ইরান চুক্তি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেবেন ট্রাম্প

সংগৃহীত ছবি
ইরানের সঙ্গে সম্ভাব্য চুক্তি নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নিতে আজ শুক্রবার হোয়াইট হাউসের সিচুয়েশন রুমে বৈঠকে বসছেন যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে এ তথ্য জানিয়েছেন তিনি।
তার পোস্টে সম্ভাব্য চুক্তির কয়েকটি প্রধান শর্ত তুলে ধরেছেন ট্রাম্প। এর মধ্যে রয়েছে, কখনো পারমাণবিক অস্ত্র তৈরি করবে না বলে অঙ্গীকার করবে ইরান, পুনরায় খুলে দেওয়া হবে হরমুজ প্রণালী, অপসারণ করা হবে সমুদ্রপথে পাতা মাইন এবং ইরানের উচ্চমাত্রায় সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম সরিয়ে ধ্বংস করা হবে যুক্তরাষ্ট্রের তত্ত্বাবধানে।
তার ভাষ্য, ইতোমধ্যে সমুদ্রের বেশ কিছু মাইন ধ্বংস করেছে যুক্তরাষ্ট্র এবং অবশিষ্ট মাইন দ্রুত সরিয়ে ফেলবে ইরান। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের নৌ অবরোধও প্রত্যাহার করা হবে।
ট্রাম্প আরও বলেছেন, ‘পরবর্তী নির্দেশ না দেওয়া পর্যন্ত কোনো অর্থ লেনদেন হবে না।’ তার দাবি, তুলনামূলক কম গুরুত্বপূর্ণ আরও কিছু বিষয়ে দুই পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয়েছে।
পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, ‘আমি এখন সিচুয়েশন রুমে বৈঠকে যাচ্ছি, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার জন্য।’
চলমান যুদ্ধবিরতির মেয়াদ আরও ৬০ দিন বাড়ানোর বিষয়েও যুক্তরাষ্ট্র ও ইরান নীতিগতভাবে একমত হয়েছে বলে জানা গেছে বিভিন্ন সূত্রে। তবে এখনো কোনো পক্ষ আনুষ্ঠানিক ঘোষণা দেয়নি।
যুক্তরাষ্ট্রের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেডি ভ্যান্স জানিয়েছেন, যুদ্ধবিরতির মেয়াদ বাড়ানোর বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত অনুমোদন দেননি ট্রাম্প।
অন্যদিকে ইরানের সংবাদ সংস্থা তাসনিম সমঝোতা আলোচনা সম্পর্কে অবগত একটি সূত্রের বরাত দিয়ে জানিয়েছে, আলোচনা অনেক দূর এগোলেও যুদ্ধবিরতির শর্ত এখনো পুরোপুরি চূড়ান্ত হয়নি।
ইরানের স্থানীয় সংবাদমাধ্যমগুলোর দাবি, তেহরানের আনুষ্ঠানিক ঘোষণার আগে কোনো চুক্তি কার্যকর হবে না। তাদের মতে, ট্রাম্প একতরফাভাবে ঘোষণা দিলেই কার্যকর হবে না যুদ্ধবিরতি।






