উখিয়ায় রোহিঙ্গা যুবক হত্যা মামলায় গ্রেপ্তার ৭

কক্সবাজারের উখিয়ায় রোহিঙ্গা যুবক হত্যা মামলায় সাতজনকে গ্রেপ্তার করেছে আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন (এপিবিএন)।
গ্রেপ্তার হওয়া ব্যক্তিরা হলেন, মো. কাশেম (৫৫), মো. জাবের (৩২), মোছা. আয়েশা (৪০), তৈয়বা খাতুন (২৬), নাছিমা খাতুন (২২), মো. ফেরদৌস (১৯) ও মোছা. ফাতেমা (২২)। তারা সবাই উখিয়ার এফডিএমএন ক্যাম্প-১৫ এর জামতলী এলাকার বাসিন্দা।
নিহত যুবকের নাম আব্দুল হাফেজ (২০)। তিনি জামতলী ক্যাম্প-১৫-এর ব্লক-জি/৮ এলাকায় বসবাস করতেন।
৮ আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক (পুলিশ সুপার) মো. রিয়াজ উদ্দিন আহমেদ জানান, গত ২২ জুন রাতে বন্ধুদের সঙ্গে ফুটবল খেলা দেখতে বাসা থেকে বের হন হাফেজ। এরপর তার খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। গত শনিবার রাত প্রায় ৯টার দিকে ক্যাম্প-১৫-এর এইচ/৭ ব্লকের বাসিন্দা মো. রফিকের ঘরের পাশের একটি সেপটিক ট্যাংক থেকে হাফেজের মাথাবিহীন ও অর্ধগলিত মরদেহ উদ্ধার করা হয়। পরে মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য কক্সবাজার সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
নিহতের বাবা মো. নুরুজ্জুহার অভিযোগ করেন, ঘটনার রাতে কয়েকজন যুবক তার ছেলেকে তুলে নিয়ে যায়। নিখোঁজ হওয়ার দুই দিন পর তিনি ক্যাম্প ইনচার্জের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন। পরে স্থানীয়দের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ।
এ ঘটনায় উখিয়া থানায় ১৬ জনের নাম উল্লেখ করে এবং অজ্ঞাতনামা আরও দুই থেকে তিনজনকে আসামি করে হত্যা মামলা করেন নিহতের ভাই মো. জমিনুর রহমান। এরমধ্যে এজাহারভুক্ত সাতজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
পুলিশ কর্মকর্তা মো. রিয়াজের ভাষ্য, হত্যাকাণ্ডের প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটনে তদন্ত চলছে। পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। হত্যার পর মরদেহটি অন্তত ৮ থেকে ১০ দিন আগে সেপটিক ট্যাংকে ফেলে রাখা হয়েছিল বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।





