
তারিখ
মঙ্গলবার, ৭ জুলাই ২০২৬
সময়
22:00:00
ভেন্যু
আটলান্টা
৬৭ মিনিটে দুই গোলে পিছিয়ে যাওয়া। মনে হচ্ছিল বর্তমান চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনার বিদায় ঘনিয়ে এসেছে। তবে এ ম্যাচের চিত্রনাট্যের শেষটা লেখা ছিল অন্যরকম। অসাধারণ প্রত্যাবর্তনের গল্প লিখে মিসরকে ৩-২ গোলে হারিয়ে আর্জেন্টিনা পা রেখেছে বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে।
বাঁ পায়ের জাদুকর আবারও জ্বললেন। প্রথমে রোমেরোকে দিয়ে গোল করান ৭৯ মিনিটে। এরপর ৮৩ মিনিটে নিজে করলেন সমতাসূচক গোল। আর দ্বিতীয়ার্ধের যোগ করা সময়ে এনসো ফের্নান্দেস কাউন্টার অ্যাটাক থেকে করেন জয়সূচক গোল।
এর আগে ম্যাচের ১৫ মিনিটে ইয়াসের ইব্রাহিম ধারার বিপরীতে গোল করে মিসরকে এগিয়ে নিয়েছিলেন। ছয় মিনিট পর পেনাল্টি থেকে দলকে সমতায় ফেরানোর সুযোগ হাতছাড়া করেন মেসি। তার শট রুখে দেন মিসর কিপার মোস্তফা শুবির।
গোল হজমের পর আর্জেন্টিনা মরিয়া চেষ্টা চালায় ম্যাচে ফেরার। তবে শুবিরকে পরাস্ত করতে পারেনি তারা। ২৮ মিনিটে ম্যাক আলিস্টারের হেড রুখে দেন এই কিপার। ৩১ মিনিটে মেসির ফ্রি-কিক ফিরে আসে সাইড পোস্টে বাধা পেয়ে। ৩৯ মিনিটে হুলিও আলভারেস সেরা সুযোগ পেয়েছিলেন গোলের। তবে আশুর আবারও ত্রাতার ভূমিকা নিয়ে অবিশ্বাস্যভাবে রুখে দেন তার প্রচেষ্টা। ফলে এক গোলের লিড নিয়ে বিরতিতে যায় মিসর।
বিরতি থেকে ফিরেও আর্জেন্টিনা বারবার হতাশ হয়েছে মিসরের রক্ষণে খেই হারিয়ে। ৫৮ মিনিটে উল্টো গোল হজম করে বসে তারা। মোস্তফা জিকো কাউন্টার অ্যাটাকের সুযোগে গোল করেছিলেন। তবে ভিএআর সেই গোল বাতিল করে। দেখা যায় গোলের ঘটনার আগেই লিসান্দ্রো মার্তিনেসকে ফাউল করেন মিসরের এক ডিফেন্ডার।
তবে ৬৭ মিনিটে ঠিকই মিসরের লিডা বাড়ান জিকো। এবার কাউন্টার অ্যাটাক থেকে বল নিজেদের অর্ধ থেকে নিয়ে হাইসেম হাসানকে পাস বাড়ান মিসর অধিনায়ক মোহাম্মদ সালাহ। হাইসেম দ্রুত পাস দেন জিকোকে। এবারও নিঁখুত ফিনিশে ২-০ করেন তিনি।
দুই গোলের পিছিয়ে পড়ার পরও হাল ছাড়েনি আর্জেন্টিনা। একের পর এক আক্রমন সানাতে থাকে তারা। শেষ পর্যন্ত ৭৯ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে মেসির ক্রসে ছোট ডি-বক্সের সামনে থেকে রোমেরোর হেড জালে জড়ালে ব্যবধান কমে আসে।
