Agamir Somoy E-Paper
শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
বিনামূল্যে চিকিৎসার ছয় দশক
শনিবার, ৩ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় জাতীয়

ধনীর পাঙাশ গরিবের পাতে দিলেন যে বিজ্ঞানী

  • দেশে বছরে পাঙাশ উৎপাদন ৪ লাখ টনের বেশি
  • কৃত্রিম প্রজননে সফল হতে তার লেগেছিল ৫ বছর
জহির রায়হান
agamir somoy
প্রকাশ: ০৩ অক্টোবর ২০২৬, ০৯:১৭
ধনীর পাঙাশ গরিবের পাতে দিলেন যে বিজ্ঞানী

১৯৯৩ সাল। বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের চাঁদপুর নদীকেন্দ্রের হ্যাচারির পাশে খাট পেতে রাত কাটাতেন তরুণ এক বিজ্ঞানী। পানির পাত্রে সদ্য জন্ম নেওয়া পাঙাশের পোনা। একটু অসতর্ক হলেই নষ্ট হয়ে যেতে পারে সব। তাই রাতের পর রাত সেখানেই থাকতেন তিনি।

সেই তরুণ আর কেউ নন, বিজ্ঞানী মোহাম্মদ খলিলুর রহমান। ওই বছরই দেশে প্রথমবারের মতো থাই পাঙাশের কৃত্রিম প্রজননে সফল হন তিনি। তার গবেষণার ধারাবাহিকতায় পরে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে থাই পাঙাশের চাষ। একসময় সচ্ছল পরিবারের মাছ হিসেবে পরিচিত পাঙাশ উঠে আসে নিম্ন আয়ের মানুষের খাবারের পাতে।

খলিলুর রহমান বলছিলেন, স্বাধীনতার পর দেশে মানুষের আমিষের প্রধান উৎস ছিল উন্মুক্ত জলাশয়ের মাছ। ১৯৭১ সালে দেশের জনসংখ্যা ছিল সাড়ে ৭ কোটি। তার দেওয়া তথ্য অনুযায়ী, তখন মাছের উৎপাদন ছিল প্রায় পাঁচ লাখ টন।

মৎস্য অধিদপ্তরের হিসাবে, ২০২৩-২৪ অর্থবছরে দেশে মাছের উৎপাদন দাঁড়িয়েছে ৫০ দশমিক ১৮ লাখ টনে। পাঁচ দশকের বেশি সময়ে নদী-নালা, খাল-বিল ও পুকুর কমেছে। পানিদূষণ বেড়েছে। তবু মাছের উৎপাদন বেড়েছে বহুগুণ। যার পেছনে বড় ভূমিকা রয়েছে মৎস্যবিজ্ঞানীদের গবেষণার।

নদী থেকে গবেষণাগারে: বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় থেকে ফিশারিজ টেকনোলজিতে স্নাতকোত্তর শেষে ১৯৮৭ সালের ফেব্রুয়ারিতে বাংলাদেশ মৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউটের (বিএফআরআই) চাঁদপুর নদীকেন্দ্রে বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা হিসেবে যোগ দেন খলিলুর রহমান। পরের বছরই দায়িত্ব পান দেশি পাঙাশ নিয়ে গবেষণার। তখন পাঙাশ ছিল নদীর মাছ। পুকুরে বাঁচবে কি না, কৃত্রিমভাবে ডিম পাড়ানো যাবে কি না— কিছুই ছিল না নিশ্চিত।

নদী থেকে জীবিত পাঙাশ ধরে এনে পুকুরে প্রতিপালন শুরু করেন খলিলুর রহমান। মাছ সংগ্রহের জন্য চাঁদপুর থেকে যেতেন বরিশালের হিজলা পর্যন্ত।

খলিলুর রহমান বলছিলেন, ‘দিনের পর দিন ও রাত নদীতে কাটিয়েছি। নিজেই স্পিডবোট বা জাহাজ চালিয়ে নদী থেকে পাঙাশ সংগ্রহ করতাম।’

গবেষণায় তিনি দেখলেন, বাংলাদেশের আবহাওয়া পাঙাশ চাষের উপযোগী। স্থানীয় খাবার দিয়েই সম্ভব মাছটি পালন। পাঙাশ সর্বভুক। তাই বাণিজ্যিক চাষেও এর সম্ভাবনা বেশি।

দেশে এলো থাই পাঙাশ: ১৯৯০ সালে থাইল্যান্ড থেকে আনা পাঙাশের পোনার কৃত্রিম প্রজননের দায়িত্ব পান খলিলুর রহমান। তিন বছর গবেষণার পর ১৯৯৩ সালের ৮ মে সফল হন তিনি। বাংলাদেশে প্রথমবারের মতো সম্ভব হয় থাই পাঙাশের কৃত্রিম প্রজনন।

