Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
৫০ বছর ধরে বর্জ্যমুক্ত রাখছেন রাস্তা-বাজার
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় ধন্যবাদ

৬ লাখ তালবীজ বপন করেছেন চিত্তরঞ্জন

অভয়নগর (যশোর) প্রতিনিধি
agamir somoy
প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৫:১৭
৬ লাখ তালবীজ বপন করেছেন চিত্তরঞ্জন

তালবীজ বপনের জন্য রাস্তার ধারে জায়গা প্রস্তুত করছেন চিত্তরঞ্জন দাস। ছবি: আগামীর সময়

গ্রীষ্মের কাঠফাটা রোদ হোক কিংবা বর্ষার অঝোর ধারা— সাইকেলের হ্যান্ডেলে বাঁধা বস্তায় তালের বীজ, সঙ্গে একটি কোদাল, দা আর পানির বোতল নিয়ে বেরিয়ে পড়েন এক বৃদ্ধ। আপন মনে রাস্তার পাশে, পুকুরপাড়ে কিংবা রেললাইনের ধারে বুনে চলেন তালের বীজ। কারণ, তার একটাই লক্ষ্য— বজ্রাঘাত থেকে মানুষকে বাঁচানো।

যশোরের অভয়নগর উপজেলার ধোপাদী গ্রামের এই বৃদ্ধের নাম চিত্তরঞ্জন দাস (৭০)। স্থানীয়দের কাছে তিনি ‘চিত্ত দা’ বা ‘বৃক্ষপ্রেমী চিত্তরঞ্জন’ নামেই বেশি পরিচিত। গত ১৮ বছরে তিনি নিজ উদ্যোগে বপন করেছেন প্রায় ছয় লাখ তালবীজ এবং ২৫ হাজার খেজুরের বীজ।

পেশায় ক্ষুদ্র কাঠব্যবসায়ী চিত্তরঞ্জনের জীবনের মোড় ঘুরিয়ে দেয় ২০০৮ সালের একটি ঘটনা। একদিন চায়ের দোকানে বসে বৃষ্টি থামার অপেক্ষা করছিলেন। পাশেই পত্রিকা পড়ছিলেন এক ব্যক্তি। পত্রিকায় তালগাছের ছবি দেখে চিত্তরঞ্জন কৌতূহলী হন। তখন ওই ব্যক্তি তাকে পড়ে শোনান, আমেরিকার এক বিজ্ঞানী গবেষণায় পেয়েছেন— তালগাছ প্রচুর অক্সিজেন দেয় এবং উঁচু এই গাছটি বজ্রাঘাতকে দুর্বল করে দিয়ে মানুষের প্রাণ বাঁচায়।

কথাটি চিত্তরঞ্জনের মনে গভীরভাবে দাগ কাটে। তা ছাড়া মৃত্যুর আগে তার বাবাও তাকে বজ্রনিরোধক তালগাছ লাগানোর পরামর্শ দিয়েছিলেন। চিত্তরঞ্জন সিদ্ধান্ত নেন, তিনি মানুষকে বাঁচাতে তালগাছ লাগাবেন। সেই থেকে শুরু, যা আজও চলমান।

কাঠ বিক্রি করে যে আয় হয়, তার একটি বড় অংশ তিনি ব্যয় করেন গাছের পেছনে। এক হাজার তালবীজ কেনা থেকে বপন পর্যন্ত তার প্রায় ৫ হাজার টাকা খরচ হয়। গত ১৮ বছরে এই বৃক্ষরোপণের পেছনে তিনি ব্যয় করেছেন ২৫ থেকে ২৬ লাখ টাকা।

ভবদহ অঞ্চলের প্রায় ৫০টি গ্রাম ঘুরে, মানুষের বাড়ি থেকে, এমনকি আবর্জনার স্তূপ থেকেও তিনি তালবীজ সংগ্রহ করেন। তার এই যাত্রায় পাঁচ বছর ধরে সঙ্গী হয়েছে তার নাতি অর্পণ দাস। ধোপাদী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের চতুর্থ শ্রেণির এই শিক্ষার্থী স্কুল শেষে দাদাকে তালগাছ লাগাতে সাহায্য করে।

স্থানীয় বাসিন্দা জাফর আলম বললেন, ‘প্রথমদিকে তাকে সবাই পাগল বললেও আজ তাকে সবাই সম্মানের চোখে দেখেন। তিনি পরিবেশের জন্য যা করেছেন, তা এক বিশাল অবদান।’

