Agamir Somoy E-Paper
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
হাজারো মানুষের প্রেরণা রফিকুল
শুক্রবার, ২৩ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় ভারত

কলকাতায় আনন্দবাজার পত্রিকা অফিসের দেয়ালে গেরুয়া রঙ লাগাল বিক্ষোভকারীরা

আগামীর সময় ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৮:২৯
কলকাতায় আনন্দবাজার পত্রিকা অফিসের দেয়ালে গেরুয়া রঙ লাগাল বিক্ষোভকারীরা

সংগৃহীত ছবি

ভারতের পশ্চিমবঙ্গে আনন্দবাজার পত্রিকার ‘গেরুয়া’ নিয়ে প্রকাশিত শিরোনামের প্রতিবাদে কলকাতায় পত্রিকাটির কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ হয়েছে। গেরুয়া পাগড়ি পরে ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দিতে দিতে মঙ্গলবার দুপুরে কয়েকজন বিক্ষোভকারী প্রফুল্ল সরকার স্ট্রিটে আনন্দবাজার পত্রিকার প্রধান কার্যালয়ের সামনে জড়ো হন। পরে পুলিশের উপস্থিতিতে ভবনের মূল ফটকে গেরুয়া উত্তরীয় ঝুলিয়ে অবস্থান নেন তারা। একপর্যায়ে কার্যালয়ের সামনের দেয়ালে গেরুয়া রঙ লাগিয়ে ‘আনন্দবাজার হায় হায়’ স্লোগান দিতে দিতে সেখান থেকে চলে যান বিক্ষোভকারীরা।

বিক্ষোভকারীরা জানান, আনন্দবাজার পত্রিকা সরকারের সমালোচনা করতে পারে, মুখ্যমন্ত্রীরও সমালোচনা করতে পারে। কিন্তু গেরুয়া রঙকে অসম্মান করার অধিকার কারও নেই। তাদের একজন বললেন, ‘পুলিশের কথা মেনে আমরা শান্তিপূর্ণভাবে প্রতিবাদ জানাচ্ছি। শুধরে না নিলে পরে আরও বড় প্রতিবাদ হবে।’

কিছুক্ষণ অবস্থানের পর ভবনের মূল ফটকের পাশের দুটি পিলারে গেরুয়া রঙের প্রলেপ দেন তারা। এরপর স্লোগান দিতে দিতে সেখান থেকে চলে যান। প্রত্যক্ষদর্শীদের ভাষ্য, পুরো ঘটনাটিতে পুলিশকে অনেকটা নিষ্ক্রিয় অবস্থায় দেখা গেছে।

এই বিক্ষোভের সঙ্গে ২১ আগস্ট আনন্দবাজার পত্রিকায় প্রকাশিত একটি শিরোনামের সম্পর্ক রয়েছে বলে মনে করা হচ্ছে। এর আগে ২০ আগস্ট যাদবপুর বিশ্ববিদ্যালয়ে ডানপন্থী ছাত্রসংগঠন এবিভিপির একটি প্রতিবাদ মিছিলকে কেন্দ্র করে ক্যাম্পাসে উত্তেজনা ছড়ায়। পরদিন ওই ঘটনা নিয়ে আনন্দবাজার পত্রিকার একটি শিরোনামে ‘গেরুয়া গুণ্ডামি’ শব্দবন্ধ ব্যবহার করা হয়।

আরও পড়ুন

পশ্চিমবঙ্গে ককরোচ কর্মীর বাবাকে পিটিয়ে হত্যার অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৮

১৭ আগস্ট ২০২৬

ভারতে ক্ষমতাসীন বিজেপির প্রতীকে গেরুয়া রঙ রয়েছে। ওই শিরোনাম প্রকাশের পর তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিতর্ক শুরু হয়। এর প্রকাশ্য প্রতিবাদ জানান পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী।

২৮ আগস্ট একটি সংবাদমাধ্যম আয়োজিত অনুষ্ঠানে শুভেন্দু অধিকারী বলেছিলেন, ‘গেরুয়া তাণ্ডব শিরোনাম প্রত্যাহার করতে হবে। গেরুয়া শব্দকে কালিমালিপ্ত করতে দেব না।’ এর আগে তিনি বলেছিলেন, শিরোনাম প্রত্যাহার করে ক্ষমা না চাইলে গেরুয়া বসন পরে প্রতিবাদ করা হবে।

এরপর আনন্দবাজার পত্রিকার সম্পাদককে উদ্দেশ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে একাধিক আপত্তিকর পোস্ট ছড়িয়ে পড়ে। পত্রিকাটির সম্পাদকের বিরুদ্ধে হিন্দু জাগরণ মঞ্চ নামে একটি সংগঠনের পক্ষ থেকে বউবাজার থানায় এফআইআরও করা হয়।

আনন্দবাজার পত্রিকার কার্যালয়ের সামনে মঙ্গলবার এক বিক্ষোভকারী বললেন, ‘পশ্চিমবঙ্গ শ্যামাপ্রসাদ মুখার্জী ও বিবেকানন্দের মাটি, এটা গেরুয়ার মাটি। এই মাটিতে গেরুয়া নিয়ে কুমন্তব্য করার প্রচেষ্টা বরদাস্ত হবে না।’

