Agamir Somoy E-Paper
সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
সমাজ বদলের লড়াইয়ে চা বিক্রেতা
সোমবার, ২৭ জুলাই, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

info@agamirsomoy.com

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় আদালত

মেজর সাজ্জাদুল

আমার সামনেই একজনকে গুলি করেন জিয়াউল

অনলাইন ডেস্ক
agamir somoy
প্রকাশ: ২৬ জুলাই ২০২৬, ২৩:০৫
আমার সামনেই একজনকে গুলি করেন জিয়াউল

ট্রাইব্যুনালে জিয়াউল আহসান—ফাইল ছবি

পতিত আওয়ামী লীগ সরকারের শাসনামলে গুম ও হত্যায় অভিযুক্ত সাবেক সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনালে সাক্ষ্য দিয়েছেন মেজর (অব.) খোন্দকার মোহাম্মদ সাজ্জাদুল ইসলাম।

আজ রবিবার ট্রাইব্যুনাল-১-এ তার সাক্ষ্যগ্রহণ করা হয়। এসময় প্রসিকিউটর শাইখ মাহদী এবং আসামিপক্ষে ছিলেন আইনজীবী সাহিদুর রহমান।

জবানবন্দিতে সাজ্জাদুল ইসলাম জানান, ২০১১ সালে সরকারি আদেশে তাকে র‌্যাবে বদলি করা হয় এবং ৫ জুলাই র‌্যাব সদর দপ্তরে যোগ দেন। সেখানে ছয়দিনের আনুষ্ঠানিক কার্যক্রম শেষে ১১ জুলাই তাকে র‌্যাব-৩-এ পদায়ন করা হয়। সেসময় র‌্যাবের গোয়েন্দা বিভাগের পরিচালক ছিলেন লেফটেন্যান্ট কর্নেল জিয়াউল আহসান।

আরও পড়ুন

জিয়াউল আহসানের জলসিঁড়ির বাড়িতে দুদকের অভিযান

২০ জুলাই ২০২৬


র‌্যাব-৩-এ যোগদানের দিনই তৎকালীন কমান্ডিং অফিসার লেফটেন্যান্ট কর্নেল রফিকুল ইসলাম তাকে জানান, সেদিন রাতে একটি অভিযানে অংশ নিতে হবে, যা জিয়াউল আহসানের নির্দেশে পরিচালিত হবে। রাত ১১টার দিকে সাদা পোশাকে কয়েকজন কর্মকর্তার সঙ্গে র‌্যাব সদর দপ্তরের সামনে পৌঁছান তিনি। পরে চারটি গাড়ির বহর টঙ্গী হয়ে একটি নির্জন এলাকায় যায়।

সাজ্জাদুল ইসলামের দাবি, একটি সেতুর (আহসান উল্লাহ মাস্টার এমপি ব্রিজ) ওপর গাড়ি থামানোর পর চোখ ও হাত বাঁধা একজন বন্দিকে নামানো হয়। তার ভাষ্য অনুযায়ী, জিয়াউল আহসান ওই ব্যক্তিকে সেতুর রেলিংয়ের কাছে নিয়ে গিয়ে মাথার পেছনে গুলি করেন এবং পরে নিচে ফেলে দেন। ঘটনাটি দেখে তিনি হতবিহ্বল হয়ে পড়েন।

জবানবন্দিতে তিনি বলেছেন, কিছুদূর এগিয়ে আরেকটি সেতুর ওপর গাড়ি থামানো হলে জিয়াউল আহসান তাকে একটি ‘সন্ত্রাসবিরোধী অপারেশন’ পরিচালনার নির্দেশ দেন। তিনি এর অর্থ জানতে চাইলে জিয়াউল আহসান ক্ষুব্ধ হয়ে তাকে ইংরেজিতে তিরস্কার করেন এবং গাড়ির ভেতরে গিয়ে বসতে বলেন।

আরও পড়ুন

ইলিয়াস আলী অপহরণ ও গুমে সরাসরি জড়িত জিয়াউল আহসান

২১ জুন ২০২৬


তিনি ট্রাইব্যুনালকে জানান, নির্দেশ অমান্য করার পর তিনি আশঙ্কা করেছিলেন, তাকে হয়তো ভুয়া বন্দুকযুদ্ধের ঘটনায় হত্যা করা হতে পারে, চাকরি হারাতে হতে পারে কিংবা দুর্গম এলাকায় বদলি করা হতে পারে।

তার ভাষ্য, গাড়ির ভেতরে বসে থাকা অবস্থায় তিনি গুলির মতো একটি শব্দ শুনতে পান। পরে আরেকটি স্থানে চোখ বাঁধা একজন ব্যক্তিকে কয়েকজনের টেনে নিয়ে যেতে দেখেন, কিন্তু তাকে আর ফিরে আসতে দেখেননি। এরপর আরও কয়েকটি স্থানে গাড়ি থামলেও তিনি আর গাড়ি থেকে নামেননি। অভিযানের শেষে তাকে ক্যান্টনমেন্টের স্টাফ রোডে নামিয়ে দেওয়া হয়।

তিনি বললেন, পরদিন, ১২ জুলাই, র‌্যাব-৩-এ যাওয়ার পথে তিনি জানতে পারেন যে তাকে র‌্যাব থেকে বাংলাদেশ সেনাবাহিনীতে ফেরত পাঠানো হয়েছে। র‌্যাব-৩-এ পৌঁছানোর পর তাকে সরাসরি কুমিল্লা সেনানিবাসের অর্ডন্যান্স ডিপোতে যোগদানের নির্দেশ দেওয়া হয়। প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী র‌্যাব থেকে ফেরত আসা কর্মকর্তাদের আগে সেনা সদরে রিপোর্ট করার কথা থাকলেও তার ক্ষেত্রে সেই প্রক্রিয়া অনুসরণ করা হয়নি।

এই সাক্ষী দাবি করেন, ঘটনার তিন থেকে চারদিনের মধ্যে একটি জাতীয় দৈনিকে গাজীপুরের জয়দেবপুর এলাকায় গুলিবিদ্ধ অবস্থায় তিনটি লাশ উদ্ধারের সংবাদ প্রকাশিত হয়।

আরও পড়ুন

জিয়াউল আহসানের বিচার বিলম্বের চেষ্টা চালাচ্ছে আসামিপক্ষ

২২ জুন ২০২৬

সাজ্জাদুল ইসলাম ট্রাইব্যুনালে বলেছেন, ওই ঘটনার পর সেনাবাহিনীতে তাকে একজন অবিশ্বস্ত ও অবাধ্য কর্মকর্তা হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। তার দাবি, সৎ ও যোগ্য কর্মকর্তা হওয়া সত্ত্বেও এরপর আর পদোন্নতি পাননি এবং অবসরের নির্ধারিত সময়ের প্রায় ১২ বছর আগেই ২০১৩ সালে স্বেচ্ছায় অবসর গ্রহণ করেন।

জিয়াউল আহসানগুমখুনআদালতট্রাইব্যুনাল
    শেয়ার করুন:
    advertisement
    advertisement
    যুবদল নেতা বাবুকে হত্যার টার্গেটে দুদিন অনুসরণ

    যুবদল নেতা বাবুকে হত্যার টার্গেটে দুদিন অনুসরণ

    ২৭ জুলাই ২০২৬, ০০:০০

    advertiseadvertise