Agamir Somoy E-Paper
রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
রুবেলের উদ্যোগে ১৩০০ মানুষের কর্মসংস্থান
রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় সারা দেশ

৯ কোটি টাকার সেতুতে উঠতে ‘মৃত্যুফাঁদ’

  • ৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে নির্মিত সেতু
  • ৪ বছর পর মূল সেতু নির্মাণ হলেও নেই সংযোগ সড়ক
  • ১৫ ফুট উঁচু সেতুতে উঠতে মই
  • গফরগাঁওয়ের ৮ ইউনিয়নের মানুষের চলাচল
শিহাব খান, শ্রীপুর (গাজীপুর)
agamir somoy
প্রকাশ: ০৪ অক্টোবর ২০২৬, ১০:৪৪
৯ কোটি টাকার সেতুতে উঠতে ‘মৃত্যুফাঁদ’

সেতু নির্মাণ শেষ হলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় এখনো স্বাভাবিকভাবে ব্যবহার করা যাচ্ছে না। ছবি : আগামীর সময়

গাজীপুরের শ্রীপুর ও ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের মানুষের যোগাযোগ সহজ করতে সুতিয়া নদীর ওপর নির্মাণ করা হয়েছে প্রায় ৯ কোটি টাকার সেতু। তবে সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হলেও তৈরি হয়নি সংযোগ সড়ক। ফলে সেতুতে উঠতে মাটি ও মইয়ের ওপর ভরসা করতে হচ্ছে স্থানীয়দের। বৃষ্টি হলে সেই খাড়া পথ হয়ে ওঠে আরও বিপজ্জনক। বাধ্য হয়ে পাশের রেলসেতু দিয়ে ঝুঁকি নিয়ে চলাচল করছেন শিক্ষার্থীসহ হাজারো মানুষ।

গাজীপুরের শ্রীপুরের কাওরাইদ ও ময়মনসিংহের গফরগাঁওয়ের সীমান্তবর্তী এলাকায় সুতিয়া নদীর ওপর নির্মাণ করা হয়েছে সেতুটি। ২০২২ সালের ১৫ ফেব্রুয়ারি আনুষ্ঠানিকভাবে শুরু হয় এর নির্মাণকাজ। ৮ কোটি ৮০ লাখ টাকা ব্যয়ে মূল সেতুর নির্মাণকাজ শেষ হয় ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি।

স্থানীয়রা জানালেন, সেতু নির্মাণ শেষ হলেও দুই পাশে সংযোগ সড়ক না থাকায় এখনো স্বাভাবিকভাবে ব্যবহার করা যাচ্ছে না এটি। সেতুতে ওঠার জন্য মাটি ফেলে তৈরি করা হয়েছে অস্থায়ী ঢাল। কোথাও কোথাও বসানো হয়েছে মই। প্রতিদিন এসব অস্থায়ী ব্যবস্থা ব্যবহার করে চলাচল করছেন শিক্ষার্থী, অভিভাবক, কৃষক ও সাধারণ মানুষ।

সেতুটির উচ্চতা সংযোগ সড়কের তুলনায় প্রায় ১৫ ফুট উঁচু হওয়ায় মাটি ফেলে তৈরি করা ঢালটি বেশ খাড়া। সামান্য বৃষ্টি হলেই তা পিচ্ছিল হয়ে ঘটে নিত্যদুর্ঘটনা।

স্থানীয় বাসিন্দা মঞ্জুরুল করিমের ভাষ্য, সেতুর মূল কাজ শেষ হয়ে গেছে। এখন শুধু সংযোগ সড়কের কারণে ব্যবহার করা যাচ্ছে না এটি। এলাকায় একটি সরকারি, একটি এমপিওভুক্ত ও একটি বেসরকারি বিদ্যালয় রয়েছে। প্রতিদিন এই পথে চলাচল করেন এসব প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, অভিভাবকসহ সাধারণ মানুষ। বৃষ্টি হলে নতুন সেতুতে ওঠার পথও চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়ে।

সংযোগ সড়ক নির্মাণের জায়গা নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যেও রয়েছে নানা প্রশ্ন। স্থানীয়দের দাবি, প্রস্তাবিত সড়কের জায়গাটি বাংলাদেশ রেলওয়ের। কথা হচ্ছিল আরেক স্থানীয় বাসিন্দা মো. কায়সারের সঙ্গে। জানালেন, যেখানে সংযোগ সড়ক নির্মাণের কথা, সেখানে কোনো ব্যক্তির জোতজমি নেই। পুরো জায়গাটিই বাংলাদেশ রেলওয়ের। রেলওয়ের জায়গায় কয়েকজন বাড়িঘর করে বসবাস করছেন। প্রায় আধা কিলোমিটার এলাকা জুড়ে রেলওয়ের জমি রয়েছে। জনগুরুত্বপূর্ণ একটি সেতুর সংযোগ সড়ক নির্মাণে এ বিষয়টি বাধা হওয়া উচিত নয় বলে মনে করেন তিনি।

সংযোগ সড়ক না থাকায় সবচেয়ে বেশি ভোগান্তিতে পড়ছেন শিক্ষার্থীরা। সেতুতে ওঠার জন্য আগে রডের মতো একটি ব্যবস্থা ছিল, এখন মাটি ও মই দেওয়া হয়েছে। তবে বৃষ্টি হলে সেটিও বিপজ্জনক হয়ে পড়ে। বিকল্প হিসেবে পাশের রেলসেতু ব্যবহার করতে হচ্ছে তাদের। শিক্ষার্থী নাসরিন বেগম বলছিলেন, রেলওয়ে সেতু দিয়ে চলাচল খুব ঝুঁকিপূর্ণ। সংযোগ সড়কটি করে দেওয়া হলে কলেজে যাতায়াত অনেক সহজ হবে।

