তালিকায় ৪৯তম বাংলাদেশ

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
বিশ্বে রেমিট্যান্স বা প্রবাসী আয়নির্ভর অর্থনীতির তালিকায় বাংলাদেশের অবস্থান ৪৯তম। বাংলাদেশের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) ৬ দশমিক ১১ শতাংশের সমপরিমাণ আসে বিদেশে কর্মরত বাংলাদেশিদের পাঠানো রেমিট্যান্স থেকে।
বিশ্বব্যাংকের ‘পার্সোনাল রেমিট্যান্সেস রিসিভড অ্যাজ এ শেয়ার অব জিডিপি’ শীর্ষক প্রতিবেদনে উঠে এসেছে এসব তথ্য। এতে বলা হয়েছে, বিশ্বের সবচেয়ে রেমিট্যান্সনির্ভর দেশ তাজিকিস্তান। দেশটির জিডিপির ৪৭ দশমিক ৮৯ শতাংশই আসে বিদেশে কর্মরত নাগরিকদের পাঠানো অর্থ থেকে। দ্বিতীয় অবস্থানে রয়েছে লেবানন (৩৩ দশমিক ৩৫ শতাংশ), এরপর নিকারাগুয়া (২৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ), নেপাল (২৬ দশমিক ২৩ শতাংশ) এবং হন্ডুরাস (২৫ দশমিক ৭০ শতাংশ)। তালিকায় ষষ্ঠ বারমুডা (২৫ দশমিক ৪১ শতাংশ), সপ্তম সামোয়া (২৪ দশমিক শূন্য ১ শতাংশ), অষ্টম এল সালভাদর (২৪ শতাংশ), নবম গাম্বিয়া (২২ শতাংশ) এবং দশম লাইবেরিয়া (২১ দশমিক ২৮ শতাংশ)। এসব দেশের অর্থনীতিতে প্রবাসী আয় একটি গুরুত্বপূর্ণ চালিকাশক্তি হিসেবে কাজ করছে।
দক্ষিণ এশিয়ার দেশগুলোর মধ্যে নেপাল সবচেয়ে বেশি রেমিট্যান্সনির্ভর। অন্যদিকে পাকিস্তানের জিডিপিতে রেমিট্যান্সের অবদান ৯ দশমিক ৪০ (৩০তম), শ্রীলঙ্কায় ৬ দশমিক ৭৯ (৪৫তম), বাংলাদেশে ৬ দশমিক ১১ এবং ভারতে ৩ দশমিক ৫২ শতাংশ (৬৭তম)। ফলে দক্ষিণ এশিয়ায় রেমিট্যান্সনির্ভরতার দিক থেকে নেপালের পরই বাংলাদেশের অবস্থান।
বিশেষজ্ঞদের মতে, রেমিট্যান্স বাংলাদেশের বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ, আমদানি ব্যয়নির্বাহ এবং সামষ্টিক অর্থনৈতিক স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। তবে দীর্ঘমেয়াদে শুধু রেমিট্যান্সের ওপর নির্ভর না করে উৎপাদনশীল খাত, রপ্তানি বহুমুখীকরণ এবং দক্ষ মানবসম্পদ উন্নয়নের মাধ্যমে অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার ওপর গুরুত্বারোপ করছেন তারা।