স্ত্রী মাছের পেট চেপে বের করা হতো ডিম। পুরুষ মাছ থেকে নেওয়া হতো শুক্রাণু। এরপর দুটি একসঙ্গে মিশিয়ে ছেড়ে দেওয়া হতো পানিতে। মাৎস্যবিজ্ঞানে যে প্রক্রিয়ার নাম ‘স্ট্রিপিং’।

খলিলুর রহমানের কাছে এটি ছিল সন্তান জন্মের মতো আনন্দের। তিনি বলছিলেন, ‘আমার ছেলেকে যে যত্নে বড় করেছি, মাছের পোনাগুলোকেও একই যত্নে বড় করেছি।’

পোনা উৎপাদনের পর সেগুলোকে বাঁচিয়ে বড় করাই ছিল পরের চ্যালেঞ্জ। হ্যাচারিটি ছিল খোলা জায়গায়। পোনা নষ্ট হয়ে গেলে গবেষণার ফল ধরে রাখা সম্ভব হতো না। তাই সেখানে খাট পেতে রাত কাটাতেন খলিলুর। সেই পোনা থেকেই পরে সারা দেশে ছড়িয়ে পড়ে থাই পাঙাশের চাষ।

গরিবের প্রোটিন: পাঙাশ চাষ ছড়িয়ে দিতে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের মানুষকে প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়। যশোর, ময়মনসিংহ, কিশোরগঞ্জ, কুমিল্লা ও সিলেটে আয়োজন করা হয় প্রশিক্ষণের।

গণমাধ্যম ব্যক্তিত্ব শাইখ সিরাজের একটি অনুষ্ঠানে পাঙাশের প্রজনন পদ্ধতি দেখানোর পর বিষয়টি সাধারণ মানুষের কাছে পরিচিত হয়ে ওঠে। ১৯৯৫ সালে এ কাজের স্বীকৃতি হিসেবে রাষ্ট্রীয় পদক পান খলিলুর রহমান।

১৯৯৫-৯৬ সাল থেকে পাঙাশের বাণিজ্যিক বিস্তার শুরু হয়। ২০০০ সালের দিকে চাষ ব্যাপক আকার ধারণ করে। দ্রুত বৃদ্ধি ও তুলনামূলক সহজ চাষপদ্ধতির কারণে কৃষক ও তরুণরা এতে আগ্রহী হন।

ময়মনসিংহ, বগুড়ার আদমদীঘি, কুমিল্লার লাকসাম, কিশোরগঞ্জ, ব্রাহ্মণবাড়িয়া ও যশোর পাঙাশ চাষের গুরুত্বপূর্ণ এলাকা হয়ে ওঠে। বিভিন্ন সরকারি ও গবেষণা পরিসংখ্যান অনুযায়ী, দেশে বছরে পাঙাশ উৎপাদন ৪ লাখ টনের বেশি।

খলিলুর রহমানের লক্ষ্য ছিল কর্মসংস্থান সৃষ্টি। তিনি চেয়েছিলেন, তরুণরা মাছ চাষের মাধ্যমে স্বাবলম্বী হোক। তার মতে, পাঙাশ সাধারণ মানুষের জন্য সাশ্রয়ী প্রাণিজ আমিষের উৎস।

যে পোনা হারিয়ে গেল: দেশি পাঙাশের কৃত্রিম প্রজননে সফল হতে তার লেগেছিল ১৬ বছর। খলিলুর রহমানের স্মৃতিচারণ অনুযায়ী, ২০০৪ সালের ৩০ জুন সেই সাফল্য আসে। কিন্তু চার মাস পর পুকুর থেকে সব পোনা চুরি হয়ে যায়।

তিনি বলছিলেন, ‘একদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে দেখি, পুকুর থেকে সব পাঙাশ চুরি হয়ে গেছে। এ নিয়ে ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের চিঠি লিখি। তদন্ত কমিটি হলেও দোষী ব্যক্তিদের শনাক্ত করা হয়নি।’

পরে যশোর ও ময়মনসিংহে আবার দেশি পাঙাশের কৃত্রিম প্রজননের চেষ্টা করেন। তবে উদ্যোগটি আর সফল হয়নি। গবেষণার ধারাবাহিকতা রক্ষা না হওয়া ও কর্তৃপক্ষের অবহেলাকে এর জন্য দায়ী করেন তিনি।

