কিউবায় চাপ বাড়াতে যুক্তরাষ্ট্রের নতুন চাল, ক্ষুব্ধ চীন-রাশিয়া

সংগৃহীত ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের পদক্ষেপকে কেন্দ্র করে কিউবাকে ঘিরে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা ঘোষণার পর ওয়াশিংটনের কড়া সমালোচনা করেছে চীন ও রাশিয়া। বেইজিং একে ‘বিচারব্যবস্থার অপব্যবহার’ বলছে, আর কিউবার প্রতি পূর্ণ সমর্থন অব্যাহত রাখার ঘোষণা দিয়েছে মস্কো।
চীন বৃহস্পতিবার বলেছে, সাবেক কিউবান প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়েরের মাধ্যমে যুক্তরাষ্ট্র ‘বিচারব্যবস্থার অপব্যবহার’ করছে এবং কিউবার ওপর চাপ সৃষ্টি করছে। এর তীব্র বিরোধিতা করে বেইজিং।
বৃহস্পতিবার নিয়মিত সংবাদ সম্মেলনে চীনের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র গুও জিয়াকুন সাংবাদিকদের বললেন, ‘যুক্তরাষ্ট্রের উচিত কিউবার বিরুদ্ধে দমন-পীড়নের হাতিয়ার হিসেবে নিষেধাজ্ঞা ও বিচারব্যবস্থা ব্যবহার বন্ধ করা এবং যেকোনো সময় শক্তি প্রয়োগের হুমকি দেওয়া থেকে বিরত থাকা।’
রাশিয়াও বৃহস্পতিবার বলেছে, যুক্তরাষ্ট্র কিউবাকে ভয়ভীতি দেখানো এবং কমিউনিস্টশাসিত দ্বীপরাষ্ট্রটির ওপর ‘নিষেধাজ্ঞার ফাঁস’ আরও শক্ত করার চেষ্টা চালালেও সক্রিয়ভাবে হাভানাকে সমর্থন দিয়ে যাবে মস্কো।
বুধবার যুক্তরাষ্ট্র সাবেক প্রেসিডেন্ট রাউল কাস্ত্রোর বিরুদ্ধে হত্যা মামলার কথা ঘোষণা করে। ১৯৫৯ সালে প্রয়াত ফিদেল কাস্ত্রোর নেতৃত্বে বিপ্লবের পর থেকে কিউবায় ক্ষমতায় রয়েছে কমিউনিস্টরা। কিউবার বিরুদ্ধে ওয়াশিংটনের অভিযানের বড় ধরনের উত্তেজনা বৃদ্ধি হিসেবে দেখা হচ্ছে এই পদক্ষেপকে।
রুশ পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মারিয়া জাখারোভা সাংবাদিকদের বলেছেন, ‘এই অত্যন্ত কঠিন সময়ে আমরা ভ্রাতৃপ্রতিম কিউবান জনগণকে সবচেয়ে সক্রিয় সমর্থন দিয়ে যাব।’
তিনি আরও বলেছেন, ‘কিউবার প্রতি পূর্ণ সংহতি পুনর্ব্যক্ত করছি এবং একটি সার্বভৌম রাষ্ট্রের অভ্যন্তরীণ বিষয়ে নগ্ন হস্তক্ষেপ, ভয়ভীতি প্রদর্শন, অবৈধ একতরফা নিষেধাজ্ঞা, হুমকি ও ব্ল্যাকমেইলের যেকোনো প্রচেষ্টার তীব্র নিন্দা জানাই আমরা।’
তবে রাশিয়া কী ধরনের সহায়তা দেবে, সে বিষয়ে বিস্তারিত কিছু জানাননি জাখারোভা।




