ভোটে ডেটা সেন্টারবিরোধী অবস্থান মার্কিনিদের, অর্থনীতিতে কী প্রভাব

টেক্সাসের অ্যাবিলিনে ওপেনএআই-এর ডেটা সেন্টারের নির্মাণকাজ— রয়টার্স
যুক্তরাষ্ট্রের টেক্সাস অঙ্গরাজ্যের গভর্নর নির্বাচনে বিস্ময়কর পরাজয় এবং দেশ জুড়ে ডেমোক্র্যাটদের বড় ধরনের বিজয় দেশটির ইতিহাসে সবচেয়ে বড় ব্যয়ের জোয়ারে লাগাম টেনে ধরার হুমকি তৈরি করেছে। এর ফলে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতির প্রবৃদ্ধির অন্যতম প্রধান চালিকাশক্তি ব্যাহত হতে পারে।
গোল্ডম্যান স্যাকসের তথ্য অনুযায়ী, আগামী জানুয়ারি থেকে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) অবকাঠামো নির্মাণে স্থগিতাদেশ বাড়ানো বা এর মেয়াদ বাড়ানোর পক্ষে থাকা ডেমোক্র্যাটদের নিয়ন্ত্রণাধীন অঙ্গরাজ্যগুলোয় যুক্তরাষ্ট্রের পরিকল্পিত ডেটা সেন্টার সক্ষমতার ৪৫ শতাংশ থাকবে। দেশটির পরিকল্পিত এআই অবকাঠামো সম্প্রসারণের এক-চতুর্থাংশই হতে যাচ্ছে শুধু টেক্সাসে।
এর অর্থ এই নয় যে যুক্তরাষ্ট্রে পরিকল্পিত ডেটা সেন্টারের অর্ধেকের নির্মাণকাজ আটকে যাবে। এআইয়ের চাহিদা আকাশচুম্বী। ডোনাল্ড ট্রাম্প এখনো প্রেসিডেন্ট এবং তিনি এরই মধ্যে ভেটো দেওয়ার ক্ষমতা প্রয়োগের ইঙ্গিত দিচ্ছেন। তাছাড়া, ডেমোক্র্যাট গভর্নররা চাইলেও সব ডেটা সেন্টারের নির্মাণকাজ বন্ধ করতে পারবেন না।
তবে মঙ্গলবারের নির্বাচন যুক্তরাষ্ট্রের এআই খাতে নিরবচ্ছিন্ন ব্যয়ের গতি ও গতিপথ বদলে দিতে পারে। এটি এক ধরনের নীতিগত পরিবর্তনের ইঙ্গিত দিচ্ছে। আইএনজি ব্যাংকের অর্থনীতিবিদদের হিসাব অনুযায়ী, চলতি বছর যুক্তরাষ্ট্রের মোট অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধির এক-চতুর্থাংশ পর্যন্ত এসেছে এই বিনিয়োগের জোয়ার থেকে।
এই অর্থনৈতিক সুফল এরই মধ্যে বাস্তব রূপ নিয়েছে, তৈরি হয়েছে হাজার হাজার কর্মসংস্থান। এ ছাড়া, কাজের ধরন আমূল বদলে দেওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে এআইয়ের।
তবে এআই ডেটা সেন্টার নির্মাণে গতি কমলে কিছু ইতিবাচক দিকও সামনে আসতে পারে। এতে লাগামহীন প্রবৃদ্ধি নিয়ন্ত্রণে আসতে পারে, যা মূল্যস্ফীতির পুনরুত্থানে ভূমিকা রেখেছে এবং এআই প্রযুক্তি ও এর জন্য প্রয়োজনীয় ডেটা সেন্টারের বিরুদ্ধে সাধারণ মানুষের ব্যাপক বিরূপ মনোভাব তৈরি করেছে। একই সঙ্গে ওয়াল স্ট্রিটে গুরুতর সংশয় তৈরি করা কিছু প্রশ্নবিদ্ধ ব্যবসায়িক মডেলের বিস্তারও কমতে পারে।
শেষ পর্যন্ত এই খাতে ব্যয়ের গতি কমানো এআই এবং যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতিকে আরও টেকসই পথে এগিয়ে নিতে পারে।
বন্ধুত্বের খাতিরে এক ট্রিলিয়ন ডলার!
