দি মারিয়ার অভাব বোধ করছি

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
কেপ ভার্দের কঠিন চ্যালেঞ্জ উতরে এখন মিসরের সামনে আর্জেন্টিনা। কেপ ভার্দের সঙ্গে ম্যাচটা ছিল অনেক টাফ ম্যাচ। মিসরও কঠিন প্রতিপক্ষ হবে তাদের। কেপ ভার্দে ম্যাচে আর্জেন্টিনার বেশ কিছু দুর্বলতা চোখে পড়েছে। ম্যাচের পর লিওনেল মেসি বলেছিলেন তারা খুব ক্লান্ত। এই ম্যাচের শিক্ষা নিয়ে পরের ম্যাচ খেলতে হবে তাদের। এটাই হচ্ছে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
মিসর অস্ট্রেলিয়ার সঙ্গে টাইব্রেকারে জয় পেয়েছে। যোগ্য দল হিসেবেই তারা শেষ ষোলোয় এসেছে। তাদের মোহাম্মদ সালাহ, মারমাউশ এবং আশোর মতো বেশ কয়েকজন ভালো ফুটবলার আছেন, যাদের দিকে বিশেষ নজর রাখতে হবে আর্জেন্টিনার ব্যাকলাইন এবং মিডফিল্ডারদের। তাদের সঙ্গে জিকোও আছেন। চারজনের সামর্থ্য আছে আর্জেন্টিনাকে বিপদে ফেলার।
আর্জেন্টিনাকে গত ম্যাচে ফ্ল্যাংক এরিয়াতে ভুগতে দেখেছি। প্রতিপক্ষ যখন বল নিয়ে ফ্ল্যাংক অপারেট করতে চেয়েছে, সেখানে তাদের ডিফেন্ডিং, ডিফেন্সিভ ট্রানজিশন, ইন্ডিভিজুয়াল প্লেয়ারের দায়িত্ববোধে কিছু ঘাটতি চোখে পড়েছে। কেপ ভার্দে দুই গোল করেছে। সেই গোলগুলোয় ডিফেন্সের ভুল প্রকাশ্যে এসেছে। আর্জেন্টিনা দলে আমি ব্যক্তিগতভাবে আনহেল দি মারিয়াকে অনেক মিস করছি। দি মারিয়ার মতো একজন উইঙ্গার বা ওয়াইড মিডফিল্ডার এই মুহূর্তে আর্জেন্টিনা দলে নেই। থিয়াগো আলমাদা খেলছেন। দে পল আছেন। তবে দি মারিয়ার মতো, যিনি ফাঁকা জায়গা ব্যবহার করে স্কোরিং জোনে কার্যকর হতেন, ভার্সাটাইল উইঙ্গার এই আর্জেন্টিনা দলে নেই। আর্জেন্টিনা অনেক সতর্ক হয়েই নামবে। গত রাতে ব্রাজিল বিদায় নিয়েছে। আর্জেন্টিনার এই জিনিসগুলো মাথায় থাকবে, লাস্ট ম্যাচের ভুলত্রুটিগুলো নিয়ে নিশ্চয়ই কাজ করছে তারা। রাউন্ড অব সিক্সটিনে যেকোনো প্রতিপক্ষই কঠিন। মিসরকে নিয়ে সতর্ক থাকতেই হবে তাদের। পাশাপাশি ডিফেন্সিভ ট্রানজিশনেও আর্জেন্টিনাকে শেষ ম্যাচে কিছুটা স্লথ মনে হয়েছে। সেটা থেকে তাদের বেরিয়ে আসতে হবে। আমি মনে করি যে, আর্জেন্টিনা এই ম্যাচ জেতার সক্ষমতা রাখে। আর্জেন্টিনার অতিমাত্রায় মেসিনির্ভরতা একটা বড় সমস্যা। তবে এটাও মানতে হবে, মেসি এখনো যেকোনো সময় ম্যাচের মোড় ঘুরিয়ে দেওয়ার, পার্থক্য গড়ে দেওয়ার ক্ষমতা রাখেন। একই সঙ্গে অন্যদেরও সামর্থ্যের পুরোটুকু দিয়ে মিসরকে মোকাবিলা করতে হবে।




