Agamir Somoy E-Paper
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
পথশিশুদের স্বপ্নসারথি মিজানুর
মঙ্গলবার, ২৯ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সংস্কৃতি

মাতঙ্গিনী হাজরা

ইতিহাসের আলোয় এক অমর বীরাঙ্গনা

শিমুল সালাহ্‌উদ্দিন
শিমুল সালাহ্‌উদ্দিন
agamir somoy
প্রকাশ: ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ০১:৩৭
ইতিহাসের আলোয় এক অমর বীরাঙ্গনা

কলকাতার ময়দানে মাতঙ্গিনী হাজরার ভাস্কর্য

‘ভয় কি মরণে রাখিতে সন্তানে, 

মাতঙ্গী মেতেছে আজ সমর রঙ্গে।। 

তাথৈ তাথৈ থৈ দ্রিমী দ্রিমী দং দং 

তাথৈ তাথৈ থৈ দ্রিমী দ্রিমী দং দং 

ভূত পিশাচ নাচে যোগিনী সঙ্গে। 


দানব দলনী হয়ে উন্মাদিনী, 

আর কি দানব থাকিবে বঙ্গে।। 

সাজ রে সন্তান হিন্দু মুসলমান 

সাজ রে সন্তান হিন্দু মুসলমান 

থাকে থাকিবে প্রাণ না হয় যাইবে প্রাণ।। 

লইয়ে কৃপাণ হও রে আগুয়ান, 

লইয়ে কৃপাণ হও রে আগুয়ান, 

নিতে হয় মুকুন্দে-রে নিও রে সঙ্গে।’

জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয়ে ঢুকেই আমি ধ্বনি আর জাহাঙ্গীরনগর সাংস্কৃতিক জোটের কর্মকাণ্ডে সম্পৃক্ত হয়ে পড়েছিলাম। কর্মকাণ্ড না বলে আন্দোলন সংগ্রাম বলা শ্রেয়। প্রায় ৬ বছরের শিক্ষাজীবনে চার চারটি ফুল ফ্লেজড আন্দোলন আর নিপীড়নবিরোধী নীতিমালার আন্দোলনে সামনের সারিতে ছিলাম বলে, ওপরের এই গান আমাদের অনেকের মুখস্থ হয়ে গিয়েছিল। আমাদের সময়ের জাহাঙ্গীরনগরে ছিলেন অথচ এই গান শোনেন নাই এমন ছাত্র-শিক্ষক-কর্মচারী মনে হয় না পাওয়া যাবে। কিন্তু আমরা অনেকেই জানতাম না, এ গান কার লেখা, কেন কোন প্রেক্ষাপটে লেখা!

মাতঙ্গিনী হাজরা (১৯ অক্টোবর ১৮৭০ – ২৯ সেপ্টেম্বর ১৯৪২)চারণ কবি মুকুন্দ দাসের এই পঙক্তিগুলো নিছক কোনো গানের লিরিক নয়; এ যেন ইতিহাসের রক্তে লেখা এক রণসঙ্গীত, যার কেন্দ্রে দাঁড়িয়ে আছেন ৭৩ বছরের এক বিধবা—দারিদ্র্য, বৈধব্যের অভিমান আর বার্ধক্যকে জয় করে যিনি ছুটে গিয়েছিলেন ব্রিটিশরাজের গুলির সামনে। গানটি যখন বলে ‘ভয় কি মরণে রাখিতে সন্তানে’, তখন সেই ‘সন্তান’ শব্দটি যেন সমগ্র বাঙালি জাতি; আর ‘মাতঙ্গী’ সেই নারী, যিনি মৃত্যুকে ভয় না করে জাতীয় পতাকা হাতে এগিয়ে চলেছিলেন তমলুক থানার দিকে। গানের ‘হিন্দু মুসলমান’ একসঙ্গে সাজো ডাকটি তাঁর সেই মানবতাবোধেরই প্রতিধ্বনি, যেখানে ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে সকলকে তিনি আপন করে নিয়েছিলেন। ‘দানব দলনী হয়ে উন্মাদিনী’ চরণটি যেন সরাসরি তাঁর জীবন থেকে নেওয়া—যিনি ব্রিটিশ শাসনের দানবকে বঙ্গভূমি থেকে উৎখাত করতে উন্মাদিনীর মতো ঝাঁপিয়ে পড়েছিলেন সংগ্রামে।

