প্রধানমন্ত্রীর বাসভবন থেকে ১২০০ ইউনিট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে
- জানালেন স্থানীয় সরকার প্রতিমন্ত্রী

প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের গুলশানের বাড়ি- ফাইল ছবি
সৌরবিদ্যুতের ব্যবহার শুধু ঘোষণাতেই সীমাবদ্ধ না রেখে নিজে তা বাস্তবায়ন শুরু করেছেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান। রাজধানীর গুলশানে প্রধানমন্ত্রীর নিজ বাসভবনের ছাদে সৌর প্যানেল স্থাপন করে উৎপাদিত বিদ্যুতের একটি অংশ নিজে ব্যবহার এবং উদ্বৃত্ত ১২০০ ইউনিট বিদ্যুৎ জাতীয় গ্রিডে সরবরাহ করা হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম।
শনিবার রাজধানীর শেরেবাংলা নগরে সমবায় ভবনে দেশের সব ইউএনও এবং উপপরিচালকদের (স্থানীয় সরকার) নিয়ে আয়োজিত ‘সৌরবিদ্যুৎ, ডেঙ্গু প্রতিরোধ ও উন্নয়ন কর্মসূচি পর্যালোচনা সভায়’ প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা জানান।
প্রতিমন্ত্রী জানালেন, গত ৩ দিনে এই সৌরবিদ্যুৎ উৎপাদন ও ব্যবহার করে প্রধানমন্ত্রী এক অনন্য দৃষ্টান্ত স্থাপন করেছেন। সমবায় ভবনসহ সব সরকারি ভবনের ছাদ ব্যবহার করে নিজস্ব চাহিদা পূরণের পাশাপাশি জাতীয় গ্রিডে বিদ্যুৎ সরবরাহের ব্যবস্থা করা হবে। এ সময় বিদ্যুৎ উৎপাদন প্রক্রিয়াকে লাভজনক বা ব্যবসায়িক দৃষ্টিভঙ্গিতে দেখার ওপরও গুরুত্ব আরোপ করেন তিনি।
সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায়মন্ত্রী ড. আবদুল মঈন খান এবং জনপ্রশাসন প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী।
আসন্ন দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে মাঠপর্যায়ে কোনো মহল যাতে পরিস্থিতি অস্থিতিশীল করতে না পারে, সে বিষয়ে ইউএনওদের সতর্ক থাকার নির্দেশ দেন মীর শাহে আলম। এ ছাড়া আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ করতে প্রশাসনকে সর্বশক্তি প্রয়োগের তাগিদ দিয়ে তিনি জানান, এ ক্ষেত্রে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা প্রদান করা হবে।
ইউএনওদের উদ্দেশে প্রতিমন্ত্রী বললেন, ‘এলাকার দুস্থ ও অসহায় মানুষ সহায়তার আশায় আপনাদের কাছে আসে। তাই প্রতিটি ইউএনওর জন্য একটি ঐচ্ছিক তহবিল থাকা জরুরি, যেখান থেকে তাৎক্ষণিকভাবে ২ হাজার থেকে ৫ হাজার টাকা সহায়তা প্রদান করা সম্ভব।’ জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় এই তহবিলের জোগান দিতে ব্যর্থ হলে স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় নিজস্ব রাজস্ব আয় থেকে বরাদ্দ দেবে বলে তিনি আশ্বাস দেন। একই সঙ্গে বিদ্যুতের নেট মিটারিং পদ্ধতি নিয়ে উপজেলা প্রশাসনের সঙ্গে সমন্বয় করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের কথা জানান তিনি।
সভায় ভূগর্ভস্থ পানির ওপর চাপ কমাতে নদী ও পুকুরের পানি পরিশোধনের মাধ্যমে নিরাপদ পানি সরবরাহ বৃদ্ধির ওপর বিশেষ জোর দেওয়া হয়।



