Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
গরিবের ডাক্তার খুরশীদ আলম
বৃহস্পতিবার, ১ অক্টোবর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

আগামীর সময় ভারত

যে হাতে লাঠির দাগ, সে হাতেই কলঙ্কের কালি

প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদী ছাত্রনেতা ধর্মেন্দ্রই আজ প্রশ্নফাঁসের নায়ক

আগামীর সময় প্রতিবেদক
agamir somoy
প্রকাশ: ২৩ জুলাই ২০২৬, ০১:০৫
প্রশ্নফাঁসের প্রতিবাদী ছাত্রনেতা ধর্মেন্দ্রই আজ প্রশ্নফাঁসের নায়ক

ভারতের শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধান। ছবি: সংগৃহীত

সময়ের এক অদ্ভুত পরিক্রমা। প্রায় তিন দশক আগে পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগের বিরুদ্ধে ছাত্রদের নিয়ে রাজপথে নেমেছিলেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। পুলিশের লাঠিচার্জে আহতও হয়েছিলেন তৎকালীন ছাত্রনেতা। আজ সেই ধর্মেন্দ্র প্রধানই ভারতের শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ, ছাত্র আন্দোলন এবং শিক্ষা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা নিয়ে তীব্র চাপের মুখে।

১৯৯৭ সালে ওডিশার রাজনীতিতে তখন তরুণ মুখ ধর্মেন্দ্র প্রধান। অখিল ভারতীয় বিদ্যার্থী পরিষদের (এবিভিপি) সক্রিয় নেতা হিসেবে তিনি ছাত্র আন্দোলনের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। সে সময় ওডিশায় একটি সরকারি নিয়োগ পরীক্ষার প্রশ্নফাঁসের অভিযোগ ওঠে। অভিযোগের প্রতিবাদে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী জানকী বল্লভ পট্টনায়কের সরকারের বিরুদ্ধে আন্দোলনে নামেন তিনি।

ভুবনেশ্বরে ওডিশা সচিবালয়ের সামনে শিক্ষার্থীদের নিয়ে বিক্ষোভে নেতৃত্ব দেন ধর্মেন্দ্র প্রধান। আন্দোলন দমনে পুলিশ লাঠিচার্জ করলে তিনি আহত হন। ওই ঘটনা তাঁকে ওডিশার ছাত্ররাজনীতিতে পরিচিত মুখ করে তোলে। পরে সেই ছাত্র রাজনীতির পথ ধরেই তিনি বিজেপির জাতীয় রাজনীতিতে উঠে আসেন।

কিন্তু তিন দশক পর পরিস্থিতি বদলে গেছে। একসময় যে প্রশ্নফাঁসের বিরুদ্ধে তিনি আন্দোলন করেছিলেন, এখন সেই একই অভিযোগের জবাবদিহির মুখে তাঁকেই দাঁড়াতে হচ্ছে দেশের শিক্ষামন্ত্রী হিসেবে।

কী এই ‘ককরোচ জনতা পার্টি’?

ভারতের সাম্প্রতিক ছাত্র আন্দোলনের অন্যতম আলোচিত নাম ককরোচ জনতা পার্টি বা সিজেপি। নাম শুনে রাজনৈতিক দল মনে হলেও এটি কোনো নির্বাচন কমিশন-স্বীকৃত দল নয়। এটি মূলত একটি ব্যঙ্গাত্মক প্রতিবাদী আন্দোলন, যা তরুণদের ক্ষোভ, পরীক্ষাব্যবস্থার অনিয়ম, বেকারত্ব এবং ভবিষ্যৎ নিয়ে অনিশ্চয়তার প্রতীক হিসেবে সামনে এসেছে।

এই নামের পেছনেও রয়েছে একটি প্রতিবাদের গল্প। আন্দোলনকারীরা দাবি করেন, দেশের তরুণদের নিয়ে অবমাননাকর মন্তব্যের প্রতিবাদ থেকেই ‘ককরোচ’ নামটিকে তাঁরা নিজেদের প্রতীকে পরিণত করেছেন। তাঁদের বক্তব্য, বারবার অনিয়ম, দুর্নীতি ও ব্যর্থতার মধ্যেও তরুণরা টিকে আছে, ঠিক যেমন কঠিন পরিস্থিতিতেও টিকে থাকে তেলাপোকা।

আন্দোলনের মুখ্য ব্যক্তি হিসেবে উঠে এসেছেন অভিজিৎ দীপকে। তাঁর নেতৃত্বে শুরু হওয়া এই ব্যঙ্গাত্মক উদ্যোগ দ্রুত সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং পরে দিল্লির যন্তরমন্তরসহ বিভিন্ন জায়গায় বড় বিক্ষোভে রূপ নেয়।

কেন উত্তাল ভারত?