১৯৪২ সালের ২৯ সেপ্টেম্বর। তমলুক থানার সামনে তখন উত্তাল জনতা। হাতে জাতীয় পতাকা, বুকে স্বাধীনতার স্বপ্ন, আর চোখে ব্রিটিশ শাসনের বিরুদ্ধে চূড়ান্ত প্রতিরোধের আগুন। সেই মিছিলের সামনে দাঁড়িয়ে ছিলেন এক ৭৩ বছরের বৃদ্ধা। পুলিশ ১৪৪ ধারা জারি করে, গুলির হুমকি দেয়, কিন্তু তিনি পিছিয়ে যাননি। বরং পতাকা উঁচিয়ে এগিয়ে চলেছেন। প্রথম গুলি লাগে কপালে, দ্বিতীয় ও তৃতীয় গুলি দুই হাতে। তবুও তিনি থামেননি। ‘বন্দেমাতরম’ ধ্বনি উচ্চারণ করতে করতে তিনি ঢলে পড়েন মাটিতে। হাতে তখনও শক্ত করে ধরা কংগ্রেসের পতাকা। সেই মুহূর্তে ভারতের স্বাধীনতা সংগ্রামের ইতিহাসে জন্ম নেয় এক অমর কিংবদন্তি— মাতঙ্গিনী হাজরা।

কিন্তু এই বীরত্বের পিছনে ছিল এক দীর্ঘ, সংগ্রামী ও যন্ত্রণাময় জীবন। মাতঙ্গিনীর জন্ম ১৮৭০ সালে, পূর্ব মেদিনীপুরের তমলুক মহকুমার হোগলা গ্রামে। তারিখ নিয়ে মতভেদ আছে—কেউ বলেন ১৯ অক্টোবর, কেউ বলেন ১৭ নভেম্বর। তবে জন্মদিনের তারিখ যাই হোক, তাঁর জীবনটা ছিল দারিদ্র্য, পরিশ্রম আর অদম্য মানবপ্রেমের এক জীবন্ত দলিল। পিতা ঠাকুরদাস মাইতি ছিলেন দরিদ্র কৃষক। অভাবের কারণে বাল্যকালে প্রথাগত শিক্ষার আলো তাঁর জীবনে খুব একটা পৌঁছায়নি। কিন্তু স্কুলের শিক্ষা না পেলেও জীবন তাঁকে শিখিয়েছিল সাহস, সহানুভূতি আর আত্মমর্যাদার পাঠ।

৬০ বছর পূর্তি উপলক্ষে ভারতের ডাকটিকিটে মাতঙ্গিনী হাজরাঅতি অল্প বয়সেই মাতঙ্গিনীর বিয়ে হয় আলিনান গ্রামের হাজরা বংশে। স্বামী ত্রিলোচন হাজরা তাঁর চেয়ে অনেক বড় ছিলেন। কোনও বর্ণনায় পাওয়া যায়, বারো বছর বয়সে ষাট বছরের ত্রিলোচনের সঙ্গে তাঁর বিবাহ হয়। মাত্র ছয় বছর দাম্পত্য জীবন কাটে। এরপর নিঃসন্তান অবস্থায় মাত্র আঠারো বছর বয়সে তিনি বিধবা হন। সেই সময়ের সমাজে বিধবা নারীর জীবন ছিল নানা বঞ্চনা ও সীমাবদ্ধতায় ঘেরা। কিন্তু মাতঙ্গিনী সেই গণ্ডি মেনে নেননি। তিনি সংসারের উপর নির্ভর করে থাকেননি; অন্যের বাড়িতে মুড়ি ভাজা, ঢেঁকিতে ধান ভাঙা, চরকা কাটা, নানা গৃহস্থালি কাজ করে নিজের জীবন চালাতেন। এই কঠোর পরিশ্রমই তাঁর ভিতরে গড়ে তোলে এক অদম্য মনোবল।

