Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
গরিবের বন্ধু ডা. খোকন রেজা
রবিবার, ১২ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

সফটওয়্যারে আটকে ৮৬ হাজার নামজারি

মেহেদী হাসান মাসুদ
agamir somoy
প্রকাশ: ১২ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৮
সফটওয়্যারে আটকে ৮৬ হাজার নামজারি

গ্রাফিকস: আগামীর সময়

রাজবাড়ীর বালিয়াকান্দি উপজেলার পারুলিয়া মৌজার বাসিন্দা দিনেশ মাতুব্বর। স্টেট অ্যাকুইজিশন বা এসএ খতিয়ানে তার জমির পরিমাণ ২৬ শতাংশ। কিন্তু বাংলাদেশ সার্ভে বা বিএস রেকর্ডে তার নামে দেখাচ্ছে মাত্র ৩ শতাংশ জমি। আর এই রেকর্ড সংশোধনে দিনের পর দিন ঘুরছেন দিনেশ।

না, দিনেশকে স্থানীয় ভূমি অফিসের লোকজন ঘোরাচ্ছে না; তার সংশোধনটুকু আটকে আছে সফটওয়্যারের সীমাবদ্ধতায়। দিনেশ অবশ্য এত কিছু বোঝেন না। তিনি কেবল এ অফিস থেকে ওই অফিসে আর এই টেবিল থেকে সেই টেবিলে ছুটছেন। তার কাছে এখন ভূমি অফিস মানেই অন্তহীন ছুটে চলার নাম।

জানা গেল, উপজেলা ভূমি অফিস থেকে খতিয়ান সংশোধনের জন্য ম্যানুয়ালি আদেশ দেওয়া হয়েছে। কিন্তু অনলাইনে আবেদন করতে গেলেই বারবার দেখাচ্ছে, ‘খতিয়ান থেকে নামজারি করা হয়েছে বিধায় সংশোধনী আবেদন সম্ভব নয়।’ অর্থাৎ ম্যানুয়াল অনুমোদন থাকার পরও তিনি অনলাইনে খতিয়ান সংশোধন আবেদন জমা দিতে পারছেন না। আর অনলাইনে খতিয়ান সংশোধন না হলে সেখান থেকে নামজারি করাও সম্ভব না।

একই জটিলতায় আটকে আছেন বালিয়াকান্দি সদর ইউনিয়নের মোয়াজ্জেম হোসেনও।

বালিয়াকান্দি উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) এহসানুল হক শিপনের কাছে জানতে চাওয়া হয় সমস্যাটি সম্পর্কে। বেশ হতাশ কণ্ঠে তিনি বললেন, ‘এখন পর্যন্ত আমাদের সফটওয়্যার (ডিজিটাল ল্যান্ড রেকর্ড ম্যানেজমেন্ট সিস্টেম) সিস্টেমে এর সমাধান দেওয়ার মতো অপশন তৈরি হয়নি। জেনেছি, এটি প্রক্রিয়াধীন। তবে কবে ঠিক হবে, সেটি আমরা জানি না।’

মধুখালীর সাজ্জাদ হোসেন বকশীপুর মৌজার দুটি দলিলের ভিত্তিতে নামজারি করতে চান। একটি সাফ কবলা দলিল, অন্যটি এওয়াজ বা বিনিময়। দোকান থেকে অনলাইন আবেদন করতে গিয়ে তিনি জানতে পারেন, একই আবেদনে দুটি ভিন্ন দলিলের ধরন নির্বাচন করার সুযোগ নেই। ফলে তাকে আলাদাভাবে দুটি আবেদন করতে হবে, অর্থাৎ একই জমির জন্য গুনতে হচ্ছে দ্বিগুণ ফি। সংশ্লিষ্ট ভূমি কর্মকর্তা জানিয়েছেন, ওয়েবসাইটের অপশন বা সফটওয়্যার ডিজাইন বিষয়ে মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তাদের কোনো হাত নেই।

