Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
মানবকল্যাণে নিবেদিতপ্রাণ খোরশেদ
বৃহস্পতিবার, ১৫ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় কলাম

গণঅভ্যুত্থানের ব্যর্থতায় কে কী শিখল

আলতাফ পারভেজ
agamir somoy
প্রকাশ: ০৬ জুলাই ২০২৬, ০৪:৪৭
গণঅভ্যুত্থানের ব্যর্থতায় কে কী শিখল

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের ফলাফল মূল্যায়নের জন্য ২৪ মাস অনেক বেশি সময় নয়। একেবারে কমও নয়। এরই মধ্যে দেশে একটি সরকার গেছে, আরেকটি এসেছে। গণঅভ্যুত্থানের বদৌলতে সুশীল সমাজের বড় একাংশ রাষ্ট্রীয় সুযোগ-সুবিধা এবং ক্ষমতার জগতে কাটিয়ে গেলেন অনেক দিন। একই জগতে পদার্পণ করেছেন এখন নির্বাচিতরা এবং নির্বাচিত সরকারের পছন্দনীয়রা। সেটা অনিবার্য।

পুরনোদের ১৯ মাসের পর নতুনদের পঞ্চম মাস চলছে। ফলে গণঅভ্যুত্থানের প্রত্যাশা, আকাঙ্ক্ষা ও কর্মসূচি বাস্তবায়নের জন্য সময় পাওয়া যায়নি এমন বলা যায় না। শহীদ পরিবারগুলো বা গণঅভ্যুত্থানের জীবিত কর্মীরা যদি বিগত অন্তর্বর্তী সরকার বা বর্তমান বিএনপি সরকারের কাছে এ নিয়ে হিসাবপত্তর বা জবাবদিহি চায়, সেটা কি অন্যায় বা অসংগত হবে?

‘জবাবদিহি’র বিষয় এলেই অনেক প্রশ্ন ‍ওঠে। ‘জুলাই আন্দোলনে’র প্রত্যাশা বা দাবি কী ছিল? সেসবের বাস্তবায়নের দায়দায়িত্ব কার? হলো না কেন সেসব? রাজনৈতিক ভাবুকদের আড্ডায় এরকম প্রশ্নের উত্তর নিয়ে বেশ কাজিয়া শোনা যায়। তার মধ্যে আদি প্রশ্ন এ-ও চলে আসে, ‘লাল জুলাই’ আসলে কী চেয়েছিল?

যদিও এখন চব্বিশের গণঅভ্যুত্থানের মালিকানা নিয়ে টানাহেঁচড়া ও বিতর্ক চলছে; কিন্তু এটাই সত্য, ওই আন্দোলনের মূল ব্যানার ছিল ‘বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলন’। তারাই মানুষকে আহ্বান করেছিল রাজপথে নামতে। তাদের আহ্বানে বেশি সাড়া দেয় শহুরে অপ্রাতিষ্ঠানিক শ্রমজীবী, নারী, বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মী এবং দোকানদার সমাজ। উচ্চ-মধ্যবিত্তের একাংশও ধীরে ধীরে আন্দোলনের সমর্থনে নেমেছিল। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের প্রাথমিক লক্ষ্য সরকার পতন ছিল না। সরকারই সে রাস্তা তৈরি করে এবং সে পথে এগোতে এগোতে রাষ্ট্র সংস্কারের গত দেড় দশকের সংগ্রামগুলো আন্দোলনের প্রধান দার্শনিক পাটাতনে পরিণত হয়।

লীগের শাসনামলে নানা শ্রেণি-পেশার আন্দোলনের ভেতর দিয়ে একটি রাজনৈতিক উপলব্ধি বড় হয়ে উঠেছিল— বারবার সরকার বদল হলেও বাংলাদেশে যে মুক্তি আসে না, তার মূলে ঔপনিবেশিক রাষ্ট্র কাঠামো। যার মধ্যে আছে দুর্নীতিগ্রস্ত পুলিশিব্যবস্থা, ভূমিব্যবস্থা, বাজার সিন্ডিকেট এবং বিশেষভাবে কেন্দ্রীয় আমলাতন্ত্র।