কলাম্বিয়া বিজনেস স্কুলের অর্থনীতিবিদ স্টেইন ভ্যান নিয়ুভেনবার্গের হিসাব অনুযায়ী, এআই অবকাঠামো খাতে ব্যয় অদূর ভবিষ্যতে প্রতি বছর প্রায় ১ ট্রিলিয়ন ডলারে পৌঁছাতে পারে। যুক্তরাষ্ট্রের মোট দেশজ উৎপাদনের (জিডিপি) অনুপাতে এ ব্যয়ের পরিমাণ দেশটির আধুনিক ইতিহাসের অন্য যেকোনো বিনিয়োগের জোয়ারকে ছাড়িয়ে যাবে, এমনকি রেলপথ নির্মাণের সময়কার বিনিয়োগকেও।
মঙ্গলবারের নির্বাচনের ফল এ ব্যয়ের গতি কমিয়ে দিতে পারে। এর ফলে এআই খাতের ওপর নির্ভরশীল হাজার হাজার কর্মসংস্থান এবং বিপুল অর্থনৈতিক উন্নয়ন কার্যক্রমও বড় ধরনের প্রভাবের মুখে পড়তে পারে।
নেভাদা, জর্জিয়া, ওহাইও ও টেক্সাসে গভর্নরের আসন পেয়েছে ডেমোক্র্যাটরা। এসব অঙ্গরাজ্যে ডেটা সেন্টার নির্মাণের বিধিনিষেধ কঠোর করার প্রতিশ্রুতি দিয়েই প্রচার চালিয়েছিলেন জয়ী প্রার্থীরা। নবনির্বাচিত গভর্নরদের প্রস্তাবের মধ্যে রয়েছে করছাড় বাতিল, জলবায়ু ও বিদ্যুৎসংক্রান্ত বিধিনিষেধ কঠোর করা এবং ডেটা সেন্টার নির্মাণে স্থানীয় সরকারগুলোকে নিজস্ব স্থগিতাদেশ আরোপের ক্ষমতা দেওয়া।
তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গরাজ্য টেক্সাস। ওয়েলস ফার্গোর হিসাব অনুযায়ী, টেক্সাসে পরিকল্পিত ডেটা সেন্টার সক্ষমতা ১০ শতাংশ কমলে বড় প্রযুক্তি কোম্পানিগুলো এআই অবকাঠামো খাতে তাদের ব্যয় ১ দশমিক ৬ শতাংশ কমিয়ে দেবে। ব্যয়ের হিসাব যখন ট্রিলিয়ন ডলারে, তখন এই পরিমাণ অর্থও বিপুল।
কুলি আইন প্রতিষ্ঠানের অবকাঠামো, জ্বালানি ও আবাসনবিষয়ক বিভাগের সহপ্রধান মোনা দাজানি বলেন, এ ব্যয়ের ওপর অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় পর্যায়ের রাজনীতিকদের যথেষ্ট এখতিয়ার ও প্রভাব রয়েছে। তাদের সিদ্ধান্তে কিছু প্রকল্পের অর্থায়ন হবে কি না, তা-ও বদলে যেতে পারে।
দাজানি উল্লেখ করেন, শত শত ডেটা সেন্টার প্রকল্প এখনো অনুমোদন, বিদ্যুৎ সরবরাহ কিংবা কর-সুবিধার অপেক্ষায় রয়েছে। এসব প্রকল্প বিশেষভাবে ঝুঁকির মুখে পড়তে পারে। এমনকি যেসব প্রকল্পের নির্মাণকাজ চলছে, সেগুলোও হুমকির মুখে পড়তে পারে। টেক্সাসের আইনে কিছু প্রকল্পের অনুমোদন আগের নিয়মেই বহাল রাখার ব্যবস্থা