কর্মজীবনের শেষ দিকেও কঠিন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হন বিজ্ঞানী খলিলুর। ২০১৬ সালে বিএফআরআইয়ের পরিচালক (অর্থ ও প্রশাসন) হন। ২০২০ সালে হন গবেষণা ও পরিকল্পনা পরিচালক। পরে জ্যেষ্ঠতার ভিত্তিতে মহাপরিচালক পদে নিয়োগ পেলেও মাত্র ১৫ দিন ওই পদে ছিলেন। তার ভাষায়, দুর্নীতিপরায়ণ নেতৃত্ব তাকে ওই পদে থাকতে দেয়নি।

খলিলুর রহমানের কাজ সম্পর্কে বিএফআরআইর সাবেক পরিচালক আনিছুর রহমান বলছিলেন, ‘তিনি পাঙাশের প্রজনন ঘটিয়ে দেশে এর প্রসারে বড় ভূমিকা রেখেছেন। তিনি একজন ভালো বিজ্ঞানী। সবকিছু চমৎকার বিশ্লেষণ করেন। আমি নিজে তার কাছে অনেক শিখেছি।’

খলিলুর রহমানের কাজের সঠিক মূল্যায়ন হয়নি উল্লেখ করে আনিছুর রহমান বললেন, ‘আমাদের দেশে মহাপরিচালক পদটি রাজনৈতিক। দেশের মৎস্য খাতে খলিলুর রহমানের অর্জন অনেক। তাকে পদে রাখলে আরও অনেক কিছু দিতে পারতেন।’

নিরাপদ মাছ, নিরাপদ পানি: খলিলুর রহমানের মতে, নিরাপদ মাছ উৎপাদনের প্রথম শর্ত নিরাপদ পানি। শিল্পকারখানার বর্জ্যে নদী ও খালের পানি দূষিত হচ্ছে। এ দূষণ বন্ধে কঠোর ব্যবস্থা নিতে হবে।

মাছের খাবারে ওষুধের ব্যবহার নিয়ন্ত্রণ করা দরকার। চাষিদের দিতে হবে প্রশিক্ষণ। তাদের জন্য স্বল্প সুদের ঋণের ব্যবস্থাও করতে হবে।

কৃষিতে ইউনিয়ন পর্যায়ে ব্লক সুপারভাইজার আছেন। মৎস্য খাতেও এ ধরনের জনবল থাকা দরকার বলে মনে করেন তিনি। এতে চাষিরা মাঠপর্যায়ে দ্রুত পরামর্শ পাবেন।

খাল ও নদী খননের ওপরও গুরুত্ব দেন খলিলুর রহমান। তার মতে, জলাশয়ের স্বাভাবিক প্রবাহ ফিরিয়ে না আনলে মৎস্যসম্পদ রক্ষা করা যাবে না। একই সঙ্গে মৎস্য খাতে বাজেট বাড়ানোর তাগিদ দেন তিনি।

পাঙাশের ভবিষ্যৎ: দেশে দেশি পাঙাশ ও থাই পাঙাশের পাশাপাশি মেকং জায়ান্ট পাঙাশও রয়েছে। তবে এটি এখনো সাধারণ চাষিদের জন্য বাণিজ্যিকভাবে সহজলভ্য নয়। ময়মনসিংহে বিএফআরআইর গবেষণা পুকুরে এ মাছের প্রতিপালন ও প্রজনন নিয়ে গবেষণা চলছে।

খলিলুর রহমানের মতে, কৃত্রিম প্রজনন সফল করে কৃষক পর্যায়ে এ মাছের চাষ ছড়িয়ে দেওয়া গেলে মৎস্য খাতে নতুন সম্ভাবনা তৈরি হতে পারে। নভেম্বর থেকে মার্চ পর্যন্ত নদীতে পাঙাশের ছোট পোনা ধরা বন্ধ করার পরামর্শ দিলেন তিনি।

জাটকা সংরক্ষণ আইনে ‘পাঙাশ’ শব্দটি যুক্ত করা গেলে দেশি পাঙাশের প্রাকৃতিক উৎপাদন বাড়বে বলে মত দেন খলিলুর রহমান।

গবেষণা ও পরিবার: ২০২১ সালে সরকারি চাকরি থেকে অবসর নেন খলিলুর রহমান। তবে মৎস্য খাত নিয়ে গবেষণা ও লেখালেখি থামাননি। লিখেছেন ফিশ অ্যান্ড ফিশারিজ অব বাংলাদেশ নামে একটি বই। বর্তমানে কৃষি গবেষণা ফাউন্ডেশনের মৎস্য ও জলজসম্পদ বিভাগের জ্যেষ্ঠ বিশেষজ্ঞ হিসেবে কাজ করছেন।

