Agamir Somoy E-Paper
বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
দেশে-বিদেশে মানুষের পাশে জিয়াউল হক
বুধবার, ৭ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় চট্টগ্রাম

‘সোনার ডিমপাড়া হাঁস’ বিদেশিদের পাতে!

  • চট্টগ্রাম বন্দর কনসেশন চুক্তি নিয়ে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের আক্ষেপ
  • বিদেশি বিনিয়োগ সুরক্ষা দেওয়ার কৌশল
  • বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে বাংলাদেশকে সংযুক্ত করবে
  • গত বছর নিট মুনাফা সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকা
রফিকুল বাহার
রফিকুল বাহার
agamir somoy
প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ০৮:৩২
‘সোনার ডিমপাড়া হাঁস’ বিদেশিদের পাতে!

সংগৃহীত ছবি

দেশের শীর্ষস্থানীয় আমদানি-রপ্তানিকারক, শিপিং ব্যবসায়ী ও বন্দর ব্যবহারকারী বিভিন্ন পক্ষের মধ্যে এখন ‘কনসেশন চুক্তি’ ইস্যু বেশ আলোচিত। এরকম চুক্তির বিষয়টি আগে কখনো এভাবে আলোচনায় আসেনি। আমদানিনির্ভর বাংলাদেশে সমুদ্রগামী জাহাজ চলাচল ও বন্দর টার্মিনাল ব্যবহারকে কেন্দ্র করেই কনসেশন চুক্তি সামনে এলো। বছরে ১৪ কোটি টন পণ্যের অন্তত ৭০ শতাংশ ওঠানামা যারা করাবে, তাদের সবাই বিদেশি অপারেটর। তাদের সঙ্গে যে চুক্তি করা হচ্ছে, সেটিই কনসেশন চুক্তি। অর্থাৎ বিদেশি কোনো প্রতিষ্ঠানকে নির্দিষ্ট শর্তসাপেক্ষে সরকারি সম্পত্তি, অবকাঠামো পরিচালনা, উন্নয়ন ও ব্যবসা করার অধিকার প্রদানকে বলা হচ্ছে ‘কনসেশন চুক্তি’। বিদেশি বিনিয়োগকারীদের সুরক্ষা দেওয়ার কৌশল হলো এ চুক্তি। চুক্তি শর্তের প্রধান ইস্যুই হলো গোপনীয়তা রক্ষা।

প্রশ্ন হলো— ১৩৮ বছরের পুরনো এই বন্দর দিয়ে ১৮ কোটি জনসংখ্যার বাংলাদেশের আমদানি-রপ্তানি বাণিজ্যের ৯৩ শতাংশ সম্পন্ন হতো। গৌরব ও আশাবাদের কথা হলো— এ কাজ এতদিন সফলতার সঙ্গেই করতে পেরেছিলেন দেশের ভেতরে গড়ে ওঠা অপারেটর, দক্ষ কর্মকর্তা-কর্মচারীর সমন্বয়ে। স্বাধীনতার ৫৫ বছর পর হঠাৎ কেন ‘সোনার ডিমপাড়া হাঁস’ বিদেশিদের দিয়ে দিতে হবে? সোনার ডিমপাড়া হাঁসের ব্যাখ্যা এ কারণেই যে, চট্টগ্রাম বন্দর গত বছর নিট মুনাফা করেছে সাড়ে ৩ হাজার কোটি টাকার বেশি। যারা দীর্ঘদিন ধরে পারিবারিকভাবে বন্দরকেন্দ্রিক ব্যবসা করে আসছেন, সেরকম একজন ব্যবসায়ী আক্ষেপ করে বললেন, বাংলাদেশ সরকারের হাতে বন্দরের মতো লাভজনক কোনো প্রকল্প নেই। অথচ এখন দিয়ে দেওয়া হচ্ছে বিদেশিদের হাতে। এটি টোটালি লস।

আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে পতেঙ্গা কনটেইনার টার্মিনাল (পিসিটি) কনসেশন চুক্তির আওতায় সৌদি আরবভিত্তিক রেডসি গেটওয়ে টার্মিনালকে ইজারা দেওয়া হয় ২২ বছরের জন্য। আর বর্তমান বিএনপি সরকার নিউমুরিং কনটেইনার টার্মিনাল  (এনসিটি) ১৫ বছরের জন্য একই ফর্মুলায় ইজারা দেয় আরব আমিরাতভিত্তিক ডিপি ওয়ার্ল্ডকে। এর পাশে অবস্থান চিটাগং কনটেইনার টার্মিনাল (সিসিটি)। সেটিও একই পরিণতির দিকে। তার মানে চট্টগ্রাম বন্দর দিয়ে প্রতি বছর যে ৩৪ লাখ কনটেইনার ওঠানামা হয়, তার সবই করবে এখন বিদেশি প্রতিষ্ঠান। বাকি থাকল জেনারেল কার্গো বার্থ, যাকে বলা হয় জেসিবি। সেটিও বিদেশিদের ইজারা দেওয়ার প্রক্রিয়া চলমান বলে জানা গেছে।

আওয়ামী লীগ আমলে প্রথম চুক্তির মাধ্যমে পিসিটি দিয়ে দেওয়া হয়। এনসিটির চুক্তিও প্রায় চূড়ান্ত করে রাখে তারা। ড. ইউনূসের নেতৃত্বাধীন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সময় সেটিকে এগিয়ে এনে চূড়ান্ত রূপ দেয়। ইউনূস সরকারের সময় এ প্রক্রিয়ার সঙ্গে যুক্ত আশিক বিন ইমরান এখনো নির্বাচিত রাজনৈতিক সরকারের প্রভাবশালী পদে থেকে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন। গত আড়াই বছরের ব্যবধানে তিন সরকারের আমলে এরকম বিদেশপ্রীতি লক্ষ করা গেল। কেউ-ই দেশীয় অপারেটর ও বিনিয়োগকারীদের কথা আমলে নেয়নি। কেন নেয়নি, সেটিও রহস্যজনক বলে প্রতীয়মান হয়। আওয়ামী লীগ আমলে তৎকালীন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান ও শেখ হাসিনার আত্মীয় শেখ হাফিজুর রহমান এ ধরনের কনসেশন চুক্তির বিষয়ে বড় ভূমিকা রাখতে সক্রিয় ছিলেন।

বন্দর ব্যবহারকারীদের অনেকে এরকম গোপন চুক্তির পেছনের খবর বেশ ভালোই রাখেন। কার, কোথায়, কোন স্বার্থ জড়িত; কে, কীভাবে লাভবান হয়েছেন— সেটি এখন ওপেন সিক্রেট। এমনকি আওয়ামী লীগ সরকার থেকে নীতিকৌশল ও আদর্শে বিপরীত মেরুতে অবস্থান করা বিএনপি সরকারও কীভাবে এর ভেতরে ঢুকে পড়ল, সেটিও আলোচনায় আসছে জোরালোভাবেই। কিন্তু কেউ-ই স্পষ্ট বক্তব্য দিতে চান না। যেমন চট্টগ্রাম চেম্বারের সভাপতি আমিরুল হক অনেক কায়দা করে বললেন, ‘কী হচ্ছে, আল্লাহই জানে। ২০১৩ সালের পর থেকে সরকারগুলোর মধ্যে কোনো দয়া-মায়া আছে বলে মনে হয় না।’

দেশের শীর্ষস্থানীয় শিপিং ব্যবসায়ী কন্টিনেন্টাল গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক আহসান ইকবাল চৌধুরী আবীর বললেন, ‘চট্টগ্রামকে সিঙ্গাপুর বানানোর যে স্বপ্নের কথা বলা হচ্ছে, সেটি আদৌ কি সম্ভব? পাশের দেশ মালয়েশিয়া এত চেষ্টা করেও সিঙ্গাপুর হতে পারেনি। বিশ্ব জুড়ে সিঙ্গাপুর একটাই। মাঝারি মানের একটি মাদার ভেসেলের কনটেইনার ধারণক্ষমতা ১৫-২০ হাজার। সে ধারণক্ষমতার মাদার ভেসেল কখনো চট্টগ্রামে আসবে না। কারণ, সারা মাসে চট্টগ্রাম থেকে কনটেইনার বিদেশে যায় মাত্র ৬০ হাজার।’