রয়েছে। ফলে স্থানীয় পর্যায়ে অনুমোদনসংক্রান্ত ভবিষ্যৎ পরিবর্তন থেকে সেগুলো সুরক্ষা পায়। তবে অঙ্গরাজ্য পর্যায়ের অনুমোদনসংক্রান্ত পরিবর্তন কিংবা বিদ্যুৎ সরবরাহের নিশ্চয়তার বিষয়টি এতে সুরক্ষিত হয় না। নবনির্বাচিত গভর্নর জিনা হিনোজোসা এসব নিশ্চয়তা বাতিল করতে পারেন।
দাজানি বলেছেন, অনুমোদনের জন্য অপেক্ষা করতে গিয়ে এআই কোম্পানিগুলোর ব্যয় উল্লেখযোগ্য হারে বেড়ে যেতে পারে। প্রকল্পের কাজ স্থগিত থাকলেও ঋণের সুদ, যন্ত্রপাতি কেনার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ ব্যয় এবং বিদ্যুৎ সরবরাহের খরচ বাড়তেই থাকবে। একপর্যায়ে বিদ্যমান প্রকল্পগুলো আর্থিকভাবে লাভজনক না-ও থাকতে পারে।
এমনটা হলে এআই কোম্পানিগুলো তাদের প্রত্যাশিত চাহিদা মেটাতে দ্রুত ডেটা সেন্টার নির্মাণের জন্য এরই মধ্যে যে চাপের মধ্যে রয়েছে, তা আরও বাড়বে। ফলে বিপুল ব্যয়ের যে লক্ষ্যমাত্রা তারা নির্ধারণ করেছে, তা পূরণ করা কঠিন হয়ে পড়তে পারে।
কার্নেগি মেলন ইনস্টিটিউট ফর স্ট্র্যাটেজি অ্যান্ড টেকনোলজির গবেষণা পরিচালক হ্যারি ক্রেইসা বললেন, ‘এটি বিরল একটি পরিস্থিতি, যেখানে অঙ্গরাজ্য ও স্থানীয় পর্যায়ের নেতাদের ভূরাজনৈতিক গুরুত্বসম্পন্ন বিষয়ে প্রভাব বিস্তারের সুযোগ রয়েছে।’
টেকসই নয় এমন প্রবৃদ্ধি
ডেটা সেন্টার শুধু ডেমোক্র্যাটদের ইস্যু নয়। ডেটা সেন্টার নির্মাণে নিয়ন্ত্রণ আরোপের বিষয়ে দলমত-নির্বিশেষে মার্কিনদের মধ্যে ঐকমত্যের ইঙ্গিত পাওয়া গেছে।
টেক্সাসের রিপাবলিকান গভর্নর গ্রেগ অ্যাবট আগেই ডেটা সেন্টার নির্মাণে একটি স্থগিতাদেশ দিয়েছিলেন। আইনপ্রণেতারা এআই বিষয়ে আরও কঠোর বিধিনিষেধ প্রণয়ন না করা পর্যন্ত সেই স্থগিতাদেশের মেয়াদ বাড়ানোর প্রতিশ্রুতি দিয়েই প্রচার চালিয়েছিলেন হিনোজোসা।
তবে এআইয়ের প্রবৃদ্ধি ও ব্যয় নিয়ন্ত্রণের যেকোনো প্রচেষ্টার বিরোধিতা করেছেন ট্রাম্প। অর্থনৈতিক ও জাতীয় নিরাপত্তার যুক্তি তুলে ধরে তিনি এ অবস্থান নিয়েছেন। বিশেষ করে চীনের সঙ্গে গুরুত্বপূর্ণ প্রতিযোগিতার বিষয়টি সামনে এনেছেন তিনি। এআই নিয়ন্ত্রণে সমর্থন জানাতে পারতেন এমন অনেক রিপাবলিকান রাজনীতিকও নীরব থেকেছেন। এর মধ্যে ডেটা সেন্টার নির্মাণের কাঠামোসংক্রান্ত বিধিনিষেধের বিষয়টিও রয়েছে।