খলিলুর রহমান বলছিলেন, পাঙাশ মাছের উন্নয়নই তাকে বিদেশে উচ্চশিক্ষার সুযোগ করে দিয়েছিল। তিনি ও তার স্ত্রী ড. জুবাইদা নাসরিন আখতার ২০০১ সালে ইংল্যান্ডের হাল ইউনিভার্সিটি থেকে মাৎস্যবিজ্ঞানে পিএইচডি করেন।

জুবাইদা নাসরিন আখতার বিএফআরআইর পরিচালক (অ্যাডমিন অ্যান্ড ফিন্যান্স) ছিলেন। গত ১ জুলাই তিনি মারা যান। খলিলুর রহমান বলছিলেন, স্ত্রী ছিলেন তার প্রধান অনুপ্রেরণা।

তাদের দুই ছেলে। বড় ছেলে নাদিম রহমান চিকিৎসক। ছোট ছেলে নাভিদ রহমান প্রকৌশলী।

নতুন বিজ্ঞানীদের উদ্দেশে খলিলুর রহমান বললেন, গবেষণার মূল লক্ষ্য হতে হবে মানুষের কল্যাণ। শুধু শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত কক্ষে বসে গবেষণা করলেই হবে না, মাঠে ও পুকুরপাড়ে গিয়ে চাষিদের সমস্যা বুঝতে হবে।

চাঁদপুরের সেই হ্যাচারিতে হয়তো তিনি আর রাত কাটান না। কিন্তু দেশে পাঙাশ চাষে যে পরিবর্তন এসেছে, এর পেছনে রয়েছে তার বড় অবদান। কোনো পরিবারের খাবারের পাতে পাঙাশের ঝোল উঠলে, সেখানে খলিলুর রহমানের দীর্ঘ গবেষণার ফলও পৌঁছে যায়। এই দৃশ্য দেখলে আজও তার মুখে ফুটে ওঠে হাসি।

পাঙাশবিজ্ঞানীমৎস্য গবেষণা ইনস্টিটিউট
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    বিডিনিউজ সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী আর নেই

    বিডিনিউজ সম্পাদক তৌফিক ইমরোজ খালিদী আর নেই

    ৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল

    ৯ গোল খেয়ে দুই ফুটবলারের ‘নারীসঙ্গ’ নিয়ে যা জানা গেল

    অভিযোগ নেই, তবু সাংবাদিকের ডোপ টেস্ট করল পুলিশ

    অভিযোগ নেই, তবু সাংবাদিকের ডোপ টেস্ট করল পুলিশ

    দুই ফুটবলারের নারীসঙ্গের ছবিটি জাকার্তায়!

    দুই ফুটবলারের নারীসঙ্গের ছবিটি জাকার্তায়!

    ‘মাঠে উপস্থিত থাকতে  হবে ঊর্ধ্বতনদের’

    ‘মাঠে উপস্থিত থাকতে হবে ঊর্ধ্বতনদের’

    গ্রেপ্তারের আগে ভিডিও বার্তা আখতারুজ্জামানের, যা বলেছেন

    গ্রেপ্তারের আগে ভিডিও বার্তা আখতারুজ্জামানের, যা বলেছেন

    অ্যাকশনে বিএনপি, দেখছে না পদ-পদবিও

    অ্যাকশনে বিএনপি, দেখছে না পদ-পদবিও

    থানার সামনে ওসির গাড়িচালককে মারধর, যুবদল নেতা আটক

    থানার সামনে ওসির গাড়িচালককে মারধর, যুবদল নেতা আটক

    বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে ‘লাঞ্ছনা’, আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা

    বিমানবন্দরে নিরাপত্তা কর্মকর্তাকে ‘লাঞ্ছনা’, আখতারুজ্জামানের বিরুদ্ধে মামলা

    জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার

    জামায়াত নেতা আখতারুজ্জামান গ্রেপ্তার

    শুল্কমুক্ত মদ মজুদ : সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ গুদাম সিলগালা

    শুল্কমুক্ত মদ মজুদ : সালমান মুক্তাদিরের শ্বশুরের ৪ গুদাম সিলগালা

    এমপির হস্তক্ষেপে অবরুদ্ধ থেকে মুক্ত প্রতিবন্ধী নারীসহ ৩ বোন

    এমপির হস্তক্ষেপে অবরুদ্ধ থেকে মুক্ত প্রতিবন্ধী নারীসহ ৩ বোন

    প্রিয় ৫ বই

    প্রিয় ৫ বই

    ময়মনসিংহে বাসচাপায় প্রাণ গেল ৭ জনের

    ময়মনসিংহে বাসচাপায় প্রাণ গেল ৭ জনের

    এনসিটির পর সিসিটিও যাচ্ছে বিদেশিদের হাতে

    এনসিটির পর সিসিটিও যাচ্ছে বিদেশিদের হাতে