‘জুলাই আন্দোলনে’র প্রত্যাশা বা দাবি কী ছিল? সেসবের বাস্তবায়নের দায়দায়িত্ব কার? হলো না কেন সেসব? রাজনৈতিক ভাবুকদের আড্ডায় এরকম প্রশ্নের উত্তর নিয়ে বেশ কাজিয়া শোনা যায়

গণঅভ্যুত্থানের পরপর এসবের সংস্কার চেয়ে কীভাবে গ্রাফিতি আঁকার ধুম পড়েছিল, সেসব হয়তো জীবিত সবার মনে আছে। শুধু এসব প্রত্যাশার চাপেই অন্তর্বর্তী সরকার ১১টি সংস্কার কমিশন করে। সেসব কমিশনের প্রতিবেদনে নিশ্চয়ই এতদিন অনেক ধুলো জমেছে।

জনচাপে সংস্কার কমিশন করলেও অন্তর্বর্তী সরকার কমিশনগুলোর সুপারিশ বাস্তবায়নে সামান্যই আগ্রহ দেখিয়েছে। নারী অধিকার কমিশন, শ্রমিক অধিকার কমিশন, অর্থনৈতিক টাস্কফোর্স প্রতিবেদনগুলোর সুপারিশ নিয়ে জাতীয় ঐকমত্য কমিশনে আলোচনাই হয়নি। ওই সরকারের আমলে মব সংস্কৃতি বিদ্যমান ব্যবস্থার সংস্কারের বদলে তাকে আরও দক্ষিণ দিকে ঠেলতে শুরু করে। যে কারণে সাধারণ মানুষ একপর্যায়ে দ্রুত নির্বাচন চাইতে শুরু করে।

এরপর সংস্কার-আকাঙ্ক্ষা বাস্তবায়নের দায়িত্ব পড়ে নতুন সংসদের ওপর— যে সংসদে সরকার গঠনকারী দল বিএনপির রয়েছে ২০০-এরও বেশি নির্বাচিত সদস্য। রাষ্ট্র সংস্কার বিষয়ে তাদের নিজেদের রয়েছে ৩১ দফা প্রতিশ্রুতি, যা তারা গণঅভ্যুত্থানের অনেক আগে থেকে প্রচার করছিল। নির্বাচনে তাদের পক্ষে সংখ্যাগরিষ্ঠ ভোটারের পক্ষপাতের পেছনে নিশ্চয়ই ওই ‘৩১ দফা’রও বড় প্রভাব কাজ করেছে। আবার ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনের সঙ্গে যুক্ত গণভোটে ‘হ্যাঁ’ রায় পাওয়া জুলাই সনদের বাস্তবায়নেরও দায় রয়েছে বিএনপির।

কিন্তু গত পাঁচ মাসে রাষ্ট্রীয় প্রশাসন, নির্বাচনীব্যবস্থা, স্থানীয় সরকার, পুলিশিব্যবস্থা ইত্যাদি বিষয়ে ঔপনিবেশিক কাঠামোর বদলে হাত দেয়নি বিএনপি। সংবিধান সংস্কার পরিষদের সদস্য হিসেবেও শপথ নেয়নি।

