চিফ প্রসিকিউটর
জিয়াউল আহসানের বিচার বিলম্বের চেষ্টা চালাচ্ছে আসামিপক্ষ

চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম
মানবতাবিরোধী অপরাধের মামলায় বরখাস্তকৃত সেনা কর্মকর্তা জিয়াউল আহসানের বিচার বিলম্বের চেষ্টা চলছে অভিযোগ করেছেন চিফ প্রসিকিউটর মো. আমিনুল ইসলাম। আজ সোমবার নিজ কার্যালয়ে এক প্রেস ব্রিফিংয়ে এ অভিযোগ করেন তিনি।
চিফ প্রসিকিউটর বলছিলেন, ‘জিয়াউল আহসানের মামলায় বিভিন্ন প্রতিকূলতার সম্মুখীন হচ্ছি। আসামির আইনজীবী হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন তার আপন বোন। প্রত্যেক তারিখেই কোনো না কোনো অজুহাতে সময়ক্ষেপনের টেনডেনসি দেখাচ্ছেন তিনি।’
‘আইনজীবী নেই, আইনজীবী অসুস্থ, আইনজীবী মারা গেছেন এমন নানা অভিযোগ নিয়ে আসেন তিনি। বিভিন্ন ডকুমেন্টস লাগবে বলে আবেদন দাখিল করেন। এভাবে মামলার কার্যক্রম স্থগিত রাখার আবেদন করেন’, যোগ করেন আমিনুল ইসলাম।
চিফ প্রসিকিউটর জানিয়েছেন, ইমরুল কায়েস নামে যে সাক্ষী জিয়াউল আহসানের বিরুদ্ধে সাক্ষ্য দিয়েছেন তাকে সোমবার জেরা করার কথা থাকলেও তা হয়নি। বরং সময় চেয়ে আবেদন করেছেন জিয়াউলের বোন আইনজীবী নাজনীন নাহার। পাশাপাশি আরও তিনটি আবেদন করেছেন এই আইনজীবী।
তিনি দাবি করেন, আসামির সঙ্গে আইনজীবীর সাক্ষাতের একটি দরখাস্ত ছিল, সেটি ট্রাইব্যুনাল গ্রহণ করেছেন। তবে বাকি দরখাস্তগুলো মামলার সঙ্গে একেবারেই অপ্রাসঙ্গিক। মঙ্গলবার এগুলোর বিষয়ে আদেশ দেবেন ট্রাইব্যুনাল।
এদিকে আসামিপক্ষের সময় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ মামলায় জবানবন্দি দেওয়া সেনাবাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার ইমরুলের জেরার জন্য ২৮ জুন তারিখ ধার্য করেছেন আদালত।
এর আগে গতকাল রবিবার আসামির বিরুদ্ধে ট্রাইব্যুনালে বিস্ফোরক তথ্য দেন ইমরুল কায়েস। র্যাবের গোয়েন্দা শাখায় থাকাকালীন জিয়াউলের রানার (বডি গার্ড) ছিলেন তিনি। সেই সুবাদে দেড়শ-দুইশ মানুষকে হত্যার প্রত্যক্ষ সাক্ষী হন এই সেনাসদস্য। এমনকি বিএনপি নেতা ইলিয়াস আলীর গুম প্রসঙ্গও ট্রাইব্যুনালের সামনে তুলে ধরেন ইমরুল।