তখনও হারের শঙ্কা কাটেনি আলবিসেলেস্তেদের। ঠিক সেই মুহূর্তে জ্বলে ওঠেন মেসি। ৮৩ মিনিটে গোল মুখের জটলা থেকে বাঁ পায়ের প্লেসিংয়ে আর্জেন্টিনাকে সমতায় ফেরান মেসি। এই আসরে অস্টম গোল করে ছাড়িয়ে যান কিলিয়ান এমবাপ্পে ও আর্লিং হালান্ডকে। টানা নবম বিশ্বকাপ ম্যাচে গোলের কীর্তি গড়া মেসির স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখার দায়িত্বটা এরপর নেন তার দুই সতীর্থ লাউতারো মার্তিনেস ও এনসো ফের্নান্দেস। কাউন্টার অ্যাটাক থেকে বল পেয়ে ডান দিক দিয়ে আক্রমণে উঠে বদলী নামা লাউতারো দেখে শুনে ক্রস ফেলেন ছোট ডি-বক্সের সামনে। সেখান থেকে মাপা হেডে বল জালে জড়ান এনসো। তাতেই মিসর বাধা টপকে আর্জেন্টিনা পৌঁছে যায় বিশ্বকাপের কোয়ার্টার ফাইনালে।
১২ জুলাই বাংলাদেশ সময় সকাল সাতটায় আর্জেন্টিনা সেমিফাইনালে যাওয়ার ম্যাচটি খেলবে সুইজারল্যান্ড ও কলম্বিয়ার ম্যাচের বিজয়ীদের সঙ্গে। এই দুই দল মাঠে নামবে আজ বাংলাদেশ সময় রাত দুইটায়।
মেসির জন্য এ জয়ের গুরুত্ব কতটা বোঝা গেছে রেফারির শেষ বাঁশি বাজার পর। নিশ্চিত বিদায়ের মুখ থেকে ফেরার পর আর আবেগ ধরে রাখতে পারেননি ২০২২ বিশ্বকাপ জয়ী অধিনায়ক। আটলান্টায় অঝোরে কাঁদলেন মেসি। কাঁদালেন দুনিয়াজুড়ে কোটি সমর্থককে।
এক অবিশ্বস্য প্রত্যাবর্তনে টানা দ্বিতীয় শিরোপা জয়ের স্বপ্নটা বেঁচে থাকলো মেসির। আর বিশ্বকাপের ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অঘটন ঘটাতে না পার কষ্ট নিয়ে বিদায় নিতে হলো মোহাম্মদ সালাহ'র মিসরকে।
অবিশ্বাস্য প্রত্যাবর্তন আর্জেন্টিনার।
যোগ করা সময়ের দ্বিতীয় মিনিটে লাউতারো মার্তিনেস ডান প্রান্ত থেকে ক্রস ফেলেছিলেন। নিঁখুত হেডে বল জালে জড়িয়ে বুনো উদযাপনে মাতেন এনসো।
আর্জেন্টিনা ৩-২ গোলে এগিয়ে।
আবারও মেসির জাদু!!!
৮৩ মিনিটে আর্জেন্টিনার বিশ্বকাপ স্বপ্ন বাঁচিয়ে রাখলেন মেসি। গোল মুখের জটলা থেকে তার বাঁ পায়ের শট রুখতে পারেননি মিসর কিপার।
চলতি বিশ্বকাপে অস্টম গোল করলেন আর্জেন্টিনা অধিনায়ক। ছাড়িয়ে গেলেন এমবাপ্পে ও হলান্ডকে।
অসাধারণ প্রত্যাবর্তন একেই বলে। ম্যাচে এখন ২-২ সমতা!!!
ছয় বিশ্বকাপে এখন মেসির ২১ গোল। টানা নবম বিশ্বকাপ ম্যাচে গোলের কীর্তি গড়লেন তিনি।
৭৯ মিনিটে ডান প্রান্ত থেকে মেসির ক্রসে ছোট বক্সের সামনে থেকে হেডে গোল করে ব্যবধান কমালেন ক্রিস্তিয়ান রোমেরো।
ম্যাচে আর্জেন্টিনা পিছিয়ে ২-০ ব্যবধানে।
নেইমার, রোনালদোর পর মেসির বিদায় ক্ষণও কি ঘনিয়ে আসছে?