এই আন্দোলনের কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছে নিট-ইউজি পরীক্ষা। ভারতে মেডিকেলে ভর্তির জন্য সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ এই পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস ও অনিয়মের অভিযোগ ওঠার পর শিক্ষার্থীদের মধ্যে ব্যাপক ক্ষোভ তৈরি হয়।

অভিযোগকারীদের দাবি, কয়েক বছর ধরেই ভারতের বিভিন্ন প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষায় প্রশ্নফাঁস, ফল প্রকাশে অনিয়ম এবং পরীক্ষাব্যবস্থার দুর্বলতা নিয়ে অভিযোগ উঠছে। নিটের মতো পরীক্ষায় এমন অভিযোগ শিক্ষার্থীদের মধ্যে আরও বেশি উদ্বেগ তৈরি করেছে, কারণ এই পরীক্ষার সঙ্গে লক্ষ লক্ষ তরুণের ভবিষ্যৎ জড়িয়ে থাকে।

আন্দোলনকারীরা শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ, পরীক্ষাব্যবস্থার সংস্কার এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানাচ্ছেন। দিল্লির যন্তরমন্তরে অবস্থান বিক্ষোভ, মিছিল এবং বিভিন্ন কর্মসূচির মাধ্যমে তাঁরা চাপ বাড়াচ্ছেন।

‘ককরোচ’ আন্দোলনের বিস্তার

প্রথমে নিট প্রশ্নফাঁস ইস্যুকে কেন্দ্র করে শুরু হলেও ধীরে ধীরে আন্দোলনটি বৃহত্তর যুব অসন্তোষের রূপ নিয়েছে। চাকরির সংকট, সরকারি পরীক্ষার অনিশ্চয়তা এবং দীর্ঘদিনের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষার চাপও এই ক্ষোভের সঙ্গে যুক্ত হয়েছে।

আন্দোলনের সমর্থকেরা বলছেন, সমস্যা শুধু একটি পরীক্ষার নয়, বরং পুরো ব্যবস্থার প্রতি আস্থার সংকট। তাঁদের অভিযোগ, একজন শিক্ষার্থী বছরের পর বছর প্রস্তুতি নেওয়ার পর যদি প্রশ্নফাঁস বা অনিয়মের কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হন, তাহলে তাঁর ভবিষ্যৎ অনিশ্চিত হয়ে পড়ে।

তবে সরকার বলছে, অনিয়মের অভিযোগ খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং পরীক্ষাব্যবস্থায় প্রয়োজনীয় সংস্কারের পদক্ষেপ নেওয়া হবে। ধর্মেন্দ্র প্রধান বিরোধীদের অভিযোগকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিত বলে মন্তব্য করেছেন এবং সংসদে বিষয়টি নিয়ে আলোচনায় প্রস্তুতির কথাও জানিয়েছেন।

ধর্মেন্দ্র প্রধানের ‘খুঁটির জোর’ কোথায়?

ভারতের রাজনীতিতে ধর্মেন্দ্র প্রধানকে শক্তিশালী নেতা হিসেবে বিবেচনা করা হয় তাঁর দীর্ঘ সাংগঠনিক অভিজ্ঞতা ও বিজেপির কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের সঙ্গে ঘনিষ্ঠতার কারণে।

ছাত্রজীবন থেকেই তিনি রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) ছাত্র সংগঠন এবিভিপির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন। পরে বিজেপির যুব সংগঠন, সাংগঠনিক দায়িত্ব এবং নির্বাচনী ব্যবস্থাপনায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন। তিনি বিজেপির জাতীয় সাধারণ সম্পাদক, বিভিন্ন রাজ্যের নির্বাচনী দায়িত্বপ্রাপ্ত নেতা এবং কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব পালন করেছেন।

বিশেষ করে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহের নেতৃত্বাধীন বিজেপির শীর্ষ মহলে তাঁর গ্রহণযোগ্যতা রয়েছে বলে মনে করা হয়। ২০১৪ সালের পর বিজেপির সাংগঠনিক বিস্তারে তিনি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেন।

