ম্যাডোনার সিক্যুয়েল অ্যালবাম

পপসম্রাজ্ঞী ম্যাডোনা
পপসম্রাজ্ঞী ম্যাডোনা ছয় বছর পর নতুন স্টুডিও অ্যালবাম নিয়ে ফিরেছেন। গত শুক্রবার প্রকাশ পেয়েছে তার ১৫তম স্টুডিও অ্যালবাম ‘কনফেশনস টু’। ২০০৫ সালে প্রকাশিত তার জনপ্রিয় অ্যালবাম ‘কনফেশনস অন অ্যা ড্যান্স ফ্লোর’-এর সিক্যুয়েল এটি। এর বেশিরভাগ গানেই আশির দশকের শিকাগো ও ডেট্রয়েট হাউজ মিউজিকের প্রভাব রয়েছে।
৬৭ বছর বয়সী এই গায়িকার নতুন অ্যালবামে গান রয়েছে ১৬টি। অতিথি শিল্পী হিসেবে কণ্ঠ দিয়েছেন আমেরিকান গায়িকা সাবরিনা কার্পেন্টার, ম্যাডোনার মেয়ে লোলা লিওন, বেলজিয়ান গায়ক স্ট্রোমেই, কলম্বিয়ান গায়ক ফিড ও ডাচ ডিজে মার্টিন গ্যারিক্স।
লোলা লিওনের সঙ্গে ম্যাডোনার গাওয়া ‘দ্য টেস্ট’ শিরোনামের একটি গান আলোচিত হয়েছে। ‘ব্রিং ইয়োর লাভ’ গানে ম্যাডোনার সঙ্গে কণ্ঠ দিয়েছেন সাবরিনা কার্পেন্টার। এতে নারীর স্বাধীনতা, আত্মবিশ্বাস এবং সমাজের সমালোচনার বিরুদ্ধে প্রতিবাদের বার্তা তুলে ধরা হয়েছে।
ম্যাডোনা মনে করেন, নারীদের শিল্পকর্মকে এখনো অনেক সময় ভিন্ন দৃষ্টিতে বিচার করা হয়। সেই অভিজ্ঞতাই তিনি নতুন গানে তুলে ধরেছেন।
অ্যালবামটির প্রচারণা হিসেবে মুক্তি পেয়েছে ১০ মিনিট দৈর্ঘ্যের একটি মিউজিক্যাল স্বল্পদৈর্ঘ্য চলচ্চিত্র। এর নাম ‘কনফেশনস টু দ্য ফিল্ম’। এটি পরিচালনা করেছেন টরসো।
২০১৯ সালে প্রকাশিত ‘ম্যাডাম এক্স’-এর পর ম্যাডোনার নতুন স্টুডিও অ্যালবাম ‘কনফেশনস টু’। এর মাধ্যমে নিজের পুরনো রেকর্ড লেবেল ওয়ার্নার রেকর্ডসে প্রত্যাবর্তন করেছেন তিনি।
ম্যাডোনা মনে করেন, পৃথিবীর সংকটময় সময়ে সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন আনন্দ আর নাচের স্পৃহা। তার মতে— নাচ শুধু বিনোদন নয়, এটি মানসিক মুক্তির একটি মাধ্যম। ম্যাডোনার ভাষায়, এই অ্যালবাম তার জীবনের গল্প, পরিবার, শোক, ভালোবাসা এবং নতুনভাবে বেঁচে ওঠার সংগীত। ম্যাডোনা জানিয়েছেন, নাচই তাকে আবার জীবনের কাছে ফিরিয়ে আনে।