তবে এআই অবকাঠামো সম্প্রসারণ যে টেকসই নয়, এমন পথে এগোচ্ছে, তার প্রমাণও রয়েছে।
স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটির এআই ইনডেক্স প্রতিবেদনের তথ্য অনুযায়ী, গত বছরের শেষ নাগাদ যুক্তরাষ্ট্রে ডেটা সেন্টারের সংখ্যা ছিল ৫ হাজার ৪২৭টি। ডেটা সেন্টারবিষয়ক গবেষণা প্রতিষ্ঠান অ্যাটেরিওর তথ্য অনুযায়ী, এআই কোম্পানিগুলো যুক্তরাষ্ট্রে নতুন ৩ হাজার ৯৬৯টি ডেটা সেন্টার নির্মাণের পরিকল্পনা ঘোষণা করেছে। তবে এর মধ্যে মাত্র ৮০০টির মতো প্রকল্পের নির্মাণকাজ চলছে। ঘোষিত অনেক প্রকল্পের বাস্তবায়নযোগ্যতা নিয়েও সংশয় প্রকাশ করেছেন এআই বিশেষজ্ঞরা।
মঙ্গলবারের নির্বাচনের ফল বিনিয়োগের গতি কমিয়ে দিলে এই শিল্পের অতিরিক্ত ব্যয়ের কিছুটা লাগাম টানা সম্ভব হতে পারে।
এর একটি উদাহরণ কোরউইভ। কম্পিউটিং সক্ষমতা ভাড়া দেওয়ার ব্যবসা করে এই ‘নিওক্লাউড’ প্রতিষ্ঠান। সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানটি এত বিপুল লোকসানের পূর্বাভাস দিয়েছে যে, এর বন্ডের সুদের হার বেড়ে ১৫ শতাংশে পৌঁছেছে, যা বিপজ্জনক পর্যায় হিসেবে বিবেচিত। বিষয়টি বিশেষভাবে উদ্বেগজনক, কারণ প্রতিষ্ঠানটির বিনিয়োগ থেকে প্রত্যাশিত মুনাফার হার মাত্র ৯ শতাংশের কাছাকাছি।
অর্থাৎ, ডেটা সেন্টারের সক্ষমতা বাড়াতে কোরউইভ যে প্রতিটি ডলার ব্যয় করছে, তাতেই লোকসান হচ্ছে প্রতিষ্ঠানটির।
অ্যামাজন, গুগল, মেটা ও মাইক্রোসফটের মতো বিপুল অর্থসম্পদ থাকা বৃহৎ ক্লাউড সেবা প্রতিষ্ঠানগুলোর অবশ্য এই সমস্যা নেই। তবে সাম্প্রতিক সপ্তাহগুলোয় এসব কোম্পানির শেয়ারের দামেও বড় ধাক্কা লেগেছে। বিনিয়োগকারীরা এমন ব্যয়ের পরিমাণ নিয়ে অধৈর্য হয়ে উঠছেন, যা তাদের দৃষ্টিতে টেকসই নয় এবং যার মুনাফা পেতে কয়েক বছর লেগে যেতে পারে।
সামনে এগোনোর পথ
আরএসএম ইউএসের প্রধান অর্থনীতিবিদ জো ব্রুসুয়েলাস বলেছেন, ‘এআই খাত এখানে কিছুটা স্বস্তির সুযোগ পাচ্ছে।’