নাম প্রকাশ করতে চান না এরকম একজন শীর্ষ পর্যায়ের বন্দর ব্যবহারকারী জানালেন, সরকারকে স্বপ্ন দেখিয়ে, ভুল বুঝিয়ে তৃতীয়পক্ষ কোনো সুযোগ নিচ্ছে কি না, সেটি যাচাই করা দরকার। কারণ, পুরো বন্দরের নিয়ন্ত্রণ চলে যাচ্ছে বিদেশিদের হাতে। দেশে এত দিন ধরে যারা বন্দর চালাল, তাদের সক্ষমতা ও অবদানের কথা কেউ মনে রাখল না। উন্মুক্ত প্রতিযোগিতা থাকলে বিদেশিদের সঙ্গে দেশীয় প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা যাচাইয়ের সুযোগ পেত। আর বিদেশি বিনিয়োগ আকৃষ্ট করতে বে টার্মিনালের মতো গ্রিন ফিল্ড ছিল সবচেয়ে ভালো সুযোগ। সেটি না করে বন্দরের টাকায় নির্মিত হাজার কোটি টাকার আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে সাজানো ‘রেডিমেড খাবার’ তুলে দেওয়া হলো বিদেশিদের মুখে।

বিদেশিদের কাছে বন্দর ইজারা দেওয়ার পক্ষেও যুক্তি তুলে ধরেছেন কেউ কেউ। বন্দরের দক্ষতা কীভাবে বাড়বে, প্রযুক্তিগত উন্নতি কীভাবে হবে, সেসব খুবই গুরুত্বপূর্ণ তাদের কাছে। তারা মনে করেছেন, বিশ্ব অর্থনীতির সঙ্গে বাংলাদেশকে সংযুক্ত করবে এসব বিদেশি অপারেটররা। বর্তমান অর্থনৈতিক সংকটে বিপুল বৈদেশিক বিনিয়োগের হাতছানি বন্দরের সামনে। কাকে দিলে ভালো হবে, কে পেলে লাভ হবে— সেটি ব্যবসায়ীদের দেখার বিষয় নয়। বিজিএমইএর প্রথম সহসভাপতি ও কেডিএস গ্রুপের ব্যবস্থাপনা পরিচালক সেলিম রহমান বললেন, ‘সার্ভিস বাড়ান। জাহাজ অবস্থানের (লিডটাইম) সময় কমান। বন্দরের দক্ষতা নিশ্চিত করেন। বাড়তি মাশুল যে নেবেন, সেটি আন্তর্জাতিক মানের বন্দরের সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ কি না। দেশি না বিদেশি, কোন অপারেটর বন্দর পরিচালনা করবে, তখন সেটি আমাদের বিবেচনায় আসবে না। শ্রীলঙ্কার কলম্বো বন্দরে ৪৮ ঘণ্টায় পণ্য খালাস করে জাহাজ চলে যায়। আর আমাদের বন্দরে লাগে চার দিন।’

শুরু থেকে বন্দরে কাজ করছে ১৩টি বেসরকারি প্রতিষ্ঠান। এদের অনেকে বিদেশিদের সঙ্গে প্রতিযোগিতামূলক দরে এনসিটি, সিসিটি পরিচালনার প্রস্তাব দিয়েছিল সরকারকে। তারা বিদেশিদের সঙ্গে উন্মুক্ত দরপত্রে অংশ নিয়ে সক্ষমতা দেখানোর আগ্রহও প্রকাশ করেছিল। কিন্তু সরকার দেশীয় প্রতিষ্ঠানের প্রস্তাবে সাড়া না দিয়ে কনসেশন চুক্তিতে বিদেশিদের কাছেই বন্দর ইজারা দিল।

