Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
রুবেলের উদ্যোগে ১৩০০ মানুষের কর্মসংস্থান
রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় ফুটবল

ইনফান্তিনো আপাতত টিকে গেছেন তবে…

  • বিরোধী পক্ষ অনাস্থা আনবে না ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে
  • উয়েফাসহ অন্যরা অপেক্ষা করছে ফিফা নির্বাচনের
  • ইনফান্তিনোর শক্তি আফ্রিকা ও কনমেবল
  • বিরোধী শিবিরে উয়েফা ও কনকাকাফ
  • এএফসি বিভক্ত ইনফান্তিনো ইস্যুতে
সনৎ বাবলা
সনৎ বাবলা
agamir somoy
প্রকাশ: ১৯ আগস্ট ২০২৬, ১৯:২৭
ইনফান্তিনো আপাতত টিকে গেছেন তবে…

রাজনীতির ঘূর্ণাবর্তে ঘেরা ফিফার সিংহাসনে বসে জিয়ান্নি ইনফান্তিনো প্রকাশ্যে কোনো উচ্চবাচ্য করছেন না। তবে পর্দার আড়াল থেকে দিচ্ছেন দাবার চাল। বিশ্বকাপের শেয়ার বিক্রির মতো বিতর্কিত প্রকল্প থেকে পিছু হটে তিনি বেশ কোণঠাসা। কূটনীতির অদৃশ্য সুতায় সাজাচ্ছেন নিজের সমর্থন ব্যাংক, গড়ছেন অদৃশ্য দুর্গ। বিরোধীদের হাঁকডাক পাশ কাটিয়ে কৌশলে টিকিয়ে রেখেছেন নিজের ক্ষমতার মসনদটি।

তবে এর মধ্যেই ফিফা কর্মকর্তার চাকরি খেয়ে তিনি সমালোচকদের হাতে তুলে দিলেন আরেকটি অস্ত্র। প্রিমিয়ার লিগের প্রধান নির্বাহী রিচার্ড মাস্টার্সের ভাষায়, ‘আত্মঘাতী বাটন’ চেপেই চলেছেন ফিফা সভাপতি।

ইনফান্তিনো এখনো বেপরোয়া

ফিফা সভাপতিকে নিয়ে চারদিকে সমালোচনা যখন একটু থিতিয়ে এসেছিল, তখনই নতুন অঘটন ঘটেছে ফিফায়। এর মধ্যেই ফিফার চিফ অপারেটিং অফিসার কেভিন লামুরকে বরখাস্ত করা হয়েছে। তার অপরাধ, তিনি প্রকাশ্যে ইনফান্তিনো এবং তার বিতর্কিত প্রকল্পের সমালোচনা করেছিলেন। বলেছিলেন, ‘ব্যক্তিস্বার্থেই’ ওই প্রকল্প বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছিল। এ ব্যাপারে ঘুণাক্ষরেও কিছু জানতেন না তিনি।

ফিফা কারণ উল্লেখ না করলেও সবার ধারণা, ওই সমালোচনার কারণেই গেছে লামুরের চাকরি। স্বাভাবিকভাবে আরেক দফা ক্ষোভ বেড়েছে ইনফান্তিনোর ওপর। উয়েফার সহসভাপতি লরা ম্যাক অ্যালিস্টার এটাকে ‘গভীর উদ্বেগজনক’ বার্তা হিসেবে দেখছেন। লামুর এর আগে উয়েফায়ও চাকরি করেছেন, সুবাদে ম্যাক অ্যালিস্টার বলছেন, ‘তিনি অত্যন্ত সৎ, নীতিবান, স্বচ্ছ ও অনুকরণীয় ক্রীড়া সংগঠক, যিনি ফুটবলের স্বার্থ ও এর অংশীজনের অধিকার রক্ষায় সবসময় ভূমিকা রেখেছেন।’
চলতি মাসের শেষদিকে মরক্কোয় অনুষ্ঠিত বৈঠকে ফিফার জ্যেষ্ঠ নির্বাহীদের ডেকে সমর্থন আদায় করে নিয়েছিলেন ইনফান্তিনো। ওই বৈঠকে ছিলেন না লামুর। ফিফা সভাপতির সঙ্গে ফিফা সিওও কেভিন লামুর