২০০৮ সালে চিত্তরঞ্জনের বোনা প্রথম দিকের বীজগুলো থেকে আজ বিশাল বিশাল গাছ হয়েছে। অভয়নগর, মনিরামপুর ও নওয়াপাড়ার ১২৮টি সড়কের দুই ধার এখন তালগাছে ছাওয়া। সেই গাছগুলোয় তাল ধরছে, তীব্র গরমে পথচারীরা ছায়ায় বসে বিশ্রাম নিচ্ছেন, আর মাঠে কাজ করা কৃষকরা বজ্রপাতের সময় নিরাপদ আশ্রয় পাচ্ছেন। গাছে গাছে দুলছে বাবুই পাখির দৃষ্টিনন্দন বাসা।

সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কল্যাণে চিত্তরঞ্জনের এই উদ্যোগের কথা ছড়িয়ে পড়েছে। এরই মধ্যে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার কসবা এবং পিরোজপুরের কাউখালীতে তিনি ১০ হাজার তালবীজ বপন করে এসেছেন। তার কাজে সন্তুষ্ট হয়ে তাকে পুরস্কৃত করেছে অভয়নগর উপজেলা প্রশাসন। অভয়নগর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শেখ সালাউদ্দিন দিপু বললেন, চিত্তরঞ্জন দাস নিজ উদ্যোগে দীর্ঘদিন ধরে বিভিন্ন এলাকায় সড়কের দুপাশে অসংখ্য তালবীজ বপন করেছেন, যা এখন দৃশ্যমান। ভবিষ্যতে এ তালগাছগুলো দেশের সম্পদ হয়ে থাকবে।

তালবীজবীজ বপনচিত্তরঞ্জন
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    জনতা ব্যাংকে মহাদুর্নীতি, ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বোর্ড

    জনতা ব্যাংকে মহাদুর্নীতি, ভেঙে দেওয়া হচ্ছে বোর্ড

    সৌদির রিয়াদে সড়ক দুর্ঘটনায় কালীগঞ্জের দুই প্রবাসীর মৃত্যু

    সৌদির রিয়াদে সড়ক দুর্ঘটনায় কালীগঞ্জের দুই প্রবাসীর মৃত্যু

    ডিআইজি-এসপিসহ চাকরি গেল ৬  কর্মকর্তার

    ডিআইজি-এসপিসহ চাকরি গেল ৬ কর্মকর্তার

    ‘নিয়মিত ক্লাস না করলে সুপারিশ শোনা হবে না’

    ‘নিয়মিত ক্লাস না করলে সুপারিশ শোনা হবে না’

    সিজারের পর নারীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

    সিজারের পর নারীর মৃত্যু, অবহেলার অভিযোগ পরিবারের

    শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই গ্রেপ্তার

    শ্যালিকাকে ধর্ষণের অভিযোগে দুলাভাই গ্রেপ্তার

    ‘শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে ফিরলে কিছু হবে না’ বলা সেই ওসি গ্রেপ্তার

    ‘শেখ হাসিনা ডিসেম্বরে ফিরলে কিছু হবে না’ বলা সেই ওসি গ্রেপ্তার

    সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ‘আগামীর সময়’ পরিদর্শন

    সাউথইস্ট বিশ্ববিদ্যালয়ের বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থীদের ‘আগামীর সময়’ পরিদর্শন

    অ্যাপিয়ার্ড সার্টিফিকেট দিয়েই জুডিশিয়াল সার্ভিসে বাজিমাত ঢাবির ১০ শিক্ষার্থীর

    অ্যাপিয়ার্ড সার্টিফিকেট দিয়েই জুডিশিয়াল সার্ভিসে বাজিমাত ঢাবির ১০ শিক্ষার্থীর

    খলিলুর রহমানের দপ্তরে নিয়োগ পেলেন জাইমা রহমানসহ ৬ বাংলাদেশি

    খলিলুর রহমানের দপ্তরে নিয়োগ পেলেন জাইমা রহমানসহ ৬ বাংলাদেশি

    ১১ বোয়িং কেনার চুক্তি, বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট

    ১১ বোয়িং কেনার চুক্তি, বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট

    রেলওয়ের ৬ কোটি টাকার গোপন দর ফাঁস, কাজ সেই আফসারের হাতে

    রেলওয়ের ৬ কোটি টাকার গোপন দর ফাঁস, কাজ সেই আফসারের হাতে

    এনবিআরের কর কমিশনারের শতকোটির দুর্নীতি!

    এনবিআরের কর কমিশনারের শতকোটির দুর্নীতি!

    নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি, ক্ষোভ

    নবীনবরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হত্যাচেষ্টা মামলার আসামি, ক্ষোভ

    স্বামীর চেয়ে বয়সে বড় বলিউডের ৭ নায়িকা

    স্বামীর চেয়ে বয়সে বড় বলিউডের ৭ নায়িকা