জীবনের মোড় ঘুরতে শুরু করে বিশ শতকের গোড়ায়। ১৯০৫ সালে বঙ্গভঙ্গের প্রতিবাদে সারা বাংলা উত্তাল। সেই আন্দোলনের ঢেউ পৌঁছে যায় মেদিনীপুরের গ্রামেও। মাতঙ্গিনী তখন গান্ধীবাদে অনুপ্রাণিত হয়ে স্বাধীনতা সংগ্রামে যোগ দেন। ১৯৩২ সালে তিনি আইন অমান্য আন্দোলনে অংশ নেন। লবণ আইন ভেঙে তিনি গ্রেফতার হন। মুক্তি পাওয়ার পর চৌকিদারি কর বন্ধের দাবিতে আন্দোলন চালিয়ে গেলে তাঁকে আবার গ্রেফতার করা হয়। এবার তাঁকে ছয় মাস বহরমপুর জেলে কাটাতে হয়। হিজলি বন্দি নিবাসেও তাঁকে বন্দি থাকতে হয়। ১৯৩৩ সালে শ্রীরামপুরে মহকুমা কংগ্রেস অধিবেশনে যোগ দিয়ে পুলিশের লাঠিচার্জে তিনি আহত হন। কিন্তু প্রতিটি আঘাত তাঁকে আরও দৃঢ় করে তোলে।

মাতঙ্গিনী শুধু স্বাধীনতা সংগ্রামী ছিলেন না, তিনি ছিলেন এক প্রকৃত মানবতাবাদী। তাঁর এলাকায় যখন মহামারি আকারে বসন্ত রোগ ছড়ায়, তখন তিনি আক্রান্ত পুরুষ, নারী ও শিশুদের সেবা করেন। অস্পৃশ্যদের সামাজিক অবস্থার উন্নয়নে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন। মুক্তির পর তিনি নিজের হাতে চরকা কেটে খাদি কাপড় বানাতেন। গ্রামের মানুষ তাঁকে স্নেহভরে ‘গান্ধীবুড়ি’ বলে ডাকত। এই নামটিই পরে তাঁর পরিচয় হয়ে ওঠে। তিনি প্রমাণ করেছিলেন, বয়স, লিঙ্গ, দারিদ্র্য বা বিধবা জীবন কোনও কিছুই মানুষের সাহস ও দেশপ্রেমের পথে বাধা হতে পারে না।

হাওড়ার মালি পাঁচঘড়ায় শহীদ মাতঙ্গিনী হাজরার ভাস্কর্য১৯৪২ সালের আগস্ট। মহাত্মা গান্ধীর ‘ভারত ছাড়ো’ ডাকে সারা দেশ ফুঁসে উঠেছে। মেদিনীপুর জেলার কংগ্রেস নেতৃবৃন্দ পরিকল্পনা করেন, জেলার সব থানা ও সরকারি কার্যালয় দখল করে ব্রিটিশ শাসন উচ্ছেদ করা হবে। সেই পরিকল্পনার অংশ হিসেবে তমলুক থানা অভিমুখে প্রায় ছয় হাজার মানুষের একটি মিছিল বের হয়। মিছিলের নেতৃত্ব দেন ৭৩ বছর বয়সী মাতঙ্গিনী হাজরা। মিছিলে ছিলেন প্রধানত মহিলা স্বেচ্ছাসেবকরা। থানার কাছে পৌঁছালে পুলিশ ১৪৪ ধারা জারি করে সমাবেশ ভেঙে দিতে বলে। কিন্তু মাতঙ্গিনী সেই আদেশ অমান্য করে এগিয়ে যান। পুলিশ গুলি চালায়। তিনটি গুলি তাঁকে বিদ্ধ করে। তবুও তিনি পিছিয়ে যাননি। ‘বিপ্লবী’ পত্রিকার বর্ণনায় আছে, তিনি অন্যান্য স্বেচ্ছাসেবকদের পিছনে রেখে নিজেই এগিয়ে যান। কংগ্রেসের পতাকা মুঠোয় শক্ত করে ধরে ‘বন্দেমাতরম’ ধ্বনি উচ্চারণ করতে করতে তিনি মৃত্যুবরণ করেন।