চট্টগ্রাম বন্দরে কনটেইনার ওঠানামার বর্তমান প্রবৃদ্ধি হলো সাড়ে ৪ শতাংশ। এনসিটির মতো সবচেয়ে বড় উন্নয়ন কাজ শেষ হয়েছে ২০০৭ সালে। পণ্য ওঠানামার প্রবৃদ্ধি সবচেয়ে বেশি ছিল ২০১২-১৩ সালের দিকে, প্রায় ১২ শতাংশ।

চট্টগ্রামবন্দরঅর্থনীতি
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ক্যাম্পাসে ঢুকতে না পারলেও ১০৮৭ শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন বন্ধ করলেন চুয়েট ভিসি

    ক্যাম্পাসে ঢুকতে না পারলেও ১০৮৭ শিক্ষক-কর্মচারীর বেতন বন্ধ করলেন চুয়েট ভিসি

    শেয়ারবাজারের নজরদারিতে আর অনুমোদন লাগবে না

    শেয়ারবাজারের নজরদারিতে আর অনুমোদন লাগবে না

    শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে মামলা প্রত্যাহার করলেন বাদী

    শেখ হাসিনার বিরুদ্ধে চট্টগ্রামে মামলা প্রত্যাহার করলেন বাদী

    গণমাধ্যমে ছবি-ভিডিও প্রকাশে লাগবে বন্দরের অনুমতি!

    গণমাধ্যমে ছবি-ভিডিও প্রকাশে লাগবে বন্দরের অনুমতি!

    মৃত ব্যক্তির সই দেখিয়ে হাসপাতালের ২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ

    মৃত ব্যক্তির সই দেখিয়ে হাসপাতালের ২ কোটি ৩৮ লাখ টাকা আত্মসাৎ

    আগামীর সময়ের সাংবাদিকের বাসায় চুরি

    আগামীর সময়ের সাংবাদিকের বাসায় চুরি

    কলেজীয় ব্যবস্থা ছিনতাই করে বিশ্ববিদ্যালয়

    কলেজীয় ব্যবস্থা ছিনতাই করে বিশ্ববিদ্যালয়

    সাড়ে ৫ টায় আমন্ত্রণ জানিয়ে নায়িকা এলেন রাত ৯ টায়

    সাড়ে ৫ টায় আমন্ত্রণ জানিয়ে নায়িকা এলেন রাত ৯ টায়

    সমঝোতা চাইলে আওয়ামী লীগকে ‘অপরাধ স্বীকার করতে হবে’

    সমঝোতা চাইলে আওয়ামী লীগকে ‘অপরাধ স্বীকার করতে হবে’

    নথিতে পাকা সড়ক, বাস্তবে কাঁচা, বরাদ্দের ৩৩ লাখ টাকা গেল কোথায়?

    নথিতে পাকা সড়ক, বাস্তবে কাঁচা, বরাদ্দের ৩৩ লাখ টাকা গেল কোথায়?

    ফেসবুকে কমেন্টের জেরে ছাত্রদল নেতার ওপর হামলা

    ফেসবুকে কমেন্টের জেরে ছাত্রদল নেতার ওপর হামলা

    আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলা, ২২ বছর পর কারামুক্ত যুবদল নেতা

    আহসান উল্লাহ মাস্টার হত্যা মামলা, ২২ বছর পর কারামুক্ত যুবদল নেতা

    আপনাকে রুমে ঢোকার সাহস কে দিয়েছে, সাংবাদিককে শিক্ষক

    আপনাকে রুমে ঢোকার সাহস কে দিয়েছে, সাংবাদিককে শিক্ষক

    ‘আমাকে বিক্রি করে দিয়েছে’ বলা সেই রেহেনা দূতাবাসের হেফাজতে

    ‘আমাকে বিক্রি করে দিয়েছে’ বলা সেই রেহেনা দূতাবাসের হেফাজতে

    বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুরের ভাঙা ভাস্কর্যে এবার জুতার মালা, আটক ১

    বীরশ্রেষ্ঠ হামিদুরের ভাঙা ভাস্কর্যে এবার জুতার মালা, আটক ১