৯ মিনিট আগে ভিএআর-এ বাতিল হয়েছিল মোস্তফা জিকোর গোল। তিনিই শেষ পর্যন্ত কাউন্টার অ্যাটাকের সুযোগ কাজে লাগিয়ে ঠিকই মিসরের ব্যবধান দ্বিগুণ করেন।
কাউন্টার অ্যাটাকে বলটি নিজেদের অর্ধ থেকে নিয়ে এসেছিলেন মিসর অধিনায়ক মোহাম্মদ সালাহ। এরপর বল দেন হাইসেম হাসানকে। তার পাসকেই গোলে পরিণত করেন জিক।
৫৮ মিনিটে মোস্তফা জিকোর ব্যবধান দ্বিগুণ করেছিলেন মিসরের। তবে ভিএআর চেক-এ দেখা যায় লিসান্দ্রো মার্তিনেসকে আগেই ফাউল করে বল কেড়ে নিয়েছিলেন জিকো। গোল তাই বাতিল হয় তার। পাশাপাশি গোল করে জার্সি খোলায় হলুদ কার্ডও দেখতে হয় তাকে।
৫৮ মিনিটে ধারার বিপরীতে আবারও এগিয়ে গেল মিসর!!!
আর্জেন্টিনা এখন দুই গোলে পিছিয়ে।
শুরু হলো দ্বিতীয়ার্ধ। ১-০ গোলে পিছিয়ে থাকা আর্জেন্টিনা কী পারবে ম্যাচে ফিরতে?
মিসর একটা পরিবর্তন করে নেমেছে। ইমার আশুরের জায়গায় নেমেছেন হামদি ফাথি।
বিশ্বকাপের শেষ ১৬-র ম্যাচে আর্জেন্টিনার বিপক্ষে প্রথমার্ধে এগিয়ে আছে মিসর। ১৫ মিনিটে ইয়াসের ইব্রাহিমের গোলে লিড নেয় আফ্রিকান পরাশক্তিরা। এর কিছুক্ষণ পর পেনাল্টি থেকে আর্জেন্টিনাকে সমতায় ফেরাতে পারেননি মেসি। তার শট রুখে দেন মিসর কিপার মোস্তফা শুবির। এই গোলকিপার এরপর আরও তিনটি গোলের সুযোগ নস্যাৎ করে দেন আর্জেন্টিনার। তাই পিছিয়ে থেকেই সাজঘরে ফিরতে হয়েছে বর্তমান চ্যাম্পিয়নদের।
প্রথমার্ধে সব মিলিয়ে আর্জেন্টিনার চারটি গোলমুখী শট শেষ পর্যন্ত জাল খুঁজে পায়নি। অন্যদিকে মিসরের একটি চেষ্টাই জালে জড়ায়।
৩৯ মিনিটে আলভারেসকে নিশ্চিত গোল করতে দেননি মিসর কিপার শুবির। তাগিয়াফিগোর স্কয়ার পাসে আলভারেসের শট শেষ মুহূর্তে বাঁ ঝাপিয়ে কর্নার করে দেন এ কিপার।
৩১ মিনিটে বেশ দূর থেকে মেসির ফ্রি-কিক সাইড পোস্টে আঘাত করে বাইরে গেলে হতাশা বাড়ে আর্জেন্টিনার।
২৮ মিনিটে দে পলের ক্রসে গোলমুখ থেকে ম্যাক আলিস্টারের হেড রুখে দিলেন মোস্তফা শুবির।
তাগিয়াফিকোকে বক্সে ফেলে দিয়েছিলেন হাইসেম হাসান। রেফারি পেনাল্টির বাঁশি বাজান। তেবে পেনাল্টির সুযোগ কাজে লাগাতে পারেননি মেসি। তার শট বাঁ দিকে ঝাঁপিয়ে রুখে দেন মিসর কিপার মোস্তফা শুবির।
২১ মিনিটে দলকে ম্যাচে ফেরানোর সুযোগ নষ্ট করলেন মেসি। এই বিশ্বকাপে দ্বিতীয়বার পেনাল্টি থেকে গোল করতে ব্যর্থ হলেন আর্জেন্টাইন অধিনায়ক। অস্ট্রিয়ার বিপক্ষে গ্রুপ পর্বের ম্যাচেও পেনাল্টি থেকে গোল করতে পারেননি তিনি।
১৫ মিনিটে পেনাল্টি পেয়েছে আর্জেন্টিনা
