হাসপাতাল থেকে হাতকড়াসহ পালাল রোহিঙ্গা আসামি

সংগৃহীত ছবি
কক্সবাজার সদর হাসপাতালের পঞ্চম তলার পুরুষ ওয়ার্ড থেকে হাতকড়া পরা অবস্থায় পালিয়ে গেছে অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তার এক রোহিঙ্গা যুবক।
বুধবার (৩০ সেপ্টেম্বর) রাত ১০টার দিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় পাহারায় থাকা পুলিশ সদস্যদের চোখ এড়িয়ে হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যায় সে।
পলাতক আসামির নাম নাম ইব্রাহিম (৩০)। তিনি টেকনাফের হ্নীলা ইউনিয়নের মোছনি ২৬ নম্বর রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা মোহাম্মদ সলিমের ছেলে।
পুলিশ ও হাসপাতাল সূত্র জানায়, অস্ত্র মামলায় গ্রেপ্তারের পর আহত অবস্থায় ইব্রাহিমকে প্রথমে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। হাসপাতালের পঞ্চম তলার পুরুষ ওয়ার্ডে চিকিৎসাধীন থাকা অবস্থায় তার হাতে হাতকড়া পরানো ছিল। একই সঙ্গে তাকে পাহারায় পুলিশ লাইন্সের একজন সহকারী উপপরিদর্শক (এএসআই) ও দুই কনস্টেবল দায়িত্বে ছিলেন।
বুধবার রাত ১০টার দিকে পাহারার মধ্যেই শয্যা থেকে উঠে হাতকড়া পরা অবস্থায় ইব্রাহিম হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে যায়।
পাশের এক রোগীর স্বজনের ভাষ্য, পাহারায় থাকা পুলিশ সদস্যদের নজর এড়িয়ে মুহূর্তের মধ্যেই সে হাসপাতাল থেকে বের হয়ে যায়।
ঘটনার পর হাসপাতাল ও আশপাশের এলাকায় তল্লাশি শুরু করে পুলিশ। পলাতক ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল অভিযান চালাচ্ছে বলে জানিয়েছে উখিয়া থানা।
এর আগে গত ২৫ সেপ্টেম্বর সকাল ৬টার দিকে উখিয়ার পালংখালী ইউনিয়নের ধামনখালী এলাকায় স্থানীয় যুবক জাকির হোসেনকে অপহরণের চেষ্টার সময় ইব্রাহিম ও নুরুল আলম নামে দুই রোহিঙ্গা যুবককে স্থানীয় জনতা আটক করেন। পরে তাদের মারধর করে উখিয়া থানা পুলিশের কাছে সোপর্দ করা হয়।
পুলিশের দাবি, আটকের সময় তাদের কাছ থেকে একটি দেশীয় তৈরি পিস্তল ও পাঁচ রাউন্ড গুলি উদ্ধার করা হয়। এ ঘটনায় ইব্রাহিম ও নুরুল আলমের বিরুদ্ধে অস্ত্র আইনে মামলা করা হয়।
আটকের পর স্থানীয়দের মারধরে আহত অবস্থায় দুজনকে প্রথমে উখিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়। পরে উন্নত চিকিৎসার জন্য তাদের কক্সবাজার সদর হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় পুলিশের পাহারা থেকে ইব্রাহিম পালিয়ে যায়।
উখিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আতিকুর রহমান মজুমদার বলেছেন, পলাতক ইব্রাহিমকে গ্রেপ্তারে পুলিশের একাধিক দল কাজ করছে।