দিনেশ মাতুব্বর বা সাজ্জাদ হোসেনেরই শুধু এই ভোগান্তি না; এই অভিজ্ঞতা এখন অন্যদেরও। ভূমি মন্ত্রণালয়ের বহুল আলোচিত অটোমেশন প্রকল্প চালুর কয়েক বছর পরও মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা এমন বহু প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতায় আটকে আছেন। ডেটা অসামঞ্জস্য এবং সার্ভার সমস্যা তো আছেই। এসব অনেক ক্ষেত্রে সেবাপ্রাপ্তিকে সহজ করার বদলে আরও জটিল করে তুলছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, দিনেশ মাতুব্বর বা সাজ্জাদ হোসেনের মতো প্রায় ৮৬ হাজার ভুক্তভোগীর নামজারি মাসের পর মাস আটকে আছে সফটওয়্যার বিড়ম্বনায়। এই তথ্য দিচ্ছে ভূমি মন্ত্রণালয়ের নামজারি ওয়েবসাইট।

অথচ মাত্র ২৮ দিনে নামজারি আবেদন নিষ্পত্তির বাধ্যবাধকতা। সময়সীমা নির্ধারিত থাকলেও বাস্তবে সব আবেদন ওই সময়ের মধ্যে নিষ্পত্তি করা সম্ভব হয় না। অনেক ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট খতিয়ান অনলাইনে না থাকা, আবেদনপত্রে তথ্যগত ভুল, জমির সঙ্গে সরকারি জমির স্বত্ব বা মালিকানা জড়িত আছে কি না— এসব বিষয় যাচাই-বাছাই করতে অতিরিক্ত সময় লাগে। এ ছাড়া সার্ভারজনিত সমস্যা ও প্রযুক্তিগত জটিলতা তো আছেই।

২০২০ সালের জুলাইয়ে প্রায় ১ হাজার ১৯৭ কোটি টাকা ব্যয়ে শুরু হয় ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন প্রকল্প। লক্ষ্য ছিল ঘরে বসেই নামজারি, খাজনা পরিশোধ, খতিয়ান সংগ্রহসহ ভূমিসংক্রান্ত সেবা নিশ্চিত করা। বর্তমানে দেশের ৫১৬টি উপজেলা ও সার্কেল ভূমি অফিস এবং ৩ হাজার ৪৬৭টি ইউনিয়ন ভূমি অফিসে ই-নামজারি কার্যক্রম চালু রয়েছে। অনলাইনে রয়েছে ৬ কোটি ৫০ লাখের বেশি খতিয়ান এবং প্রায় ৫ কোটি ৭০ লাখ হোল্ডিংয়ের তথ্য ডিজিটাল ডেটাবেজে রূপান্তর করা হয়েছে।

কাগজে-কলমে এটি দেশের ডিজিটাল ভূমি ব্যবস্থাপনা। কিন্তু মাঠপর্যায়ের বাস্তবতা বলছে, বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মের মধ্যে সমন্বয়হীনতা এখনো বড় বাধা হয়ে রয়েছে। ভূমি কর্মকর্তাদের ভাষ্য অনুযায়ী, ভূমি সেবার জন্য বর্তমানে মূলত তিনটি আলাদা প্ল্যাটফর্ম ব্যবহার হয়— ই-নামজারি, ভূমি উন্নয়ন কর এবং ভূমি রেকর্ড ও ম্যাপ ব্যবস্থাপনা সিস্টেম (ডিএলআরএমএস)। বর্তমানে এই তিনটি সিস্টেমকে সমন্বিত করা হলেও এগুলোর প্রাথমিক নকশা ও ডেটার কাঠামো ছিল ভিন্ন ভিন্ন। ফলে পরে একীভূত করার সময় দেখা দিয়েছে অসংখ্য জটিলতা।

ই-নামজারির পুরনো সংস্করণে জমির পরিমাণ শতাংশে দশমিকসহ লেখা হতো। পরে তা পরিবর্তিত হয়ে দশমিক ছাড়াই শতাংশ, অযুতাংশ হিসেবে করা হয়। বর্তমানে আবার একরে লেখা হচ্ছে। ভূমি উন্নয়ন করের দাখিলায় অবশ্য শুরু থেকেই জমি শতাংশে লেখা হয়। বালিয়াকান্দি ভূমি অফিসে একজন ভুক্তভোগী এই প্রতিবেদককে প্রশ্ন করেন, ‘কর্মকর্তারা কী ভেবেছেন, তাদের মতো আমরা সবাই একর-শতক-অযুতাংশ দেখামাত্রই রূপান্তর করে বুঝতে পারি?’

