছোটগল্প লিখেই তার সাহিত্য-জীবনের সূচনা। তখন ছোটগল্পই ছিল তার প্রিয় বিষয়। বিদেশি ভাষার অন...
পাখি সব করে রব•প্রায় ১ মাস আগে
পরমহিতৈষী
পরমহিতৈষী
তিনি ছিলেন আমাদের প্রিয়জন, বন্ধু ও নানা আন্দোলন-সংগ্রামের সাথি। তিনি আমাদের বন্ধুদের মধ্যে সবচেয়ে বয়োজ্যেষ্ঠ বলে তাকে আমরা সারথি হিসেবে মেনে নিয়েছিলাম। গত শতাব্দীর আশি ও নব্বই দশকে আমরা শুধু লেখালেখি নিয়ে মেতেছিলাম। আন্দোলন-সংগ্রামে সহযোদ্ধা ছিলাম, বিশেষ করে স্বৈরাচার হটাও আন্দোলনে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে চলেছি। শিশুসাহিত্যিক সুজন বড়ুয়া আর আমি ছিলাম সবসময় আখতার হুসেনের সঙ্গে একাত্ম। কি লেখালেখি, কি আন্দোলন-সংগ্রাম; আমরা কখনো কাছছাড়া হতাম না। এমনও দেখা গেছে, কোনো একটা বিষয় ধরে আমরা লেখালেখি শুরু করতাম।...
পাখি সব করে রব•প্রায় ১ মাস আগে
আদুরে গল্প
আদুরে গল্প
আচ্ছা, তোমার পোষা কুকুরটার নাম কী— লালু, না কালু? সে যা-ই হোক; চলো, আজ পথের ধারে বেড়ে ওঠা কালু নামের এক সাহসী কুকুরের গল্প শুনি। ‌‘পথেই থাকে কুকুরটা। ঘুমায়ও পথের পাশে। গায়ে একরাশ ময়লা। খিদে পেলে কুড়িয়ে খায় এটা-সেটা। কেউ তাকে ভালোবাসে না। দেখলেই দূর দূর করে। নাম তার কালু। কে রেখেছে, কেউ জানে না। মুনির সাহেবের বাড়িতে হঠাৎ করেই ঘন ঘন চুরির ঘটনা ঘটতে লাগল। গরমের দিন বলে বাড়ির জানালাগুলো খোলাই থাকে। চোরেরা সেই জানালার ফাঁক দিয়ে যা পায়, সুযোগ বুঝে নিয়ে যায়; জামা-কাপড়, শাড়ি। জানাল...
পাখি সব করে রব•প্রায় ১ মাস আগে
আখতার হুসেনের অপ্রকাশিত ছড়া-কবিতা
আখতার হুসেনের অপ্রকাশিত ছড়া-কবিতা
হালুম খালুম   নামটি আমার বাবার দেওয়া আলামিন হক আলুম, এই মাত্তর খুব মজা করে খাসির মাংস খালুম।   তাই বলে তোমরা ভুলটি করে ভেবে নাকো জন্ম বাঘের ঘরে তা-হলে তো আমি কথা না বলে ডাকতাম হালুম হালুম। ডিডুম ডাডুম   ডিডুম ডাডুম ডিকডাক্ চলছে সবই ঠিকঠাক।   ডিককু ডাককু ডাককুম চাঁদের ছবিই আঁকুম। ডিককু ডাককু ডাক্কার বন্ধু আমার বাক্কার। ডিলু ডাল্লা ড্যাল্লো গল্প ফুরিয়ে গ্যাল্লো। পাঠ   রোজ আমি ভাই পড়তে যে যাই     &nb...
পাখি সব করে রব•প্রায় ১ মাস আগে
আমীরুল ইসলাম : রঙের আকাশে রঙিন লেখক
আমীরুল ইসলাম : রঙের আকাশে রঙিন লেখক
বাংলা আধুনিক শিশুসাহিত্যে কীর্তিমান লেখকদের একজন আমীরুল ইসলাম। তার লেখায় আছে জাদুকরী মজার রহস্য; আছে মনকে রাঙিয়ে দিতে দারুণ সব গল্পকথার ছন্দ। যা ছোটদের কাছে শুধুই ছড়া, তা বড়দের কাছে ভাববার বিষয়। চিরচেনা ছন্দের বাক্সে না আটকে রেখে ছড়াকে তিনি নিরীক্ষার সুতায় বেঁধে টাপুরটুপুর করে নাচিয়েছেন। গল্পে এনেছেন কল্পনায় দেখা জাদুকরী ভাবনা। শিশু-কিশোরদের ভুবনকে জ্ঞানসমৃদ্ধ করে তুলতে তিনি গল্প, ছড়া, কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ, নিবন্ধ, জীবনী, ইতিহাস, চিত্রকলা— নানা বিষয় নিয়ে লিখেছেন। তার লেখায় শি...
পাখি সব করে রব•প্রায় ২ মাস আগে
আমীরুল ভাই
আমীরুল ভাই
শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম ২৬ বছর বয়সে মারা গেছেন। ২৬ না, ৬২ বছর বয়সে। ভুলে ২৬ লিখে ফেলেছি। তবে খুব ভুল কি লিখেছি? সেটা তো না। আমীরুল ভাই থাকলে কী বলতেন? ‘কীয়ের ভুল মিয়া? ৬২ আর ২৬ একই। ২ আর ৬।’ শিশুসাহিত্যিক। আমীরুল ভাই ছিল ‘পিওর’ শিশুসাহিত্যিক; গড়পড়তা আর দশজনের মতো না। আলাদা একজন। প্রাণ-প্রাচুর্যে ভরপুর মানুষ। বিচিত্র বিষয়ে আগ্রহ ছিল তার। বিচিত্র বিষয় নিয়ে লিখেছেন। বইয়ের সংখ্যা আমার অনুমান তিনশর বেশি তো হবেই। একটা ছাড়া আর সব বইয়েরই বিষয় নির্ভেজাল শিশুসাহিত্য। গল্প, কবিতা, ছড়া,...
