ডিমপ্রতি লোকসান হচ্ছে ৪ টাকা
- বিপিআইএর সংবাদ সম্মেলন

সংগৃহীত ছবি
খামার পর্যায়ে প্রতিটি ডিমের উৎপাদন খরচ ১০ টাকা হলেও বিক্রয়মূল্য ৬ টাকা। ফলে প্রতিটি ডিমে ৪ টাকা লোকসান হচ্ছে। তাই খামারিদের জন্য ডিমের লাভজনক বিক্রয়মূল্য নির্ধারণ, দেশের সব পোলট্রি খামারিদের নিয়ে ডিজিটাল ডেটাবেজ তৈরি এবং প্রান্তিক খামারিদের সুরক্ষায় বিশেষ উদ্যোগ নেওয়ার দাবি জানিয়েছে বাংলাদেশ পোলট্রি ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যাসোসিয়েশন (বিপিআইএ)।
গতকাল শনিবার রাজধানীর প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির সভাপতি মোশারফ হোসেন চৌধুরী এ দাবি তুলে ধরেন। সংবাদ সম্মেলনে সংগঠনটির মহাসচিব মো. সাফির রহমান ও বিপিআইএর যুগ্ম মহাসচিব অঞ্জন মজুমদার বক্তব্য দেন।
মোশারফ হোসেন চৌধুরী বললেন, উৎপাদন ব্যয় বাড়লেও খামারিরা দীর্ঘদিন ধরে তার চেয়ে কম দামে ডিম বিক্রি করতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে তারা প্রতিদিন লোকসান গুনছেন এবং ঋণগ্রস্ত হচ্ছেন। প্রতিটি ডিমে ৪ টাকা হিসাবে মাসে প্রায় ৫০০ কোটি টাকা লোকসান হচ্ছে বলে জানালেন তিনি। সংগঠনটির পক্ষ থেকে ধান ও আখের মতো ডিমের ক্ষেত্রেও ন্যায্যমূল্য বা ‘ফেয়ার প্রাইস’ ব্যবস্থা চালুর আহ্বান জানানো হয়। তাদের দাবি, উৎপাদন ব্যয় বিবেচনায় নিয়ে এমন মূল্য নির্ধারণ করা, যাতে খামারিরা ন্যূনতম মুনাফা পেয়ে উৎপাদন চালিয়ে যেতে পারেন।
জাতীয় পর্যায়ে ডিজিটাল পোলট্রি ডেটাবেজ তৈরির প্রস্তাব দেওয়া হয় সংবাদ সম্মেলনে।
বিপিআইএর দাবি, এর মাধ্যমে প্রকৃত খামারির সংখ্যা, উৎপাদন, চাহিদা ও বাজার পরিস্থিতি সম্পর্কে বাস্তবসম্মত তথ্য পাওয়া যাবে। পাশাপাশি প্রকৃত খামারিদের কাছে ভর্তুকি, প্রণোদনা ও স্বল্পসুদে ঋণ পৌঁছে দেওয়া যাবে।




