সাতগম্বুজ মসজিদ, ১৭০০ খ্রিস্টাব্দ

তথ্য ও ছবি: বাবু আহমেদ
বুড়িগঙ্গার পাড়ে শায়েস্তা খানের আমলে যে কয়েকটি মসজিদ নির্মিত হয়, তার মধ্যে নিঃসন্দেহে এই সাতগম্বুজ মসজিদটি অন্যতম আকর্ষণীয়।
মসজিদটির চারকোনায় চারটি অষ্টকোনাকার টাওয়ার আছে। ১২ ফুট ৪ ইঞ্চি বিশিষ্ট টাওয়ারগুলোর অভ্যন্তরভাগ ফাঁপা ও দ্বিতল কক্ষবিশিষ্ট। পূর্ব দেয়ালের তিনটি প্রবেশদ্বার বরাবর পশ্চিম দেয়ালে তিনটি অবতল মিহরাব আছে।
মুঘল বাংলার প্রচলিত স্থাপত্যিক বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী, মসজিদটির নামাজগৃহে তিনটি গম্বুজ দ্বারা আচ্ছাদিত এবং মাঝের গম্বুজটি আনুপাতিক হারে বড়। সাতগম্বুজ মসজিদের সম্মুখে একটি বিশাল চত্বর আছে। বর্তমানে মসজিদের সৌন্দর্য রক্ষার জন্য কোনো অবস্থা বা ব্যবস্থা নেই বললেই চলে।
এটিও প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের তালিকাভুক্ত স্থাপত্য। যে বুড়িগঙ্গা নদীতে মুসল্লিরা অজু করে নামাজ আদায় করতেন, তা এখন আর নেই। বুড়িগঙ্গা নদী দখল করেই মসজিদের পেছনে বিশালকার মাদ্রাসা নির্মিত হয়েছে। ঐতিহাসিক কোনো ভবনের পাশে এ ধরনের বিশাল ইমারত নির্মাণ আইনের মধ্যে পড়ে না।