আগে থেকেই ফিফা সভাপতির আস্থাভাজন ছিলেন না তিনি, এমন যারা আছেন তাদের জন্যও এই বরখাস্তের ঘটনা বড় এক বার্তা। এর আগে ফিফা সভাপতির সিনিয়র উপদেষ্টা কার্লোস কর্দেইরো চাকরি ছেড়েছিলেন ইনফান্তিনো ও বিশ্বকাপের শেয়ার বিক্রি পরিকল্পনার তীব্র সমালোচনা করে। আশঙ্কা করা হচ্ছে, এই ঘটনাগুলো ফিফার অভ্যন্তরীণ প্রশাসনিক কাঠামোকে মারাত্মকভাবে দুর্বল করে দেবে।

পদ ছাড়বেন না তিনি

প্রবল সমালোচনার সময় চুপ মেরে থাকার পর ইনফান্তিনোকে আবার বেপরোয়া করে তুলেছে পক্ষের কিছু হাঁকডাক। তার পক্ষে আছে পুরো আফ্রিকা, এখানকার ৫৪ ভোট আর দক্ষিণ আমেরিকার (কনমেবল) ১০ ভোট। এই দুটো আঞ্চলিক ঘাঁটি তাকে আশাবাদী করে তুলছে। তাই যারা তার পদত্যাগ চেয়েছিল, তাদের আশা পূরণ হচ্ছে না আপাতত। এখন ইনফান্তিনোর পদত্যাগের সম্ভাবনা খুবই কম।
তিনি নিজেকে একজন কঠোর ও স্বৈরাচারী নেতা হিসেবে প্রতিষ্ঠিত করেছেন, যিনি গণমাধ্যম বা রাজনৈতিক প্রতিপক্ষরা কী বলছে তা নিয়ে খুব মাথা ঘামান না। চলছেন পুরোপুরি ‘ট্রাম্প-স্টাইলে’, কাউকে তোয়াক্কা না করে। ২০২৬ বিশ্বকাপের সময় মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সান্নিধ্যে আসার পর থেকে তার নৈতিক স্খলন দেখছেন অনেকে। সমালোচনার মুখে পড়েছে তার বেশ কিছু কাজ।

যেকোনো সময় স্বাধীন ফিফা ইথিকস কমিটি সক্রিয় হতে পারে তার বিরুদ্ধে। মানবাধিকার সংস্থা ‘ফেয়ারস্কয়ার’ মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের হাতে ‘ফিফা শান্তি পুরস্কার’ দেওয়ার ঘটনাকে রাজনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবে আখ্যা দিয়ে একটি অভিযোগ করেছিল। এটি আন্তর্জাতিক অলিম্পিক কমিটির (আইওসি) কাছে তুলে ধরেও কোনো লাভ হয়নি। তবে ইথিকস কমিটি স্বাধীন, তারা চাইলে যেকোনো সময় এসব নিয়ে বিপদে ফেলতে পারে ফিফা সভাপতিকে। কিন্তু তারা কাজ করে খুব ধীরগতিতে এবং এখনো ‘ফেয়ারস্কয়ার’-এর অভিযোগ প্রাপ্তির কথাও স্বীকার করেনি।

তাকে সরানোর উপায় কী

ইনফান্তিনোকে সরানোর একটা উপায় হলো অনাস্থা ভোট। এজন্য ২০ শতাংশ ফিফা সদস্যকে (৪৩ দেশ) অনাস্থা ভোটের জন্য এক্সট্রা অর্ডিনারি কংগ্রেস আয়োজনের আবেদন করতে হবে। সেখানে ভোটাভুটি হবে এবং সংখ্যাগরিষ্ঠতার ভিত্তিতে সিদ্ধান্ত হবে। তাতে হারলে ইনফান্তিনোকে বিদায় নিতে হবে।

