এআই আতঙ্কে মার্কিন ভোটার, নির্বিকার ট্রাম্প
- চাকরি-ভবিষ্যৎ নিয়ে বাড়ছে উদ্বেগ

যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ছবি: সংগৃহীত
যুক্তরাষ্ট্রে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা এআই নিয়ে সাধারণ ভোটারদের উদ্বেগ বাড়লেও বিষয়টিকে খুব একটা গুরুত্ব দিতে রাজি নন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। কর্মসংস্থান, আয়, অর্থনীতি ও ভবিষ্যৎ জীবনযাত্রায় এআইয়ের প্রভাব নিয়ে বাড়ছে মানুষের শঙ্কা। তবে প্রযুক্তিটির দ্রুত সম্প্রসারণ ও এ খাতে বিনিয়োগের পক্ষেই অবস্থান করছে ট্রাম্প প্রশাসন।
সাম্প্রতিক জরিপগুলোতে দেখা যাচ্ছে, বিপুলসংখ্যক মার্কিন ভোটার এআই নিয়ে উদ্বিগ্ন। ২০২৩ সালের তুলনায় এআই নিয়ে মানুষের দুশ্চিন্তা উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। বিশেষ করে চাকরি হারানো, আয় কমে যাওয়া এবং ভবিষ্যতে মানুষের কাজ এআই দখল করে নেওয়ার আশঙ্কা বাড়ছে ভোটারদের মধ্যে।
অনেক মার্কিন নাগরিক মনে করছেন, এআইয়ের দ্রুত বিকাশ দেশটির অর্থনীতিতে বড় ধরনের পরিবর্তন আনতে পারে। কেউ কেউ এটিকে উৎপাদনশীলতা বাড়ানো এবং নতুন কর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির সম্ভাবনা হিসেবেও দেখছেন। তবে অন্যদের আশঙ্কা, প্রযুক্তির এই দ্রুত অগ্রগতি সাধারণ মানুষের চাকরির নিরাপত্তাকে ফেলতে পারে ঝুঁকির মুখে।
এদিকে এআই নিয়ন্ত্রণ, কর্মসংস্থান সুরক্ষা এবং বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলোর ওপর নজরদারি বাড়ানোর দাবি জোরালো করছে ডেমোক্র্যাটদের একটি অংশ। অন্যদিকে এআইকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক শক্তি, প্রযুক্তিগত নেতৃত্ব এবং বৈশ্বিক প্রতিযোগিতায় এগিয়ে যাওয়ার গুরুত্বপূর্ণ হাতিয়ার হিসেবে দেখছে ট্রাম্প শিবির।
২০২৬ সালের মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগে তাই এআই আর শুধু প্রযুক্তি বা ব্যবসার বিষয় হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকছে না। এটি ধীরে ধীরে ভোটারদের চাকরি, অর্থনৈতিক নিরাপত্তা এবং রাজনৈতিক পছন্দের সঙ্গেও যুক্ত হয়ে উঠছে।
ভোটারদের মধ্যে যখন এআই নিয়ে উদ্বেগ বাড়ছে, তখন ট্রাম্পের অবস্থান অনেকটাই ভিন্ন। তার প্রশাসনের কাছে আতঙ্কের চেয়ে প্রযুক্তির দৌড়ে যুক্তরাষ্ট্রকে এগিয়ে নেওয়াই হয়ে উঠেছে বড় লক্ষ্য।