মাতঙ্গিনীর এই আত্মবলিদান বৃথা যায়নি। তমলুক জাতীয় সরকার তাঁর দৃষ্টান্তকে সামনে রেখে মানুষকে বিপ্লবের পথে উদ্বুদ্ধ করে। এই সমান্তরাল সরকার ১৯৪৪ সাল পর্যন্ত নিজের অস্তিত্ব বজায় রাখতে সক্ষম হয়। পরে গান্ধীজির অনুরোধে এই সরকার ভেঙে দেওয়া হয়। কিন্তু মাতঙ্গিনীর রক্তের বীজ থেকে যে স্বাধীনতার অঙ্কুর ফুটেছিল, তা ইতিহাসে চিরকালীন হয়ে আছে।

স্বাধীনতার পর মাতঙ্গিনী হাজরার স্মৃতি নানাভাবে সংরক্ষিত হয়েছে। ১৯৭৭ সালে কলকাতার ময়দানে তাঁর মূর্তি স্থাপিত হয়। এটিই ছিল কলকাতা শহরে প্রতিষ্ঠিত প্রথম নারীমূর্তি। কলকাতার হাজরা রোড তাঁর নামেই নামাঙ্কিত। ২০০২ সালে ভারত সরকার তাঁর ছবি সম্বলিত পাঁচ টাকার ডাকটিকিট চালু করে। ২০১৫ সালে তমলুক শহরে মহিলাদের জন্য শহীদ মাতঙ্গিনী গভর্নমেন্ট কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়। আলিনান গ্রামে তাঁর বসতভিটার সামনে রাজ্য সরকারের উদ্যোগে গড়ে উঠেছে ‘বীরঙ্গনা মাতঙ্গিনী হাজরা মিউজিয়াম ও মেমোরিয়াল গ্যালারি’। সেখানে সংরক্ষিত আছে তাঁর ব্যবহৃত পুস্তক, কম্বল, কাঁথা, কাপড়, থালা, শঙ্খ, শীলনোড়া এবং ভারত সরকার প্রদত্ত বিভিন্ন ডাকটিকিট।

হোগলা গ্রামে মাতঙ্গিনী হাজরার ভাস্কর্যতবুও থেকে যায় কিছু আক্ষেপ। দীর্ঘ ৭৭ বছর ধরে মাতঙ্গিনীকে নিয়ে যথেষ্ট চর্চা হয়নি, তৈরি হয়নি পূর্ণাঙ্গ সংগ্রহশালা। তাঁর পরিবারের সদস্যরা মনে করেন, বর্তমান প্রজন্মের কাছে তিনি শুধুই এক স্বাধীনতা শহিদ, বিশেষ দিনে স্মরণের পর ভুলে যাওয়া এক নাম। শহিদ পরিবারের চতুর্থ প্রজন্মের মদনমোহন হাজরা নিজের উদ্যোগে বাড়ির বাগানে মাতঙ্গিনীর মূর্তি তৈরি করিয়েছেন এবং সংগ্রহশালার জন্য জমি দিয়েছেন। মুগবেড়িয়া কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ ও গবেষক হরিপদ মাইতি বলেন, ‘আমাদের উত্তরপুরুষের কাছে স্বাধীনতা সংগ্রামীদের জীবন, আদর্শ নিয়ে চর্চা করতে পারিনি। তাই বর্তমান প্রজন্ম তাঁদের নিয়ে আগ্রহ হারাচ্ছে। এই পরিস্থিতির জন্যে দায়ী আমরাই।’

তমলুক-মেচেদা রোডে কাঁকটিয়া বাজার থেকে আলিনান গ্রামের পূর্বপাড়া পর্যন্ত সাড়ে তিন কিলোমিটার রাস্তা এখন ঢালাই হয়েছে। বসেছে স্ট্রিট লাইট। ট্রেকার বা টোটোয় চেপে পৌঁছে যাওয়া যায় মাতঙ্গিনীর বাড়িতে। রাস্তার নামও দেওয়া হয়েছে তাঁর নামে। স্থানীয় গ্রাম পঞ্চায়েত সদস্য যতীন্দ্রমোহন হাজরা বলেন, রাজ্যে পালাবদলের পর এই এলাকায় প্রচুর উন্নয়নমূলক কাজ হয়েছে, সংগ্রহশালা তৈরির কাজও খুব তাড়াতাড়ি শুরু হবে। কিন্তু প্রশ্ন থেকে যায়—শুধু রাস্তা, আলো আর মূর্তি তৈরি করলেই কি একজন শহিদের স্মৃতি রক্ষা হয়? নাকি তাঁর জীবন, আদর্শ, সংগ্রাম ও মানবতাবোধকে নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়াই প্রকৃত শ্রদ্ধা?

