
তারিখ
বুধবার, ৮ জুলাই ২০২৬
সময়
02:00:00
ভেন্যু
ভ্যাঙ্কুভার
সর্বশেষ ১৯৫৪ বিশ্বকাপে কোয়ার্টার ফাইনাল খেলেছিল সুইজারল্যান্ড। ৭২ বছর পর শেষ আটের টিকিট পেল তারা। টাইব্রেকারে সুইজারল্যান্ড ৪-৩ ব্যবধানে হারায় কলম্বিয়াকে। কোয়ার্টার ফাইনালে তারা খেলবে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে।
কলম্বিয়ার দ্বিতীয় শটটি বারে মেরেছিলেন ডেভিনসন সানচেস। আর সুয়ারেসের নেওয়া চতুর্থ শটটি ঠেকান সুইস গোলকিপার। সুইজারল্যান্ডের তৃতীয় শটটি উড়িয়ে মেরেছিলেন আকাঞ্জি। তাই সমীকরণ ছিল শেষ শটে ভার্গাস লক্ষ্যভেদ করলেই কোয়ার্টার ফাইনালে যাবে সুইসরা। সেই সুযোগটা নষ্ট করেননি ভার্গাস।
৯০ মিনিটের পর অতিরিক্ত ৩০ মিনিটেও গোলের দেখা পায়নি কলম্বিয়া-সুইজারল্যান্ড। তাই ম্যাচ গড়াল টাইব্রেকারে।
১১৫ মিনিট
সুইজারল্যান্ডের রক্ষণের ভুলে গোলের দারুণ সুযোগ পেয়ে গিয়েছিল কলম্বিয়া। একটা লং বল ক্লিয়ার করতে পারেনি তারা। তাই গোলকিপারকে একেবারে একা পেয়ে যান জেমিনটন। কিন্তু বারের উপর দিয়ে চলে যায় তার শট।
অতিরিক্ত সময়ে খেলা গড়ানোর পর গোলের জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে দুই দল। প্রথম ১৫ মিনিট আক্রমণ শানিয়েছে দুই দলই। ১০৫তম মিনিটে লুইস দিয়াসের শট মিস হয় অল্পের জন্য। পরের ১৫ মিনিটে কেউ গোলের দেখা না পেলে ম্যাচ গড়াবে টাইব্রেকারে।
গোলের জন্য মরিয়া ছিল না কোন দল। উল্টো গোল হজম না করতে খেলেছে সতর্ক ফুটবল। নির্ধারিত ৯০ মিানিটের পর ইনজুরি টাইমের ৫ মিনিটেও খুলেনি গোলের তালা। কলম্বিয়া-সুইজারল্যান্ড ম্যাচ তাই গড়াল অতিরিক্ত সময়ে। এবারের বিশ্বকাপের শেষ ষোলোতে একমাত্র ম্যাচ হিসেবে এটা গড়াল অতিরিক্ত সময়ে।
৫২.৪ শতাংশ বলের দখল নিয়ে খেলা সুইজারল্যান্ড পোস্টে শট নিয়েছে ৬টি। লক্ষ্যে ছিল ২টি। কলম্বিয়ার ৭ শটের লক্ষ্যে ছিল ২টি।
গোল পেল না কলম্বিয়া-সুইজারল্যান্ডের কেউ। গোলশূন্য ড্র’তে বিরতি হয়েছে ম্যাচে। কলম্বিয়ার বলের দখল ছিল ৫০.৯ শতাংশ। তবে তারা পোস্টে ৫টি শট নিয়ে লক্ষ্যে রেখেছিল কেবল একটি। আর সুইজারল্যান্ডের ২ শটের ২টিই ছিল লক্ষ্যে। তবে গোলরক্ষকরে দৃঢ়তায় গোল হজম করেনি দুই দল।