সেই ৪৩ সদস্য অ্যাসোসিয়েশনের আবেদন জোগাড় করা কঠিন হবে না। সমস্যা হলো, আবেদন জমা পড়ার তিন মাস পর এক্সট্রা অর্ডিনারি কংগ্রেস হবে, ততদিনে অনেকের মত বদলে যেতে পারে। তা ছাড়া ইনফান্তিনোও বসে থাকার পাত্র নন। কাতারের জেট নিয়ে তিনি বিভিন্ন মহাদেশে হাজির হয়ে নানা প্রলোভনে ফেলে সদস্যদের মতামত ঘুরিয়ে দিতে পারেন। বিশেষ করে অর্থনৈতিকভাবে দরিদ্র দেশগুলো মুখ না খুললেও তাদের বেশিরভাগ ভোট ইনফান্তিনোর পক্ষে যাওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।
বড় ফ্যাক্টর হয়ে উঠবে এশিয়ার ৪৬ ভোট। ইনফান্তিনো-বিরোধী জোটে এখন পর্যন্ত উয়েফা (৫৫ সদস্য), কনকাকাফ (৩৫) ও এএফসির (৪৬ সদস্য) জোটকে বাইরে থেকে শক্তিশালী দেখাচ্ছে। প্রথম দুটি মহাদেশীয় শক্তি অনেকখানি ঐক্যবদ্ধ হলেও ইনফান্তিনো ইস্যুতে এশিয়া আসলে বিভক্ত হবে গোপন ব্যালটে। এশিয়ার কয়েকটি দেশ এরই মধ্যে ইনফান্তিনোর পক্ষে থাকার প্রকাশ্য ঘোষণা দিলেও অপ্রকাশ্যে থাকতে পারে বাংলাদেশের মতো কিছু দেশও। তারা ভাবতে পারে, এএফসির চেয়ে বেশি অনুদান দেয় ফিফা, তাই এএফসির সভাপতি শেখ সালমান বিন ইব্রাহিম আল খলিফার কথামতো ভোট দিয়ে লাভ নেই।

অর্থনৈতিকভাবে পিছিয়ে পড়া দেশগুলো একদমই তোয়াক্কা করে না ইনফান্তিনোর সমালোচনার। যেমন ট্রাম্পের জামাতা কুশনারের ভাইয়ের বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠান বিশ্বকাপের ২১ শতাংশ শেয়ার কিনল কি না, ফোলারিন বালোগুনের নিষেধাজ্ঞা স্থগিত ঠিক ছিল কি না, ট্রাম্প পুরস্কার পেল কি না— এসব দেখে তারা ভোট দেন না। ইনফান্তিনো থেকে নগদে কী পেল বা কতটা পেল, এটাই তাদের আসল বিবেচ্য।

এমন প্রেক্ষাপটে অনাস্থা ভোটে যাওয়ার ঝুঁকি নিতে চায় না উয়েফা। অনাস্থা ভোটে টিকে গেলে ইনফান্তিনো আরও শক্তিশালী হয়ে উঠবে এবং আগামী বছর মার্চে ফিফা সভাপতি পদেও তাকে হারানো যাবে না। তাকে সরানোর একমাত্র উপায় হলো আগামী বছরের ফিফা নির্বাচনে তার বিরুদ্ধে একজন সর্বজনস্বীকৃত প্রার্থী দাঁড় করানো।

ঐক্যের প্রার্থী খুঁজছে উয়েফা

এটা প্রথম প্রকাশ পেয়েছে গতকাল প্রিমিয়ার লিগের প্রধান নির্বাহী রিচার্ড মাস্টার্সের কথায়। তিনি নির্দিষ্ট কোনো ব্যক্তির নাম উল্লেখ না করলেও একজন ‘ঐক্যবদ্ধ করার মতো প্রার্থী’ সামনে আসবেন বলে বিশ্বাস করেন। যিনি সব ফেডারেশনকে একসূত্রে গেঁথে ফিফায় ইতিবাচক পরিবর্তন আনতে একসঙ্গে কাজ করতে পারবেন। তিনি বলেছেন, ‘আমি মনে করি যেকোনো ঐক্যবদ্ধ প্রার্থীর এজেন্ডায় ফিফার সংস্কার এবং এমনকি ফিফা সভাপতির ভূমিকা ও দায়িত্বের সংস্কারের বিষয়টিও থাকা উচিত।’
তিনি বিবিসিকে বলেছেন, ‘ফিফা নিজেই ধ্বংস ডেকে এনেছে’ এবং ‘আত্মঘাতী বাটন চেপেছে।’ বিশ্ব ফুটবল নিয়ন্ত্রক সংস্থাকে এই ধ্বংস থেকে টেনে তুলতে হলে প্রয়োজন এমন একজনকে যিনি সবাইকে ঐক্যবদ্ধ করে ফুটবলকে আগলে রাখতেন পারবেন। এখন পর্যন্ত ইনফান্তিনোর বিরুদ্ধে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন, এমন কোনো প্রার্থীর নাম জমা পড়েনি। নাম দেওয়ার সময় আছে ১৮ নভেম্বর পর্যন্ত। এর মধ্যেই উয়েফা খুঁজছে একজন সঠিক প্রার্থী।

