শহরে আলো গ্রামে অন্ধকার

প্রতীকী ছবি
বিদ্যুৎ মৌলিক নাগরিক সেবার অংশ। শিক্ষা, কৃষি, স্বাস্থ্যসেবা, ব্যবসা-বাণিজ্য থেকে শুরু করে প্রতিদিনের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা— সবকিছুই এখন বিদ্যুতের ওপর নির্ভরশীল। দুঃখজনক হলেও সত্য, শহরে তুলনামূলকভাবে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ থাকলেও গ্রামের মানুষকে এখনো ঘণ্টার পর ঘণ্টা লোডশেডিংয়ের দুর্ভোগ পোহাতে হয়। এই বৈষম্য কেবল অসুবিধাই সৃষ্টি করছে না; বরং গ্রামীণ জীবন ও উন্নয়নের গতিকেও বাধাগ্রস্ত করছে।
সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে কোমলমতি শিক্ষার্থীরা। পরীক্ষার প্রস্তুতি, অনলাইনভিত্তিক শিক্ষা কিংবা নিয়মিত অধ্যয়ন— সবকিছুতেই মারাত্মক বিঘ্ন ঘটে। শহরের একজন শিক্ষার্থী যখন নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা পায়, তখন গ্রামের একজন শিক্ষার্থী একই সুযোগ থেকে বঞ্চিত হয়। গ্রামই দেশের কৃষি ও খাদ্য উৎপাদনের মূলভিত্তি। সেই গ্রাম যদি বিদ্যুতের অভাবে পিছিয়ে থাকে, তাহলে টেকসই উন্নয়নের লক্ষ্যও পূরণ করা কঠিন হবে। তাই লোডশেডিং নিয়ন্ত্রণে পরিকল্পিত পদক্ষেপ নেওয়া জরুরি। বিদ্যুৎ সরবরাহে শহর ও গ্রামের মধ্যে বৈষম্য কমাতে হবে এবং ন্যায্য বণ্টন নিশ্চিত করতে হবে। উন্নয়নের প্রকৃত অর্থ তখনই বাস্তবায়িত হবে, যখন শহরের মতো গ্রামের মানুষও সমানভাবে নিরবচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ সুবিধা ভোগ করবে।
লেখক : চাকরিজীবী, যশোর