অন্যদিকে, পূর্ববর্তী সংস্করণে তৈরি বহু খতিয়ানের তথ্য নতুন সিস্টেমে এখনো সঠিকভাবে আত্তীকৃত হয়নি। বিশেষ করে দশমিকসহ তৈরি করা ই-নামজারি খতিয়ানগুলো ডিএলআরএমএস সিস্টেমে এখনো সঠিকভাবে দেখায় না। জমির পরিমাণ বদলে যায়। আর নামজারির প্রস্তাব দেওয়ার আগে এই ভুল সংশোধন করতেই হয়। এর জন্য ধরনা দিতে হয় ভূমি অফিসের ডেস্ক থেকে ডেস্কে। আবার অনেক ক্ষেত্রে ডিএলআরএমএসে তথ্য খুঁজে পাওয়া যায় না, যদিও খতিয়ানটি অনলাইনেই সৃষ্ট।

এ অবস্থায় সংশ্লিষ্ট খতিয়ান এন্ট্রি বা সংশোধনের জন্য নতুন করে প্রশাসনিক প্রক্রিয়ার মধ্য দিয়ে যেতে হয়। ডেটা এন্ট্রি অপারেটর, সার্ভেয়ার/কানুনগো এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) পর্যায়ের অনুমোদনের পর সংশোধন সম্পন্ন হয়। এতে নাগরিকের কোনো দায় না থাকলেও তাকে অতিরিক্ত সময় ও ভোগান্তির মুখে পড়তে হচ্ছে।

মাঠপর্যায়ের কর্মকর্তারা বলছেন, সার্ভার সমস্যার চেয়েও বড় সমস্যা হচ্ছে সিস্টেমের ভেতরের কাঠামোগত অসামঞ্জস্য। অনেক ক্ষেত্রে সফটওয়্যার পুরনো ডেটার সঙ্গে নতুন ডেটার সামঞ্জস্য করতে পারে না। ফলে আবেদন আটকে যায় কিংবা ম্যানুয়াল সংশোধনের প্রয়োজন হয়। সাপোর্ট টিমের সাড়া আশাব্যঞ্জক নয়। অনেক ক্ষেত্রে সমস্যার সমাধান দিতেও পারেন না তারা।

মোট প্রক্রিয়াধীন আবেদন

৪ লাখ ৪৩ হাজার ৮৪১টি, সার্বিক গড় মঞ্জুরির হার প্রায় ৬৫ দশমিক ১। যশোর সদর উপজেলায় বর্তমানে সাড়ে ৯ হাজার নামজারি আবেদন অনিষ্পন্ন রয়েছে। এর মধ্যে ৭৩ শতাংশ আবেদন ২৮ দিনের বেশি সময় ধরে নিষ্পত্তির অপেক্ষায় রয়েছে, যা দেশের মধ্যে অন্যতম বড় জট সৃষ্টি করেছে।

যশোর সদরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. শামীম হোসাইন আগামীর সময়কে বললেন, ‘একটি নামজারি আবেদন অনুমোদনের চূড়ান্ত পর্যায়ে পৌঁছতে বেশ কয়েকটি প্রশাসনিক ধাপ অতিক্রম করতে হয়। দীর্ঘসূত্রতার প্রধান দুটি কারণ হলো, আগে থেকে বিপুলসংখ্যক আবেদন জমে থাকা এবং অনলাইন সার্ভারের ধীরগতি। অনেক সময় সার্ভারের কারণে একটি আবেদন প্রক্রিয়াকরণেই দীর্ঘ সময় লেগে যায়।’ সবচেয়ে বেশি জট রয়েছে খুলনা বিভাগে। সেখানে প্রায় ৭৪ হাজার আবেদন ঝুলে আছে, বিভাগটিতে ৩৯ শতাংশ আবেদনই ২৮ দিনের ঊর্ধ্বে গিয়েছে। সাতক্ষীরায় ২৮ দিনের বেশি অনিষ্পন্ন আবেদন সর্বাধিক ৪৬ শতাংশ।

ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন প্রকল্প, ভূমি মন্ত্রণালয় সিস্টেম অ্যানালিস্ট এস এম আশিকুল ইসলাম বলেছেন, এটি অনেক বড় পরিসরের একটি বিষয়। সার্ভার জটিলতা নিরসনে আমরা সবসময়ই কাজ করি। ভূমি করের কারণে কয়েক দিন কিছুটা ধীরগতি ছিল। ওপর থেকে যেসব নির্দেশনা আসে, সেগুলো মূলত বাস্তবায়ন করা হয়।

এ বিষয় নিয়ে কথা হয় চারজন সহকারী কমিশনারের (ভূমি) সঙ্গে। তারা বলছেন, অফিস সময়ের মধ্যে প্রায়ই সার্ভার অকার্যকর হয়ে পড়ে। কখনো আবেদন খোলে না, কখনো অনুমোদনের অপশন কাজ করে না, আবার কখনো একাধিকবার একই কাজ আবার করতে হয়। ছুটির দিনেও স্বাভাবিকভাবে কাজ করা যায় না। ডিজিটাল ভূমি সেবার সাফল্য শুধু ওয়েবসাইট চালু করা বা তথ্য অনলাইনে তোলার ওপর নির্ভর করে না। ডেটার মান, সফটওয়্যার আর্কিটেকচার, সিস্টেম ইন্টিগ্রেশন এবং দীর্ঘমেয়াদি রক্ষণাবেক্ষণ সমান গুরুত্বপূর্ণ। অন্যথায় শতকোটি টাকার প্রকল্পও কাঙ্ক্ষিত ফল দিতে পারে না।

বর্তমানে যে ব্যবস্থা, সে অনুযায়ী একজন সহকারী কমিশনারকে (ভূমি) একটি নামজারি সম্পন্ন করতে প্রায় ১৩ ক্লিক করতে হয়। কিন্তু বাস্তবে খুব কম ক্ষেত্রেই পুরো প্রক্রিয়া একটানা সম্পন্ন করা সম্ভব হয়।

ভূমি সেবাসংশ্লিষ্ট উদ্যোক্তা পারভেজ মিয়া জানিয়েছেন, অনেক সময় আবেদন ফি জমা দেওয়ার পরও সার্ভার ত্রুটির বার্তা আসে। আবার কখনো প্রয়োজনীয় নথি আপলোড করার পর তা সিস্টেমে আর দেখা যায় না। এতে নতুন করে আবেদন করতে হয় অথবা মেয়াদোত্তীর্ণ কোর্ট ফি নিয়ে জটিলতা তৈরি হয়। ভূমি ব্যবস্থাপনা অটোমেশন প্রকল্পের সিনিয়র সহকারী সচিব মো. আতাউর রাব্বী বললেন, ‘সমস্যাগুলো আপনার মাধ্যমে জানলাম। আমি সিস্টেম অ্যানালিস্টদের সঙ্গে কথা বলে বিষয়গুলো দ্রুত সমাধানের চেষ্টা করব।’

ভূমি মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন আগামীর সময়কে বললেন, ভূমি সেবা আরও সহজ ও দ্রুত করতে সরকার কাজ করে যাচ্ছে। যেসব এলাকায় নামজারিতে দীর্ঘসূত্রতা রয়েছে, সেগুলোর জট নিরসনে কঠোর পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে। তিনি বললেন, অটোমেশন প্রকল্পের মাধ্যমে নাগরিকরা যাতে সহজে ও স্বল্প সময়ে ভূমি সেবা পান, সে লক্ষ্যেই কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। কোনো ধরনের অনিয়ম-দুর্নীতিকে প্রশ্রয় দেওয়া হচ্ছে না, হবেও না। সিস্টেমে কোনো ধরনের জটিলতা বা ত্রুটি থাকলে তা দ্রুত দূর করা হবে।