এই দৌড়ে এগিয়ে আছেন উত্তর ও মধ্য আমেরিকা এবং ক্যারিবিয়ান অঞ্চলের ফুটবল সংস্থার (কনকাকাফ) সভাপতি ভিক্টর মন্টাগ্লিয়ানি। কানাডার এই ব্যবসায়ী ফিফার অন্যতম সহসভাপতিও। ফুটবল প্রশাসনে স্বচ্ছতা আনার ক্ষেত্রে তার সুনাম আছে, তাকেই ধরা হচ্ছে ইনফান্তিনোর শক্তিশালী বিকল্প হিসেবে। হাওয়ায় উড়ছে এএফসি সভাপতি শেখ সালমানের নামও, যদিও ২০১৬ সালে ফিফা নির্বাচনে বাহরাইনের রাজ পরিবারের সদস্য হেরেছিলেন ইনফান্তিনোর কাছে। তখন পুরো উয়েফা এই সুইস-ইতালিয়ানের পক্ষে নেমেছিল কোমর বেঁধে। আলোচনায় আছেন নরওয়েজিয়ান ফুটবল ফেডারেশনের সভাপতি লিস ক্লাভেনেসও। এই নারী ফুটবলের সুশাসন ও সমতার পক্ষে কথা বলায় সংস্কারপন্থী ফুটবল কর্মকর্তা হিসেবে সম্ভাব্য তালিকায় আছেন।

কনকাকাফ সভাপতি ভিক্টর মন্টাগ্লিয়ানি

সম্ভাব্য তালিকায় উয়েফা প্রধান আলেকসান্দার সেফেরিনের নাম আলোচিত হলেও তার নেতৃত্বে ইনফান্তিনো-বিরোধী শিবির ঐক্যবদ্ধ হয়েছে। ধারণা করা হচ্ছে, তিনি নিজে ফিফা নির্বাচনে অংশ না নিয়ে দাঁড় করাবেন একজন ঐক্যের প্রার্থী। এই প্রার্থীর নাম আগেভাগে ঘোষণা দিলে তাকে টার্গেট করবেন বর্তমান ফিফা সভাপতি।

বড় দুটি পক্ষ এখনো চুপ

উয়েফা চেষ্টা করছে গত কয়েক বছরে ইনফান্তিনোর খামখেয়ালি আচরণ কীভাবে ফিফার ক্ষতি করেছে, তা তুলে ধরার। নতুন সভাপতির অধীনে ফিফার অর্থায়ন বাড়ানোর আশ্বাসও দেবে ফিফার সদস্য অ্যাসোসিয়েশনগুলোকে। তবে দুটি প্রধান পক্ষ এখনো পর্যন্ত চুপ আছে এবং তারা যেকোনো একদিকে পাল্লা ভারী করে দিতে পারে।

একটি হলো সৌদি আরব। সৌদি ফুটবলে তারা বিশাল অর্থ বিনিয়োগ করেছে, রোনালদো ও করিম বেনজেমার মতো তারকাদের নিয়ে সৌদি প্রো লিগ জমিয়ে তুলেছে। সৌদি আরব ডিএজেডএন-এ ১ বিলিয়ন ডলার বিনিয়োগ করে ২০২৫ সালের পুরুষ ক্লাব বিশ্বকাপের গ্লোবাল রাইটস কিনে নিয়েছে। যখন বড় ব্রডকাস্টাররা আগ্রহ দেখাচ্ছিল না, তখন এগিয়ে যায় তারা। ফিফার বেশ কয়েকটি প্রতিযোগিতার সঙ্গে আছে সৌদি আরবের পিআইএফের (পাবলিক ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড) চুক্তি। এসব দিয়েই ইনফান্তিনোর আনুগত্য অর্জন এবং ২০৩৪ বিশ্বকাপের আয়োজক হওয়ার কৌশল বলেই সমালোচনা আছে। বিশ্বকাপের আয়োজক নিশ্চিত হওয়ার পর সৌদি আরব ইনফান্তিনো ইস্যুতে কী ভাবছে, তা অজানা।