তবে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে বিজেপির সরাসরি কোনো যোগ রয়েছে কি না, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। বিজেপির রাজ্য নেতৃত্ব জানিয়েছে, দলের পক্ষ থেকে এমন কোনো বিক্ষোভের ডাক দেওয়া হয়নি।

এদিকে, আনন্দবাজার পত্রিকার এক জ্যেষ্ঠ সম্পাদক অল্ট নিউজকে জানান, শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্যের পর শনিবার থেকেই চাঁদনি চক এলাকার কাছে পত্রিকাটির কার্যালয়ে অতিরিক্ত নিরাপত্তা মোতায়েন করা হয়েছিল।

ওই সম্পাদক বললেন, ‘আমাদের ধারণা ছিল, এমন কিছু একটা ঘটতে পারে। আজ আমাদের অফিসে না যেতে বলা হয়েছিল। পুলিশ কর্মকর্তারাও তাদের সঙ্গে এসেছিলেন এবং তাদের সঙ্গেই চলে গেছেন।’

ওই ব্যক্তিরা কোনো সংগঠনের সঙ্গে যুক্ত কি না জানতে চাইলে তিনি বলেছেন, ‘তাদের হাতে কোনো ব্যানার ছিল না। তবে আমি জানি, তাদের বেশির ভাগই অবাঙালি।’

ভাঙচুরের কয়েক ঘণ্টা পর পত্রিকাটির সম্পাদক ইশানি দত্ত রায় ফেসবুকে ঘটনার পর সাদা রঙ করে দেওয়া দেয়ালের একটি ছবি পোস্ট করেন। ছবিটির ক্যাপশনে লেখা ছিল, ‘উচ্চ যেথা শির’।

সূত্র : বিবিসি বাংলা, আরও আনন্দ, অল্ট নিউজ



পশ্চিমবঙ্গকলকাতাআনন্দবাজারগেরুয়াবিক্ষোভ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    সরকারি সফরের নামে স্ত্রীকে নিয়ে ‘ভ্রমণ’ রেল সচিবের

    সরকারি সফরের নামে স্ত্রীকে নিয়ে ‘ভ্রমণ’ রেল সচিবের

    কবি ও অনুবাদক রথো রাফি মারা গেছেন

    কবি ও অনুবাদক রথো রাফি মারা গেছেন

    খেলাপি আদায়ে চমক কৃষি ব্যাংকের

    খেলাপি আদায়ে চমক কৃষি ব্যাংকের

    সাজেকে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি

    সাজেকে সেনাবাহিনীর সঙ্গে সশস্ত্র সন্ত্রাসীদের গোলাগুলি

    চুয়েটে অচলাবস্থার এক মাস:  বাতিল ৩৩ পরীক্ষা ও ৮৬৪ ক্লাস

    চুয়েটে অচলাবস্থার এক মাস: বাতিল ৩৩ পরীক্ষা ও ৮৬৪ ক্লাস

    প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফরে ফেসবুকে ‘হুমকি’, বাবা-ছেলে ডিবি হেফাজতে

    প্রধানমন্ত্রীর রাজশাহী সফরে ফেসবুকে ‘হুমকি’, বাবা-ছেলে ডিবি হেফাজতে

    হেফাজতের উদ্যোগে নতুন প্ল্যাটফর্ম, ভিড়েছে জামায়াত জোটের দুটি দল

    হেফাজতের উদ্যোগে নতুন প্ল্যাটফর্ম, ভিড়েছে জামায়াত জোটের দুটি দল

    জীবনানন্দ হয়ে সংসারে আজও আমি...

    জীবনানন্দ হয়ে সংসারে আজও আমি...

    গ্লোব শপিং সেন্টারের দোকানে হামলা ও দখলের অভিযোগ ঢাকা কলেজ ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে

    গ্লোব শপিং সেন্টারের দোকানে হামলা ও দখলের অভিযোগ ঢাকা কলেজ ছাত্রদল নেতাদের বিরুদ্ধে

    সড়কে মৃত্যুতে বিশ্বে দ্বিতীয় বাংলাদেশ

    সড়কে মৃত্যুতে বিশ্বে দ্বিতীয় বাংলাদেশ

    কালীগঞ্জে শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, আটক ৩ প্রতিবেশী

    কালীগঞ্জে শিশুকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ, আটক ৩ প্রতিবেশী

    সৌদিতে দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ যা বললেন শ্রীলেখা

    সৌদিতে দুই বাংলাদেশির শিরশ্ছেদ যা বললেন শ্রীলেখা

    সাজেকে গোলাগুলির জন্য ইউপিডিএফকে দায়ী করল পুলিশ

    সাজেকে গোলাগুলির জন্য ইউপিডিএফকে দায়ী করল পুলিশ

    দেবীর কপালে সিঁদুর পরানোর সময় হৃদ্‌রোগে প্রাণ গেল নববধূর

    দেবীর কপালে সিঁদুর পরানোর সময় হৃদ্‌রোগে প্রাণ গেল নববধূর

    চাঁদা উঠত মিরপুরে, পাঠানো হতো বিদেশে

    চাঁদা উঠত মিরপুরে, পাঠানো হতো বিদেশে