ডোনাল্ড ট্রাম্প
ইরানকে চুক্তিতে আসতেই হবে, একমত চীন-যুক্তরাষ্ট্র

বেইজিংয়ের ঝংনানহাই গার্ডেন পরিদর্শন শেষে বেরোনোর সময় শি জিনপিংয়ের সঙ্গে ট্রাম্পের আলাপ- রয়টার্স
ইরানকে নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ট্রাম্পের ধৈর্যের সীমা শেষের দিকে। এমনটাই মন্তব্য করেছেন তিনি। একই সঙ্গে চীনের প্রেসিডেন্ট শি জিনপিংয়ের সঙ্গে আলোচনায় তিনি একমত হয়েছেন, তেহরানকে কোনোভাবেই পারমাণবিক অস্ত্র অর্জনের সুযোগ দেওয়া যাবে না এবং আবার খুলতে হবে হরমুজ প্রণালি।
যুক্তরাষ্ট্র-চীন শীর্ষ সম্মেলনের আনুষ্ঠানিক চুক্তিগুলো এখনো প্রকাশ না হওয়ায় ট্রাম্পের মন্তব্য থেকে স্পষ্ট হয়নি যে ইরানি তেলের প্রধান ক্রেতা চীন তেহরানের ওপর প্রভাব খাটিয়ে এমন একটি সংঘাত বন্ধ করতে উদ্যোগ নেবে কি না, যা বেইজিংয়ের মতে কখনোই শুরু হওয়া উচিত ছিল না।
শুক্রবার বেইজিংয়ে শি জিনপিংয়ের সঙ্গে দ্বিতীয় দিনের বৈঠকের পর ট্রাম্প বলেছেন, ‘আমরা এমন অনেক সমস্যা সমাধান করেছি, যা অন্য কেউ করতে পারত না।’ আলোচনায় উঠে আসে ইরান যুদ্ধ, তাইওয়ান, বাণিজ্যসহ বিভিন্ন বিষয়।
শি জিনপিং ইরান প্রসঙ্গে ট্রাম্পের সঙ্গে তার আলোচনার বিষয়ে সরাসরি কোনো মন্তব্য করেননি। তবে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে ইরান যুদ্ধ নিয়ে বেইজিংয়ের হতাশা তুলে ধরে স্পষ্টভাবে।
মন্ত্রণালয় বলেছে, ‘এই সংঘাত, যা কখনোই হওয়া উচিত ছিল না, চালিয়ে যাওয়ারও কোনো কারণ নেই।’
গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার জবাবে ইরান কার্যত অধিকাংশ জাহাজ চলাচলের জন্য হরমুজ প্রণালি বন্ধ করে দেয়। ফলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহে সৃষ্টি হয় নজিরবিহীন বিঘ্ন।