১৫ মিনিটে মিসরকে এগিয়ে নিলেন ইয়াসের ইব্রাহিম। ডান দিক থেকে মারাওয়ান আত্তিয়ার ক্রস গোলমুখে আসলে মার্কারদের ছিটকে ফেলে হেডে এমিলিয়ানো মার্তিনেসকে সুযোগ না দিয়ে আর্জেন্টিনার জাল খুঁজে নেন ইব্রাহিম। এটি আন্তর্জাতিক ম্যাচে তার দ্বিতীয় গোল
যুক্তরাষ্ট্রের আটলান্টা স্টেডিয়ামে শুরু হয়েছে বিশ্বকাপের শেষ ১৬-র আর্জেন্টিনা-মিসর ম্যাচ
৩০টি বিশ্বকাপ ম্যাচ খেলা প্রথম খেলোয়াড়
বিশ্বকাপে ২০টি গোল করা প্রথম খেলোয়াড়
বিশ্বকাপে ২০টি জয় পাওয়া প্রথম খেলোয়াড়
বিশ্বকাপে টানা আট ম্যাচে গোল করা প্রথম খেলোয়াড়
কেপ ভার্দের সঙ্গে শেষ ৩২-এর ম্যাচে খেলা শুরুর একাদশে তিন পরিবর্তন এনেছেন আর্জেন্টিনার কোচ লিওনেল স্কালোনি। মিসরের বিপক্ষে লাউতারো মার্তিনেসের জায়গায় হুলিয়ান আলভারেস, থিয়াগো আলমাদার পরিবর্তে লিয়ান্দ্রো পারেদেস ও ফাকুন্দো মেদিনার জায়গায় শুরু করবেন নিকোলাস তাগিয়াফিকো। আজ আর্জেন্টিনা কোচ স্কালোনি শুরুর একাদশ সাজিয়েছেন ৪-১-৩-২ ফরম্যাশনে।
রাউন্ড অব ৩২-এ অস্ট্রেলিয়াকে হারানোর ম্যাচের একাদশে দুই পরিবর্তন এনেছেন মিসরের কোচ হোসাম হাসান। দলটির অন্যতম স্ট্রাইকার ওমর মারমুশকে বেঞ্চে রেখে তিনি খেলাবেন হাইসেম হাসানকে। হামদি ফাথির বদলে খেলবেন মোমোহনাদ লাশিন। মিসর খেলবে ৪-২-৩-১ ফরম্যাশনে।
আর্জেন্টিনা একাদশ: এমিলিয়ানো মার্তিনেস, নিকোলাস তাগিয়াফিকো, লিসান্দ্রো মার্তিনেস, ক্রিস্তিয়ান রোমেরো, নাহুয়েল মোলিনা, লিয়ান্দ্রো পারেদেস, রোদ্রিগো দে পল, আলেক্সিস ম্যাক আলিস্টার, এনসো ফের্নান্দেস, হুলিয়ান আলভারেস, লিওনেল মেসি।
মিসর একাদশ: মোস্তফা শুবির, ইয়াসির ইব্রাহিম, মোহাম্মদ হানি, রামি রাবিয়া, করিম হাফেজ, ইমাম আশুর, মোস্তফা জিকো, মোমোহনাদ লাশিন, মারাওয়ান আত্তিয়া, মোহাম্মদ সালাহ, হাইসেম হাসান।
মিশরের বিপক্ষে শেষ ষোলোর ম্যাচের আগে আর্জেন্টাইন অধিনায়ক লিওনেল মেসি ঐতিহাসিক চারটি মাইলফলকের সামনে দাঁড়িয়ে আছেন। ফিফা বিশ্বকাপে টানা ম্যাচে গোল করার নিজের বিশ্ব রেকর্ডটিকে আরও উঁচুতে নিয়ে যাওয়া, ২০২৬ বিশ্বকাপের গোল্ডেন বুট জয়ের দৌড়ে এককভাবে শীর্ষে ওঠা, আর্জেন্টিনার হয়ে একটি একক বিশ্বকাপে সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ড স্পর্শ করা এবং ছেলেদের বিশ্বকাপে নিজের সর্বকালের সর্বোচ্চ গোলের রেকর্ডকে আরও সমৃদ্ধ করা।
যেসব রেকর্ড ভাঙা বা গড়ার অপেক্ষায় মেসি:
টানা ম্যাচে গোলের রেকর্ড: মিশরের বিপক্ষে গোল করলেই মেসি ফিফা বিশ্বকাপে টানা ৯ ম্যাচে গোল করার মাধ্যমে নিজের গড়া বিশ্ব রেকর্ডটিকে আরও প্রসারিত করবেন।