মাতঙ্গিনী হাজরা
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    পাকিস্তানের অনুমতি না মেলায় আটকে গেল রূপপুরের জ্বালানি

    পাকিস্তানের অনুমতি না মেলায় আটকে গেল রূপপুরের জ্বালানি

    জামালপুরে এসেছে ১ জনের, নিয়োগপত্রের দাবিতে বাকি ৫১ জন সংবাদ সম্মেলনে

    জামালপুরে এসেছে ১ জনের, নিয়োগপত্রের দাবিতে বাকি ৫১ জন সংবাদ সম্মেলনে

    চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কন্টেইনার ডেলিভারি বন্ধ

    চট্টগ্রাম বন্দর থেকে কন্টেইনার ডেলিভারি বন্ধ

    নাতনি মরিয়মকে নজরুল প্রথমে বিয়ে করেন ‘মৌখিকভাবে’

    নাতনি মরিয়মকে নজরুল প্রথমে বিয়ে করেন ‘মৌখিকভাবে’

    ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বিক্রি নিয়ে ইউপিএল বিক্রয়কেন্দ্রে বাধার অভিযোগ

    ‘অসমাপ্ত আত্মজীবনী’ বিক্রি নিয়ে ইউপিএল বিক্রয়কেন্দ্রে বাধার অভিযোগ

    আইফোন হাতিয়ে নিতে হত্যার ছক, ৭ দিন আগেই পরিকল্পনা

    আইফোন হাতিয়ে নিতে হত্যার ছক, ৭ দিন আগেই পরিকল্পনা

    খুঁটিতে বাঁধা বাবার মুখে খাবার, মেয়ের মমতায় পরিবারে নতুন স্বপ্নের উঁকি

    খুঁটিতে বাঁধা বাবার মুখে খাবার, মেয়ের মমতায় পরিবারে নতুন স্বপ্নের উঁকি

    শেখ হাসিনার জন্মদিনে বৃদ্ধাশ্রমে খাবার বিতরণ, মা-ছেলেসহ গ্রেপ্তার ৭

    শেখ হাসিনার জন্মদিনে বৃদ্ধাশ্রমে খাবার বিতরণ, মা-ছেলেসহ গ্রেপ্তার ৭

    খাগড়াছড়ির টানে বহুমাত্রিক

    খাগড়াছড়ির টানে বহুমাত্রিক

    রাজবাড়ীতে বাড়ছে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব

    রাজবাড়ীতে বাড়ছে বেওয়ারিশ কুকুরের উপদ্রব

    ডেঙ্গুতে মারা গেলেন চিকিৎসক, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর শোক

    ডেঙ্গুতে মারা গেলেন চিকিৎসক, স্বাস্থ্যমন্ত্রীর শোক

    চিকিৎসকদের মানবিক হওয়ার আহ্বান সালেহউদ্দিনের

    চিকিৎসকদের মানবিক হওয়ার আহ্বান সালেহউদ্দিনের

    বিতর্কের মুখে বেসিসের সহায়ক কমিটির কার্যক্রম স্থগিত

    বিতর্কের মুখে বেসিসের সহায়ক কমিটির কার্যক্রম স্থগিত

    শিক্ষাজীবন শেষের আগেই লাখ টাকার চাকরি ৪০ তরুণের

    শিক্ষাজীবন শেষের আগেই লাখ টাকার চাকরি ৪০ তরুণের

    পীরগাছায় সারের ডিলারশিপ ভাগ করে নিয়েছেন বিএনপি নেতারা!

    পীরগাছায় সারের ডিলারশিপ ভাগ করে নিয়েছেন বিএনপি নেতারা!