পাশাপাশি সুনির্দিষ্ট সমস্যার তথ্য জানালে তা অগ্রাধিকার ভিত্তিতে দ্রুত সমাধানের উদ্যোগ নেওয়া হবে বলেও জানালেন।

 

সফটওয়্যারনামজারি
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    ১২ জুলাই ২০২৬
    সকাল ৭:০০ টা
    আর্জেন্টিনা
    ১
    সুইজারল্যান্ড
    ১
    ১৫ জুলাই ২০২৬
    রাত ১:০০ টা
    ফ্রান্স
    ০
    স্পেন
    ০
    advertisement
    advertisement
    ৫ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হলো ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের যান চলাচল

    ৫ ঘণ্টা পর স্বাভাবিক হলো ঢাকা-খুলনা মহাসড়কের যান চলাচল

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০০:২৭

    ‘মেসি যে ৮টা অসাধারণ গোল করেছে, ওরা তা দেখে না’

    ‘মেসি যে ৮টা অসাধারণ গোল করেছে, ওরা তা দেখে না’

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০০:৫৮

    কক্সবাজারে পাহাড়ধসে গৃহবধূর মৃত্যু

    কক্সবাজারে পাহাড়ধসে গৃহবধূর মৃত্যু

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০১:২৯

    বেলিংহ্যামের জোড়ায় শেষ চারে ইংল্যান্ড

    বেলিংহ্যামের জোড়ায় শেষ চারে ইংল্যান্ড

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০২:৫৪

    ম্যাচ শুরুর আগেই টাকাটা ফিফার হাতে পৌঁছানো দরকার : তনিমা হামিদ

    ম্যাচ শুরুর আগেই টাকাটা ফিফার হাতে পৌঁছানো দরকার : তনিমা হামিদ

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০২:১২

    একবার গুছিয়ে উঠতে পারলে স্পেন ভয়ংকর

    একবার গুছিয়ে উঠতে পারলে স্পেন ভয়ংকর

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০১:৪৮

    নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সঠিক পথে সরকার

    নির্বাচনী প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে সঠিক পথে সরকার

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০২:৪১

    জনসংখ্যার রিপোর্ট লেখা শিখতে বিদেশ যেতে চান ১৪০ কর্মকর্তা

    জনসংখ্যার রিপোর্ট লেখা শিখতে বিদেশ যেতে চান ১৪০ কর্মকর্তা

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৮

    সফটওয়্যারে আটকে ৮৬ হাজার নামজারি

    সফটওয়্যারে আটকে ৮৬ হাজার নামজারি

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৮

    বন্যার পানিতে প্রাণ গেল দেড় বছরের মুশফিকের

    বন্যার পানিতে প্রাণ গেল দেড় বছরের মুশফিকের

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০৬:০৬

    দান এনদোয়ের গোলে সুইসদের সমতা

    দান এনদোয়ের গোলে সুইসদের সমতা

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০৬:৪৩

    শহরে আলো গ্রামে অন্ধকার

    শহরে আলো গ্রামে অন্ধকার

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৯

    ১৮ লাখ নাগরিককে সরিয়ে নিল চীন

    ১৮ লাখ নাগরিককে সরিয়ে নিল চীন

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৮

    ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার ডাক বার্নহ্যামের

    ইসরায়েলের বিরুদ্ধে কঠোর হওয়ার ডাক বার্নহ্যামের

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫২

    হরমুজের টোল নিয়ে ভাবছে ইউরোপ

    হরমুজের টোল নিয়ে ভাবছে ইউরোপ

    ১২ জুলাই ২০২৬, ০৫:৫৫

    advertiseadvertise