বিশ্বকাপে সর্বমোট গোল: ইতিমধ্যেই বিশ্বকাপে ২০ গোলের অবিশ্বাস্য এক ক্যারিয়ার রেকর্ডের মালিক তিনি; এখন প্রতিটি গোলই ছেলেদের বিশ্বকাপ ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা হিসেবে তাঁর এই শীর্ষস্থানকে আরও সুসংহত করবে।
আর্জেন্টিনার একক টুর্নামেন্ট রেকর্ড: ২০২৬ সালের এই টুর্নামেন্টে মেসি যদি তাঁর ৮ম গোলটি পেয়ে যান, তবে তিনি একটি একক বিশ্বকাপে আর্জেন্টিনার হয়ে সর্বোচ্চ গোলের ক্ষেত্রে গুইলার্মো স্তাবিলির দীর্ঘদিনের অক্ষুণ্ন রেকর্ডটি স্পর্শ করবেন।
গোল্ডেন বুটের শীর্ষস্থান: মিশরের বিপক্ষে একটি গোলই তাঁকে সর্বোচ্চ গোলদাতার দৌড়ে কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং আর্লিং হালান্ডের মতো টুর্নামেন্টের অন্য তারকাদের পেছনে ফেলে এককভাবে সবার চেয়ে এগিয়ে দেবে।* দুই দলের আগের দুটি লড়াইয়ের দুটিতেই জিতেছে আর্জেন্টিনা। ১৯২৮ সালের অলিম্পিক ফুটবলে সেমিফাইনালে তারা ৬-০ ব্যবধানের মিসরকে হারিয়েছিল। পরবর্তীতে ২০০৮ সালের মার্চে কায়রোতে এক প্রীতি ম্যাচে ২-০ ব্যবধানে জিতেছিল।
* আফ্রিকান দলগুলোর বিপক্ষে বিশ্বকাপে টানা আট ম্যাচে জয় পেয়েছে আলবিসেলেস্তে'রা। এর মধ্যে শেষ ছয়টি ম্যাচেই তারা প্রথমার্ধে এগিয়ে ছিল।
* বিশ্বকাপে দক্ষিণ আমেরিকার কোনো দলের বিপক্ষে মিসরের একমাত্র ম্যাচটি ছিল ২০১৮ সালে রাশিয়ায়। গ্রুপ পর্বের সেই ম্যাচে উরুগুয়ের কাছে ১-০ গোলে হেরেছিল তারা।
আটলান্টা স্টেডিয়ামে পৌঁছেছে আর্জেন্টিনা এবং মিসর। শেষ ১৬-র লড়াইয়ের নামার আগে দু'দলের স্মৃতিতে রয়েছে দুই রোমাঞ্চকর জয়। টুর্নামেন্টে প্রথমবার খেলতে আসা কেপ ভার্দেকে অতিরিক্ত সময়ে ৩-২ ব্যবধানে হারিয়ে শেষ ষোলো নিশ্চিত করেছিল লিওনেল মেসির আর্জেন্টিনা। মেসি পেয়েছিলেন এই বিশ্বকাপে সপ্তম গোলের দেখা।
অন্যদিকে, অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে পেনাল্টি শুটআউটের এক স্নায়ুচাপকে জয়ে পরিণথ করে প্রথমবার বিশ্বকাপের শেষ ১৬-তে নাম লেখায় মিসর।
সমৃদ্ধ ফুটবল ঐতিহ্যের অধিকারী দুই মহাদেশীয় পরাশক্তির লড়াই হতে যাচ্ছে এটি। কোপা আমেরিকার ১৬ বারের চ্যাম্পিয়ন আর্জেন্টিনা কোয়ার্টার ফাইনালের টিকিট কাটার পাশাপাশি বিশ্বকাপের শিরোপা ধরে রাখা ইতিহাসের মাত্র তৃতীয় দল হওয়ার লক্ষ্যে ছুটছে।
অপরদিকে, আফ্রিকা কাপ অব নেশনসের ৭ বারের চ্যাম্পিয়ন মিসর তাদের ইতিহাসের সেরা এ বিশ্বকাপে আরও একটি নতুন গৌরবময় অধ্যায় লেখার অপেক্ষায় রয়েছে। আফ্রিকান দলটিকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন মোহাম্মদ সালাহ।
ম্যাচটি শুরু হবে বাংলাদেশ সময় রাত দশটায়।