ফলে গণঅভ্যুত্থান কার্যত একটা নির্বাচন ছাড়া ইতিবাচক কিছু উপহার দিতে পারেনি দেশকে। অথচ কথা ছিল নতুন বন্দোবস্তে দেশের যাবতীয় নির্বাহী ক্ষমতা প্রধানমন্ত্রীকেন্দ্রিক হবে না। প্রত্যাশা ছিল স্থানীয় সরকারের ক্ষমতা বাড়বে। আশা ছিল, পুলিশ বিভাগ ও বিচার বিভাগ বাড়তি স্বাধীনতা পাবে। বিচার বিভাগের পুরো কর্তৃত্ব যাবে প্রধান বিচারপতির কাছে। কিন্তু আগের ১৯ মাসের পর গত পাঁচ মাসেও এসবে মৌলিক কোনো অদল-বদল হয়নি। মানবাধিকার পরিস্থিতিও বেশ উদ্বেগ সৃষ্টি করছে। বিভিন্ন বাহিনীর হেফাজতে মৃত্যু, কারাগারে মৃত্যু, নদীতে লাশ সমাজকে দুর্ভাবনায় ফেলছে।

প্রথম আলো আইন ও সালিশ কেন্দ্রের তথ্য উদ্ধৃত করে গত ২ জুলাই লিখেছে, এ বছর প্রথম পাঁচ মাসে কারা হেফাজতে ৫২ জন মারা গেছেন। এসব বিষয়ে জবাবদিহির জায়গায় শক্ত ভূমিকা রাখতে পারত মানবাধিকার কমিশন। এ কমিশনকে সবল করতে গত সরকারের আমলে যে অধ্যাদেশ হয়, তাকে নতুন সরকার আরও শক্তিশালী করতে পারত। সেটা হয়নি। ফলে আওয়ামী লীগ আমলের (২০০৯) জাতীয় মানবাধিকার কমিশন আইনই চালু থাকছে। অর্থাৎ যারা বারবার বলছে অতীতের সরকার খারাপ, তারাই সেই সরকারের আইন ফিরিয়ে আনছে— জুলাইয়ের আকাঙ্ক্ষাকে বাদ দিয়ে।

এমন নয় যে, শুধু মানবাধিকার কমিশনের বেলায় এরকম হলো। বিচার বিভাগের স্বাধীনতায় প্রাতিষ্ঠানিক সংস্কার গণঅভ্যুত্থানের অন্যতম বড় চাওয়া ছিল। এ-সংক্রান্ত তিনটি অধ্যাদেশও বাতিল হলো।

রাজনৈতিক সরকার রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানগুলোকে দলীয় স্বার্থে ব্যবহার করার ঐতিহাসিক-ঔপনিবেশিক-মজা ছাড়তে রাজি হবে বলে মনে হয় না। ১৯৯১ সালেও সেটা হয়নি। ১৯৭২-এ হয়নি। ২০২৬-এও হলো না।

জনতা এবং শহীদদের আত্মদানের চাপে পড়ে চব্বিশের আগস্টের পর দু-তিন মাস রাজনীতিবিদরা সংস্কারবাদীদের সঙ্গে সুর মিলিয়েছিলেন। নিজ ‍নিজ দলীয় পতাকা নামিয়ে ‘বৈষম্য’ কমাতে অর্থনৈতিক, প্রশাসনিক ও আইনগত সংস্কার করতে শিক্ষার্থীদের সঙ্গে বারবার ‘হ্যাঁ’ বলেছেন। কিন্তু গণঅভ্যুত্থানের শক্তিগুলো ঐক্যবদ্ধ থাকতে পারেনি। ফলে রাজনীতিবিদদের ওপর চাপও বজায় রাখা যায়নি।