শুধু মানুষের যাতায়াত নয়, স্থানীয় কৃষিপণ্য পরিবহনের ক্ষেত্রেও গুরুত্ব রয়েছে সড়কটির। গফরগাঁওয়ের ১৫টি ইউনিয়নের মধ্যে আটটি ইউনিয়নের মানুষ এই পথ ব্যবহার করেন— দাবি স্থানীয়দের। স্থানীয় বাসিন্দা হান্নান শেখের ভাষ্য, সেতুটি গফরগাঁও ও শ্রীপুরের কেন্দ্রস্থলে হওয়ায় এর গুরুত্ব অনেক। কিন্তু সেতু নির্মাণ শেষ হলেও ওঠার রাস্তা না থাকায় এখনো মই বেয়ে উঠতে হচ্ছে মানুষকে।

তবে প্রকল্পের শুরু থেকেই সংযোগ সড়কের জন্য জমি অধিগ্রহণের অর্থ বরাদ্দ ছিল না বলে জানিয়েছে স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি)। ফলে মূল সেতু নির্মাণ শেষ হলেও সংযোগ সড়ক নিয়ে তৈরি হয়েছে জটিলতা।

গাজীপুর স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তরের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ এমদাদুল হক বলছিলেন, বিষয়টি আমাদের নজরে এসেছে। এটি অনূর্ধ্ব ১০০ মিটার প্রকল্প। এ প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণের জন্য কোনো অর্থের সংস্থান ছিল না।

যে কারণে এই প্রকল্পের আওতায় যতগুলো স্ক্রিম হয়েছে, সারা দেশে কোনোটার ভেতরে জমি অধিগ্রহণের সুযোগ রাখা হয়নি উল্লেখ করে তার দাবি, ওই সীমাবদ্ধতার মধ্যে নির্মাণ করা হয়েছে সেতুটি। জমি অধিগ্রহণের বিষয়ে দ্রুত সিদ্ধান্ত আসবে বলেও আশ্বাস দিলেন তিনি।

শ্রীপুরগাজীপুরসেতুমৃত্যুফাঁদ
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    ট্রাম্পের সঙ্গে তারেক রহমানের ছবি নিয়ে আলোচনা, যাচাইয়ে কী মিলছে

    ট্রাম্পের সঙ্গে তারেক রহমানের ছবি নিয়ে আলোচনা, যাচাইয়ে কী মিলছে

    ধনীর পাঙাশ গরিবের পাতে দিলেন যে বিজ্ঞানী

    ধনীর পাঙাশ গরিবের পাতে দিলেন যে বিজ্ঞানী

    বন্ধ হচ্ছে পদ্মা ব্যাংক

    বন্ধ হচ্ছে পদ্মা ব্যাংক

    ইয়েতির হাত!

    ইয়েতির হাত!

    দেবীগঞ্জে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, স্কুলশিক্ষক নিহত

    দেবীগঞ্জে দুই মোটরসাইকেলের সংঘর্ষ, স্কুলশিক্ষক নিহত

    মিরপুরের ফুটপাতে ফিরেছে স্বস্তি, হকাররা এখন কোথায়

    মিরপুরের ফুটপাতে ফিরেছে স্বস্তি, হকাররা এখন কোথায়

    ‘শেখ হাসিনাকে ভারতে নামার অনুমতি না দিলে পরিস্থিতি অন্যরকম হতো’

    ‘শেখ হাসিনাকে ভারতে নামার অনুমতি না দিলে পরিস্থিতি অন্যরকম হতো’

    তৌফিক খালিদী মোহ-নির্মোহ দ্বন্দ্বের যবনিকা

    তৌফিক খালিদী মোহ-নির্মোহ দ্বন্দ্বের যবনিকা

    যুক্তরাষ্ট্রে প্রতারণার অভিযোগে বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

    যুক্তরাষ্ট্রে প্রতারণার অভিযোগে বাংলাদেশি গ্রেপ্তার

    আবারও গরুর মাংস আমদানির দাবি, আগে কেন আটকে গিয়েছিল

    আবারও গরুর মাংস আমদানির দাবি, আগে কেন আটকে গিয়েছিল

    পুলিশকে ধমক দিলেন, হেলমেট ছুড়ে ফেললেন আখতারুজ্জামান

    পুলিশকে ধমক দিলেন, হেলমেট ছুড়ে ফেললেন আখতারুজ্জামান

    ‘সোনার ডিমপাড়া হাঁস’ বিদেশিদের পাতে!

    ‘সোনার ডিমপাড়া হাঁস’ বিদেশিদের পাতে!

    রামপাল কি সত্যিই গ্রিডে ১,৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিচ্ছে?

    রামপাল কি সত্যিই গ্রিডে ১,৩২১ মেগাওয়াট বিদ্যুৎ দিচ্ছে?

    প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে ১২০০ ইউনিট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে

    প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে ১২০০ ইউনিট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে

    আখতারুজ্জামানকে ‘বাতিল মাল’ বললেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী

    আখতারুজ্জামানকে ‘বাতিল মাল’ বললেন রাষ্ট্রপক্ষের আইনজীবী