স্বাস্থ্য টিপস
ফ্রিজে খাবার সংরক্ষণে যেসব নিয়ম মানবেন
শিউলি আক্তার

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
খাদ্যাভ্যাস প্রভাব ফেলে আমাদের শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যে। রান্নাঘরে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে খাবার রান্না এবং সেটি ওভেনে গরম করা কিংবা ফ্রিজে সংরক্ষণ— সবই আমাদের স্বাস্থ্য সচেতনতার অংশ। কাঁচা মাছ-মাংস, ডিম, সবজি, ফলমূল কিংবা রান্না করা খাবার সংরক্ষণের ক্ষেত্রে স্বাস্থ্যসম্মত উপায় মেনে চলা দরকার। ফ্রিজে স্বাস্থ্যসম্মত উপায়ে খাবার সংরক্ষণের ক্ষেত্রে তিনটি ধাপ মেনে চলা ভালো।
স্বল্প সময়ে সংরক্ষিত খাদ্য
- সদ্য রান্না করা খাবার বা কেটে ফেলা ফলমূল এই ক্যাটাগরিতে পড়ে।
- এ ধরনের খাবারের ক্ষেত্রে আলাদা ঢাকনাযুক্ত বাটি ব্যবহার করা উচিত। ব্যবহার করুন কাচ, সিরামিক বা স্টেইনলেস স্টিলের বাক্স বা বাটি। এতে খাবারের সঙ্গে পাত্রের উপকরণের রাসায়নিক বিক্রিয়া হয় না। ফলে খাবারের স্বাদ ও গন্ধ অটুট থাকে।
দীর্ঘ সময়ে সংরক্ষিত খাদ্য
- সাধারণত রান্না করা খাবার এই ক্যাটাগরির অন্তর্ভুক্ত।
- সংরক্ষণ করুন ফ্রিজের নরমাল সেকশনে ১-৪ ডিগ্রি তাপমাত্রায়।
- রান্না করা খাবার ১-২ দিন, তরল দুধ ২-৩ দিন, ডিম ৭-১৫ দিন এবং দুগ্ধজাত পণ্য যেমন দই-পনির ১৫ দিনের ভেতরে ব্যবহার করে ফেলুন।
- সবজি ও ফলমূল ব্যবহার করতে হবে ৩-৭ দিনের ভেতরে।
ফ্রোজেন খাদ্য
- ডিপ ফ্রিজে সংরক্ষণ করা হয় সাধারণ মাছ-মাংস ও ফ্রোজেন ফুড।
- যেকোনো মাছ ১৫-৩০ দিনের ভেতরে ব্যবহার করে ফেলতে হবে। মাংস ও দুগ্ধজাত সামগ্রী সর্বোচ্চ তিন মাস পর্যন্ত সংরক্ষণ করা স্বাস্থ্যসম্মত।
- ডিপে মাছ-মাংস রাখার ক্ষেত্রে সাধারণ পলিথিন ব্যবহার করা যাবে না, বেছে নিতে হবে ফুডগ্রেড পলিথিন।
- রান্না করা খাবার সংরক্ষণের জন্য স্টেইনলেস স্টিলের বাক্স ব্যবহার করা উচিত।
- পেঁয়াজ-আদা-রসুন বাটা ডিপে সংরক্ষণ করা যাবে না। একান্তই প্রয়োজন হলে স্টিলের এয়ারটাইট বক্সে ১-২ দিন রাখা যেতে পারে।
লেখক : উপব্যবস্থাপক ও সিনিয়র ট্রেইনিং অফিসার, ফুড অ্যান্ড বেভারেজ প্রোডাকশন ন্যাশনাল হোটেল অ্যান্ড ট্যুরিজম ট্রেইনিং ইনস্টিটিউট