গণঅভ্যুত্থানের শক্তির ভেতর থেকে একদল প্রথমে নেমে পড়ে ধর্মীয় রাষ্ট্র কায়েমের সংগ্রামে। তারা আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে গণঅভ্যুত্থানকে ধর্মতান্ত্রিক রাষ্ট্র গড়ার জনরায় হিসেবে নেয়। গণঅভ্যুত্থানের প্ল্যাটফর্ম থেকে এ সময় একে একে নারী, সংখ্যালঘু, আদিবাসী ও বামপন্থীদের তাড়ানো শুরু হয়। এতে লাভ হয় পুরনো ‘স্থিতিশীলতা’র পক্ষের শক্তির। তারা অপেক্ষা করছিল কবে অভ্যুত্থানের শক্তিগুলো বিভক্ত হতে শুরু করে। অলিগার্ক এবং কেন্দ্রীয় আমলাতন্ত্রের সেই অপেক্ষা দীর্ঘায়িত হয়নি। তারকা-বুদ্ধিজীবীদের নেতৃত্বে শুরু হওয়া ‘সাংস্কৃতিক যুদ্ধ’ সে কাজ বেশ এগিয়ে দিয়েছে। চব্বিশকে একাত্তরের মুক্তিযুদ্ধের বিপরীতে দাঁড় করানোর মধ্য দিয়ে এই অধ্যায়ের যাত্রা। এরপর কয়েকশ মাজার ভাঙা এবং ওরসে হামলা হলো, নারীদের রাজনৈতিক উত্থানে বাধা দেওয়া হলো, ভিন্নমতাবলম্বী মাত্রই ‘দোসর’ আখ্যা পেতে থাকল। এখন গণঅভ্যুত্থানের দ্বিতীয় বার্ষিকীতে চলছে রাজনৈতিক বিভিন্ন পক্ষের অশ্লীল বাক্যবিনিময়।

তবে গণঅভ্যুত্থান নিয়ে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কাজিয়াকেও বেশ পাতানো খেলাই মনে হয়— বিশেষ করে যখন এসব বক্তা ও লিখিয়েরা মূল্যস্ফীতি, জ্বালানির দাম বৃদ্ধি, যুক্তরাষ্ট্রের কাছে দেশের অর্থনৈতিক সার্বভৌমত্ব হারানোর বিষয়ে একদম চুপ।

সংসদ এরই মধ্যে কোটিপতিদের অধিকারে গেছে। ৭৯ ভাগ নতুন সংসদ সদস্য কোটিপতি। এরকম ধনাঢ্য সমাজ গণঅভ্যুত্থানের মূল চেতনা ‘বৈষম্য’ কমাতে রাষ্ট্রের কাঠামোগত সংস্কারে রাজি হবে বলে মনে হয় না। ফলে সব মিলিয়ে গণঅভ্যুত্থান দ্বিতীয় বার্ষিকীতে কাঠফাটা রোদে সবুজহীন মরুভূমিতে এসে পড়েছে। এ ব্যর্থতা আমাদের বলছে, অভ্যুত্থানের শক্তিগুলোর রাজনৈতিক ভুল, অর্থবিত্তের লোভ, নৈতিক স্খলন এবং দক্ষিণপন্থী ঝোঁকের কথা। সেসব তিক্ত অভিজ্ঞতা ও সর্বনাশ সত্ত্বেও বাংলাদেশে রাষ্ট্র সংস্কারের প্রয়োজনীয়তা অমলিন। কিন্তু জনগণের সে প্রয়োজন এগিয়ে নিতে নেই পরিপক্ব পরিবর্তনবাদী শক্তি।

বিগত গণঅভ্যুত্থান থেকে আমলাতন্ত্র এবং অলিগার্কও অনেক শিক্ষা নিয়েছে। ব্রিটিশরা যেমন ১৮৫৭ সালের স্বাধীনতা সংগ্রামের পর ঠিক করে ফেলেছিল হিন্দু-মুসলমানে মৈত্রী থাকলে ভারতে রাজত্ব করা যাবে না—তেমনি বাংলাদেশের শাসকগোষ্ঠীও ‘চব্বিশে’র মাধ্যমে শিখেছে এখানে নাগরিক সমাজকে ধর্মীয় ও জাতিগতভাবে পরস্পরের বিরুদ্ধে সাংস্কৃতিক যুদ্ধে লাগিয়ে রেখেই শুধু ‘পুরনো বন্দোবস্ত’ সুরক্ষিত রাখা যাবে। সে সূত্রেই আমরা পেলাম গণঅভ্যুত্থান-পরবর্তী ‘কালচারাল ওয়ার’-এর চলমান অধ্যায়।

