পে স্কেলের ফলে মূল্যস্ফীতি কিছুটা বাড়তে পারে: তথ্য উপদেষ্টা

সংগৃহীত ছবি
সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন বৃদ্ধির ফলে মূল্যস্ফীতি কিছুটা বাড়ার ঝুঁকি আছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা ডা. জাহেদ উর রহমান। তবে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে সরকার ও বাংলাদেশ ব্যাংক চেষ্টা করবে বলেও জানিয়েছেন তিনি।
আজ মঙ্গলবার সচিবালয়ে সংবাদ সম্মেলনে ডা. জাহেদ উর রহমান এসব কথা বলেন।
নবম পে স্কেলের ফলে সরকারি চাকরিজীবীদের বেতন অনেক বাড়বে না বলে ইঙ্গিত দিয়েছেন তথ্য উপদেষ্টা। তার ভাষ্য, অনেক সিনিয়র সরকারি কর্মকর্তার বেতন ইনক্রিমেন্ট হতে হতে নতুন প্রায় নতুন পে স্কেলের কাছাকাছি হয়েছে। নতুন পে স্কেল বাস্তবায়নের পরে তাদের বেতন খুব বেশি বাড়বে না বলে উল্লেখ করেন তিনি।
তিনি আরও বলেছেন, ‘অনেকের প্রশ্ন— অনেক বেশি টাকা মানুষের কাছে পৌঁছে যাবে, সরকার এত ব্যয় কোথা থেকে নির্বাহ করবে? আমরা বলব, ব্যয় বাড়বে, সেজন্য সরকারের বাজেট আছে।’
মূল্যস্ফীতি বাড়ার আশঙ্কা রয়েছে উল্লেখ করে উপদেষ্টা বলেছেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে বাংলাদেশের ব্যাংক চেষ্টা করবে। এর বাইরে সরকারও চেষ্টা করবে।
তিনি আরও বলেছেন, মূল্যস্ফীতিতে দরিদ্র মানুষদের জন্য সুবিধা দেওয়ার চেষ্টায় আছি। আমাদের ফ্যামিলি কার্ড আছে, নানান রকম পদক্ষেপ নিয়ে প্রায় নিখুঁত একটি তালিকা প্রণয়ন করার চেষ্টা করছি। এটি ৪০ লক্ষ পরিবারের কাছে যখন যাবে, হিসাব করলে সবচেয়ে দরিদ্র দুই কোটি মানুষের কাছে প্রত্যেক মাসে এই টাকাটা চলে যাবে। খাদ্য সহায়ক কর্মসূচী, টিসিবির পণ্য বিক্রির আওতাও অনেক বাড়ানো হয়েছে। এভাবেই দরিদ্র মানুষদের আমরা সাপোর্ট দিতে পারব। বিদ্যুতের সংকট কমে আসলে আমাদের ইনভেস্টমেন্টকে বাড়িয়ে দেবে এবং মানুষের কষ্ট কমে যাবে।