ব্রুসুয়েলাসের ধারণা, এআই খাতে বিনিয়োগের গতি কমলে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি গত প্রান্তিকের ৩ দশমিক ৪ শতাংশ থেকে কমে ২ দশমিক ৪ শতাংশের কাছাকাছি নেমে আসতে পারে। তবে দীর্ঘ মেয়াদে এটিও শক্তিশালী প্রবৃদ্ধি। তাছাড়া, যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনীতি বিশাল ও বহুমুখী। ডেটা সেন্টারে যে বিনিয়োগ হওয়ার কথা ছিল, তা অন্য খাতেও যেতে পারে।
ব্রুসুয়েলাস বলেন, ‘প্রবৃদ্ধির গতি কমছে, তবে এর অর্থ এই নয় যে আমরা মন্দার মুখে পড়তে যাচ্ছি।’
এ পরিস্থিতি এআই কোম্পানিগুলোর জন্য ভবিষ্যতে ডেটা সেন্টার সম্প্রসারণের পরিকল্পনা নতুন করে সাজানোর এবং আরও টেকসই পথে এগিয়ে যাওয়ার সুযোগও তৈরি করছে।
ডেটা সেন্টার নির্মাণে অপরিকল্পিত ও তাড়াহুড়োর পদ্ধতির কারণে অনেক অকার্যকর প্রকল্পে বিপুল অর্থ অপচয় হয়েছে। সবার আগে ও সবচেয়ে বড় হওয়ার তীব্র প্রতিযোগিতার পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হিসেবে এমনটা ঘটেছে। ঝুঁকি পরামর্শক প্রতিষ্ঠান মার্শের বৈশ্বিক ডিজিটাল অবকাঠামো বিভাগের প্রধান মাইক ম্যাথিউসের তথ্য অনুযায়ী, ডেটা সেন্টার প্রকল্পগুলোয় এরই মধ্যে ২০০ বিলিয়ন ডলারের কাজ বিলম্বিত হয়েছে।
আরও যৌক্তিক ও রাজনৈতিক বাস্তবতা সংবেদনশীল পদ্ধতি গ্রহণ করা হলে যেসব এলাকায় ডেটা সেন্টার গড়ে উঠছে, সেখানকার জনগোষ্ঠী এবং এআই কোম্পানি—উভয়পক্ষই দীর্ঘ মেয়াদে লাভবান হতে পারে।
এর নজিরও রয়েছে। গত দশকে গুগলের মতো কোম্পানিগুলো ক্লাউড কম্পিউটিং বিপ্লবের জন্য ডেটা সেন্টার গড়ে তুলেছিল। তখন তারা নবায়নযোগ্য জ্বালানি ব্যবহার করে টেকসই উপায়ে এসব কেন্দ্র নির্মাণের প্রতিশ্রুতি দিয়েছিল, এমনকি যখন তা ব্যয়সাশ্রয়ী ছিল না। একই ধরনের জনগোষ্ঠীকেন্দ্রিক পদ্ধতি এআই কোম্পানিগুলোকে প্রয়োজনীয় কম্পিউটিং সক্ষমতা দিতে পারে। পাশাপাশি দীর্ঘ মেয়াদে ডেটা সেন্টার পরিচালনার জন্য রাজনৈতিক ও সামাজিক গ্রহণযোগ্যতাও তৈরি করতে পারে।
ক্রেইসা বললেন, ‘প্রবাদেই আছে, দ্রুত এগোতে চাইলে একা চলতে হয়, আর দূরে যেতে চাইলে সবাইকে সঙ্গে নিতে হয়। নিজ দেশে কার্যক্রম পরিচালনার রাজনৈতিক অনুমোদন যদি আপনারা নষ্ট করেন, তাহলে চীনের সঙ্গে প্রতিযোগিতায় টিকে থাকার ক্ষেত্রে সেটিই আরও বড় বাধা হয়ে দাঁড়াবে।’
সূত্র: সিএনএন