আরেকটা শক্তি ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড, রিয়াল মাদ্রিদের মতো বড় ক্লাবগুলো। তাদের সরাসরি ভোটের অধিকার না থাকলেও তারা বিশাল ক্ষমতার অধিকারী। কারণ ফিফার রাজস্ব বাড়ানোর জন্য কোনো সুনির্দিষ্ট পরিকল্পনার প্রয়োজন হলে এই ক্লাবগুলোকে লাগবেই। মনে রাখবেন, ফিফার একমাত্র লাভজনক প্রতিযোগিতা হলো পুরুষদের বিশ্বকাপ, বাকি টুর্নামেন্টগুলোতে পয়সা আসে না।
রাজস্ব বাড়ানোর আরেকটি বড় ক্ষেত্র হতে পারে পুরুষদের ক্লাব বিশ্বকাপ। ফিফার দাবি, প্রথম আসর থেকে তারা ১২৬ মিলিয়ন ডলার লাভ করেছে। বড় ইউরোপীয় ক্লাবগুলোকে অংশগ্রহণ করাতে ফিফাকে তাদের রাজস্বের অর্ধেকেরও বেশি প্রাইজমানি হিসেবে দিতে হয়েছিল। বড় ক্লাবগুলোর ব্র্যান্ড ও সমর্থকরাই এই রাজস্বের প্রধান চালিকাশক্তি এবং ক্লাবগুলো তা ভালো করেই জানে। সুতরাং ইউরোপীয় ক্লাবগুলোর পক্ষ-বিপক্ষও বড় প্রভাবক হয়ে উঠতে পারে ফিফা প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে।

ফিফা সভাপতিইনফান্তিনোফিফা নির্বাচন
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    বন্ধ হচ্ছে পদ্মা ব্যাংক

    বন্ধ হচ্ছে পদ্মা ব্যাংক

    ট্রাম্পের সঙ্গে তারেক রহমানের ছবি নিয়ে আলোচনা, যাচাইয়ে কী মিলছে

    ট্রাম্পের সঙ্গে তারেক রহমানের ছবি নিয়ে আলোচনা, যাচাইয়ে কী মিলছে

    ধনীর পাঙাশ গরিবের পাতে দিলেন যে বিজ্ঞানী

    ধনীর পাঙাশ গরিবের পাতে দিলেন যে বিজ্ঞানী

    সবাইকে জামিন দিক, আমাদের সেফ কাস্টডিতে রাখুক

    সবাইকে জামিন দিক, আমাদের সেফ কাস্টডিতে রাখুক

    ইয়েতির হাত!

    ইয়েতির হাত!

    ‘আমাকে বিক্রি করে দিয়েছে’, সৌদি থেকে রেহেনার আকুতি

    ‘আমাকে বিক্রি করে দিয়েছে’, সৌদি থেকে রেহেনার আকুতি

    কোটালীপাড়ায় শিক্ষিকাকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে যুবককে মারধর

    কোটালীপাড়ায় শিক্ষিকাকে উত্ত্যক্ত করার অভিযোগে যুবককে মারধর

    তৌফিক খালিদী মোহ-নির্মোহ দ্বন্দ্বের যবনিকা

    তৌফিক খালিদী মোহ-নির্মোহ দ্বন্দ্বের যবনিকা

    ‘সোনার ডিমপাড়া হাঁস’ বিদেশিদের পাতে!

    ‘সোনার ডিমপাড়া হাঁস’ বিদেশিদের পাতে!

    মিরপুরের ফুটপাতে ফিরেছে স্বস্তি, হকাররা এখন কোথায়

    মিরপুরের ফুটপাতে ফিরেছে স্বস্তি, হকাররা এখন কোথায়

    যুক্তরাষ্ট্রে প্রতারণার অভিযোগে বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

    যুক্তরাষ্ট্রে প্রতারণার অভিযোগে বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

    মোবাইলে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ

    মোবাইলে ডেকে নিয়ে কলেজছাত্রকে কুপিয়ে জখমের অভিযোগ

    দেবীগঞ্জে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, স্কুলশিক্ষক নিহত

    দেবীগঞ্জে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, স্কুলশিক্ষক নিহত

    ‘শেখ হাসিনাকে ভারতে নামার অনুমতি না দিলে পরিস্থিতি অন্যরকম হতো’

    ‘শেখ হাসিনাকে ভারতে নামার অনুমতি না দিলে পরিস্থিতি অন্যরকম হতো’

    রামপাল কি সত্যিই গ্রিডে ১,৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিচ্ছে?

    রামপাল কি সত্যিই গ্রিডে ১,৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিচ্ছে?