ঠাকুরগাঁওয়ে বিদ্যালয়ে দেওয়া দুধ খেয়ে হাসপাতালে অর্ধশত শিশু

ছবি: আগামীর সময়
বিদ্যালয়ে দুপুরের টিফিনের চলছিল মিড ডে মিলের খাবার বিতরণ। তৃতীয় থেকে পঞ্চম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের হাতে তুলে দেওয়া হয় প্যাকেটজাত দুধ। দুধ খাওয়ার কিছুক্ষণ পরই বদলে যেতে থাকে পরিবেশ। একজন, দুজন করে কয়েক শিক্ষার্থী জানাতে শুরু করে পেটব্যথার কথা। এরপর শুরু হয় বমি। পরে তাদের ভর্তি করা হয় বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে।
গতকাল সোমবার দুপুরের এ ঘটনা ঘটেছে ঠাকুরগাঁওয়ের চাড়োল ইউনিয়নের মধুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে। বালিয়াডাঙ্গীর আরও দুটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরাও অসুস্থ হয়েছে। মধ্য গোয়ালকারী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয় ও তুলশীপাড়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের কয়েক শিক্ষার্থীও পেটব্যথা ও বমির উপসর্গ নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি হয়েছে। তিনটি বিদ্যালয় মিলিয়ে হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিক্ষার্থীর সংখ্যা প্রায় অর্ধশত।
মধুপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সাফি চৌধুরী বললেন, প্যাকেটের গায়ে মেয়াদ থাকলেও ভেতরের দুধ ছিল নষ্ট। অসুস্থ শিশুদের নিয়ে হাসপাতালে আসা অভিভাবকদের চোখ-মুখেও ছিল উদ্বেগ।
বালিয়াডাঙ্গী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের মেডিকেল অফিসার নিশাত রায় জানিয়েছেন, অর্ধশত শিক্ষার্থীকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। চিকিৎসক ও নার্সরা তাদের প্রয়োজনীয় চিকিৎসা দিচ্ছেন। দুধ খেয়েই শিক্ষার্থীরা অসুস্থ কি না, পরীক্ষা-নিরীক্ষা করা প্রয়োজন।
বিদ্যালয়ে দুধ সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠান রংপুর ডেইরি অ্যান্ড ফুড প্রোডাক্টস লিমিটেড (আরডি)। বালিয়াডাঙ্গীতে দায়িত্বে থাকা আবু হেলাল জানিয়েছেন, ওই বিদ্যালয়ে ১২২টি প্যাকেট দুধ সরবরাহ করা হয়েছিল। শিক্ষার্থীদের অসুস্থ হওয়ার বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।



