বাজারে প্রচলিত টাকা কমেছে ১১ হাজার কোটি

গ্রাফিকস: আগামীর সময়
চলতি বছরের মার্চ পর্যন্ত ধারাবাহিকভাবে মানুষের হাতে নগদ অর্থের পরিমাণ বাড়লেও ফের কমতে শুরু করেছে গত এপ্রিলে। একই সঙ্গে ছাপানো টাকা (রিজার্ভ মানি) কমেছে প্রায় ৭ হাজার কোটি টাকা। এ ছাড়া বাজারে প্রচলিত চলতি টাকার (কারেন্সি ইন সার্কুলেশন) পরিমাণ কমেছে ১১ হাজার ৬৬ কোটি টাকা। বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত হালনাগাদ প্রতিবেদন থেকে জানা গেছে এসব তথ্য।
‘চলতি বছরের মার্চে ব্যাংক খাতে ছাপানো টাকার স্থিতি (রিজার্ভ মানি) ছিল ৪ লাখ ৪৩ হাজার ২৬৯ কোটি ৫ লাখ টাকা। পরের মাসে ছাপানো টাকা কমে দাঁড়ায় ৪ লাখ ৩৫ হাজার ৪০৭ কোটি ১০ লাখ টাকায়। সেই হিসাবে মার্চের তুলনায় এপ্রিলে ছাপানো টাকা কমেছে ৭ হাজার ৮৬২ কোটি ৪ লাখ টাকা’— উল্লেখ করা হয় কেন্দ্রীয় ব্যাংকের প্রতিবেদনে।
একইভাবে চলতি বছরের এপ্রিলে বাজারে প্রচলিত টাকা কমে দাঁড়িয়েছে ৩ লাখ ৩১ হাজার ১৮ কোটি টাকা। এর আগে মার্চে বাজারে প্রচলিত টাকার পরিমাণ ছিল ৩ লাখ ৪২ হাজার ৮৫ কোটি ১০ লাখ টাকা। সেই হিসাবে এক মাসে কমেছে ১১ হাজার ৬৬ কোটি ৬ লাখ টাকা। এ বিষয় বাংলাদেশ ব্যাংকের মুখপাত্র ও নির্বাহী পরিচালক আরিফ হোসেন খান বললেন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও কিছু ব্যাংকের প্রতি আস্থার অভাবে মানুষ হাতে নগদ টাকা রাখাকে বেশি নিরাপদ মনে করছিল। কিন্তু মানুষ টাকা বেশি দিন হাতে রাখে না। এখন হয়তো আস্থাশীল অন্য কোনো ব্যাংকে আবার রাখছে টাকা। ফলে ব্যাংকের বাইরে থাকা নগদ টাকা কিছু কমেছে। আর অর্থনীতি স্থিতিশীলতার দিকে যাচ্ছে বিধায় রিজার্ভ মানি এবং বাজারে প্রচলিত টাকা কমেছে, যা মার্কেটের স্বাভাবিক ধারা।