পাখি সব করে রব•প্রায় ২ মাস আগে
আমাদের গল্প লিখেছেন যে বইয়ে
আমাদের গল্প লিখেছেন যে বইয়ে
এক ছিল রাজার ছেলে। এক ছিল রাখাল ছেলে। খুব বন্ধুত্ব তাদের মধ্যে। রাখাল ছেলে খুব ভালো বাঁশি বাজাতে পারে। তার বাঁশির সুরে ধানের ক্ষেতে বাতাস বয়ে যায়। নদীর জলে সুর খেলে যায়। আর রাজার ছেলে বাঁশি শুনতে খুব পছন্দ করে। রাখাল মাঠে যায়। বুড়ো বটগাছের তলে বসে উদাস দুপুরে বাঁশি বাজায়। রাজার ছেলে ঘোড়ায় চড়ে রাখালের বাঁশি শুনতে সেই মাঠে আসে। মুগ্ধ হয়ে বাঁশি শোনে। রাজার ছেলে একদিন বলে, ‘বন্ধু, একদিন আমি রাজা হব। সেদিন তুমি আমার প্রধানমন্ত্রী হবে। তুমি দেশ চালাবে। আর আমি শুধু নামেই রাজা থাকব। স...
পাখি সব করে রব•প্রায় ২ মাস আগে
ভালোবাসার আমীরুল ইসলাম
ভালোবাসার আমীরুল ইসলাম
তোমাদের ভীষণ ভালোবাসতেন তিনি। তোমাদের জন্য একজীবনে প্রচুর লিখেছেন। বিখ্যাত শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম গত শুক্রবার চলে গেছেন পরপারে। তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই বিশেষ আয়োজন। এ সংখ্যার সব ড্রয়িং আমীরুল ইসলামেরই আরও পড়ুন আমীরুল ইসলাম : রঙের আকাশে রঙিন লেখক ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ আরও পড়ুন...
পাখি সব করে রব•প্রায় ২ মাস আগে
নিউইয়র্কের ছড়া
নিউইয়র্কের ছড়া
নিউইয়র্কের থার্ড এভিনিউ ব্যস্ততম সড়ক। নানা রঙের নানা মানুষ চক্ষু আমার চড়ক। ছুটছে সবাই। ব্যস্ত কাজে বিশ্বসেরা শহর। চোখ ধাঁধানো দালানকোঠা বইছে আলোর রহর।   ছুটছে মানুষ। যন্ত্র সবাই নেইকো আদি অন্ত। নিউইয়র্কের ম্যানহাটানে সবাই হন্তদন্ত।   মাটির নিচে মেট্রোরেলে আরেক ব্যস্ত শহর এই শহরে রাত নামে না নিওন আলোর প্রহর।   বড় বড় দোকান জুড়ে বইছে আলোর বন্যা বিষাদগীতি গাইছে বসে হোমলেস এক কন্যা। এই শহরে ধনী-গরিব সবাই যেন সমান। না খেয়ে কেউ মরবে না তা...
পাখি সব করে রব•প্রায় ২ মাস আগে
জাদুর জুতো
জাদুর জুতো
আজব এক ফুটবল ম্যাচের গল্প লিখেছেন কামাল হোসাইন। শহরের একটি জায়গা। গলির শেষ মাথা। সেখানে একটা ভাঙা ল্যাম্পপোস্ট রাত বাড়লেই আলো-ছায়ার খেলা তৈরি করে। সেখানেই থাকে চৌদ্দ বছরের কিশোর আয়ান। তার নিঃশ্বাস জুড়ে ফুটবল। ঘরের দেয়ালে সাঁটানো রয়েছে একটা পুরনো রঙ জ্বলে যাওয়া পোস্টার— আর্জেন্টিনার নীল-সাদা জার্সিতে লিওনেল মেসি দুই হাত উঁচিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছেন। আয়ান রোজ রাতে ঘুমানোর আগে সেই পোস্টারের দিকে তাকিয়ে ভাবে, কখনো কি আমার পায়েও অমন জাদু আসবে? আয়ান ফুটবলটা দারুণ বোঝে, তার ড্রিবলি...
পাখি সব করে রব•প্রায় ২ মাস আগে
নীলচে শকুন
নীলচে শকুন
আমার নাম ভালচারিন গিনি ফাউল। নামের সঙ্গে ফাউল থাকলেও আমি কিন্তু দুষ্টু নই অত। একটু দুষ্টু আছি অবশ্য! শোরগোল করতে ভালোবাসি ভীষণ, তাই অন্যরা মাঝেমধ্যে পড়ে বেশ বিপাকে। তার ওপর আমার গলার আওয়াজ? আর বলতে সে কথা! ব্যাপক বাজখাই! তারস্বরে চিল্লানো বলে যাকে। দেখতেই পাচ্ছো, আমি বেশ রঙিন। পিঠে লম্বা, চকচকে নীল ও সাদা রঙের পালক। বুকের অংশ গাঢ় নীল। বাকি শরীরে ছোট ছোট সাদা ফোঁটায় সাজানো কালো পালক। তাই রাজকীয় গিনি পাখি নামেও নামডাক আছে আমার। কিন্তু মাথার টাক আর লম্বাটে ঘাড়ের কারণে কেউ কেউ আমা...
পাখি সব করে রব•প্রায় ২ মাস আগে