আগামীর সময় ঘুরে সাংবাদিকতার বাস্তব পাঠ নিলেন এআইইউবি শিক্ষার্থীরা

বইয়ের জ্ঞান মিলল ব্যবহারিক অভিজ্ঞতায় আগামীর সময় ঘুরে গেলেন এআইইউবি শিক্ষার্থীরা। ছবি: আগামীর সময়
সাংবাদিকতা বিভাগের লেখাপড়া মানেই হাতে-কলমে সংবাদ করতে, বলতে কিংবা লিখতে শেখা। আগামীর সময় ঘুরে সেসবের ব্যবহারিক অভিজ্ঞতাই নিয়ে গেলেন আমেরিকান ইন্টারন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি-বাংলাদেশের (এআইইউবি) জার্নালিজম অ্যান্ড ম্যাস কমিউনিকেশন (জেএমসি) বিভাগের বিভিন্ন সেমিস্টারের শিক্ষার্থীরা। গতকাল সোমবার বিকালে রাজধানীর কারওয়ান বাজারে পত্রিকাটির প্রধান কার্যালয়ে আসেন তারা।
শিক্ষার্থীদের নেতৃত্বে ছিলেন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক আফরোজা সোমা। মূলত প্রথম ও দ্বিতীয় সেমিস্টারের শিক্ষার্থীদের অ্যাকাডেমিক কোর্সের ‘প্রায়োগিক শিক্ষণ’-এর অংশ হিসেবেই পরিদর্শন। যেখানে পত্রিকার বিভিন্ন বিভাগের কর্মযজ্ঞ ঘুরে দেখলেন শিক্ষার্থীরা।
আগামীর সময়ে বার্তা কক্ষ, রিপোর্টিং সেকশন, অনলাইন, মাল্টিমিডিয়া এবং সম্পাদকীয় বিভাগ ঘুরে তারা দেখলেন কীভাবে চলে দিনের কাজ। কীভাবে প্রতিদিনের খবর সংগ্রহ হয়, এরপর কীভাবে তা সম্পাদিত হয়ে বাক্য-বানান-ভাষারীতির ঠিক রেখে পত্রিকার পাতায় বসে, তাও দেখলেন শিক্ষার্থীরা। মোটকথা, একটি খবর কীভাবে আর কোন প্রক্রিয়ায় পাঠকের হাতে পৌঁছায়—সেই পুরো প্রক্রিয়াই সরেজমিন দেখলেন তারা। প্রথম ও দ্বিতীয় সেমিস্টারের নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য নিউজরুমের কর্মব্যস্ততা এবং ডেডলাইনের মধ্যে কাজ করতে দেখা ছিল দারুণ রোমাঞ্চকর।
বিভিন্ন বিভাগ ঘুরে দেখা শেষ হলে আগামীর সময়ের কনফারেন্স রুমে আয়োজিত বিশেষ মতবিনিময়ে যোগ দেন এআইইউবির শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। সেখানে স্বাগত বক্তব্য দেন আগামীর সময় সম্পাদক মোস্তফা মামুন, সেই সঙ্গে শিক্ষার্থীদের নানা প্রশ্নের উত্তরও দেন তিনি।
মোস্তফা মামুন বললেন, ‘সাংবাদিকতা শুধু ক্লাসরুমের চার দেয়ালের তাত্ত্বিক পড়ালেখার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; এর আসল রূপ লুকিয়ে আছে মাঠে এবং নিউজরুমের বাস্তব অভিজ্ঞতায়।’
তার মতে, আজকের তরুণরাই আগামী দিনের গণমাধ্যমের কাণ্ডারি। তাই তাদের সামনে তিনি তুলে ধরলেন আধুনিক সাংবাদিকতার চ্যালেঞ্জ, নিউ মিডিয়ার প্রভাব এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের গুরুত্ব। অ্যাকাডেমিক পড়াশোনার পাশাপাশি সমসাময়িক বিষয়গুলোর প্রতি নজর রাখতেও জানালেন আহ্বান।