লেখক: গবেষক ও রাজনৈতিক বিশ্লেষক

গণঅভ্যুত্থানব্যর্থতাজুলাই আন্দোলন
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    কমিউনিটি ক্লিনিক ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’

    কমিউনিটি ক্লিনিক ‘ক্লিনিক্যালি ডেড’

    জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ

    জামায়াতের দুই গ্রুপের সংঘর্ষ, গাড়ি ভাঙচুর-ককটেল বিস্ফোরণ

    থাইল্যান্ড হতে পারে বাংলাদেশিদের ব্যবসার উর্বরভূমি

    থাইল্যান্ড হতে পারে বাংলাদেশিদের ব্যবসার উর্বরভূমি

    মানিকগঞ্জের অতীত, বর্তমানের সংকট ও ভবিষ্যতের উন্নয়ন নিয়ে কিছু কথা

    মানিকগঞ্জের অতীত, বর্তমানের সংকট ও ভবিষ্যতের উন্নয়ন নিয়ে কিছু কথা

    দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১১ দিনের ছুটি পাচ্ছেন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

    দুর্গাপূজা উপলক্ষে ১১ দিনের ছুটি পাচ্ছেন শাবিপ্রবি শিক্ষার্থীরা

    আয়াস-রিমির শুনানিতে আদালতে হট্টগোল-হাতাহাতি, এজলাস ছাড়লেন বিচারক

    আয়াস-রিমির শুনানিতে আদালতে হট্টগোল-হাতাহাতি, এজলাস ছাড়লেন বিচারক

    সঞ্জীব চৌধুরীর প্রতিকৃতি সরিয়ে দেয়ালে রোকেয়া, জসীমউদ্‌দীন ও জীবনানন্দ

    সঞ্জীব চৌধুরীর প্রতিকৃতি সরিয়ে দেয়ালে রোকেয়া, জসীমউদ্‌দীন ও জীবনানন্দ

    মামুনুর রশীদের পৈতৃক বাড়িতে দুর্বৃত্তের হানা, তছনছ আসবাব

    মামুনুর রশীদের পৈতৃক বাড়িতে দুর্বৃত্তের হানা, তছনছ আসবাব

    দেশের একমাত্র রেলপথ যেখানে চলন্ত ট্রেনে মানুষ ওঠেন, নামেন

    দেশের একমাত্র রেলপথ যেখানে চলন্ত ট্রেনে মানুষ ওঠেন, নামেন

    আবুধাবিতে মা-ছেলের মৃত্যু : যাবার আগে বন্ধুদের জাগিয়ে গেল মায়াবতী

    আবুধাবিতে মা-ছেলের মৃত্যু : যাবার আগে বন্ধুদের জাগিয়ে গেল মায়াবতী

    গড়াই নদে হবে ‘শহীদ আবরার ফাহাদ সেতু’,  ব্যয় ২৫০-৩০০ কোটি

    গড়াই নদে হবে ‘শহীদ আবরার ফাহাদ সেতু’, ব্যয় ২৫০-৩০০ কোটি

    বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

    বিএনপি নেতা সালাহউদ্দিন আহমেদের জানাজায় অংশ নিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী

    টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে ১৯ ইউনিট

    টঙ্গীতে ওষুধ কারখানায় আগুন নিয়ন্ত্রণে ১৯ ইউনিট

    আমার বউ আমার টেনশন না, টেনশন আপনাদের?

    আমার বউ আমার টেনশন না, টেনশন আপনাদের?

    কমিটি গঠনে তাড়াহুড়ো করবে না বিএনপি

    কমিটি গঠনে তাড়াহুড়ো করবে না বিএনপি