পেট্রোলিয়াম, ইস্পাত এবং দক্ষতা উন্নয়ন মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব সামলানোর পর ২০২১ সালে তাঁকে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্ব দেওয়া হয়। এরপর থেকে জাতীয় শিক্ষানীতি, পরীক্ষাব্যবস্থা ও শিক্ষা সংস্কারের মতো গুরুত্বপূর্ণ বিষয় তাঁর মন্ত্রণালয়ের অধীনে রয়েছে।

এই রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা ও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বের আস্থাই তাঁর বড় শক্তি। তবে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বে থাকায় পরীক্ষাব্যবস্থা নিয়ে যে কোনো বড় বিতর্ক সরাসরি তাঁর রাজনৈতিক অবস্থানকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে।

তিন দশকের ব্যবধান, একই প্রশ্ন

১৯৯৭ সালে ধর্মেন্দ্র প্রধান ছিলেন রাস্তায় নামা এক ছাত্রনেতা। হাতে ছিল প্রতিবাদের পতাকা। তিন দশক পর তিনি সেই একই ব্যবস্থার দায়িত্বে থাকা মন্ত্রী।

সময় বদলেছে, ভূমিকা বদলেছে, কিন্তু প্রশ্নটি একই রয়েছে–পরীক্ষাব্যবস্থায় স্বচ্ছতা কীভাবে ফিরবে?

ভারতের বর্তমান ছাত্র আন্দোলন তাই শুধু ধর্মেন্দ্র প্রধানের বিরুদ্ধে ক্ষোভ নয়, বরং দেশের প্রতিযোগিতামূলক পরীক্ষাব্যবস্থা নিয়ে তরুণ প্রজন্মের গভীর উদ্বেগের বহিঃপ্রকাশ।

ভারতধর্মেন্দ্র প্রধানককরোচ জনতা পার্টি
    আগামীর সময় ইপেপার
    শেয়ার করুন:
    শ্রমিক দল নেতার বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ, ১৭ জনের নামে মামলা

    শ্রমিক দল নেতার বাড়িতে ককটেল বিস্ফোরণ, ১৭ জনের নামে মামলা

    চট্টগ্রাম দক্ষিণের আহ্বায়ক কমিটিকে ‘লালকার্ড দেখাচ্ছেন’ বিএনপির এমপিরা

    চট্টগ্রাম দক্ষিণের আহ্বায়ক কমিটিকে ‘লালকার্ড দেখাচ্ছেন’ বিএনপির এমপিরা

    এমপি নজরুলের সঙ্গে মরিয়মের পরিবারের আপস!

    এমপি নজরুলের সঙ্গে মরিয়মের পরিবারের আপস!

    নারীদের সঙ্গে ‘অবাধ বিচরণ’-চুরির অভিযোগে আম্মারকে অব্যাহতি দেয় শিবির

    নারীদের সঙ্গে ‘অবাধ বিচরণ’-চুরির অভিযোগে আম্মারকে অব্যাহতি দেয় শিবির

    শেখ মুজিব হলের নামফলক থেকে মুছে যাচ্ছে ওসমান হাদির নাম

    শেখ মুজিব হলের নামফলক থেকে মুছে যাচ্ছে ওসমান হাদির নাম

    চাকরিতে পুলিশ ভেরিফিকেশনের বিধি মানে না কোনো সরকারই

    চাকরিতে পুলিশ ভেরিফিকেশনের বিধি মানে না কোনো সরকারই

    পাবিপ্রবিতে খাতা মূল্যায়নে ‘কোডিং সিস্টেম’ চালু

    পাবিপ্রবিতে খাতা মূল্যায়নে ‘কোডিং সিস্টেম’ চালু

    শাবিপ্রবিতে ৬ পদের বিপরীতে ৬ গুণ শিক্ষক নিয়োগ

    শাবিপ্রবিতে ৬ পদের বিপরীতে ৬ গুণ শিক্ষক নিয়োগ

    ফ্লাইটে ‘লালসালু’ ও ‘চিত্রা নদীর পারে’ দেখানো বন্ধ, যা বলছে বিমান

    ফ্লাইটে ‘লালসালু’ ও ‘চিত্রা নদীর পারে’ দেখানো বন্ধ, যা বলছে বিমান

    শ্রীমঙ্গলে কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

    শ্রীমঙ্গলে কিশোরীকে অপহরণের পর ধর্ষণের অভিযোগ, গ্রেপ্তার ৩

    ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, এমপি মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ

    ক্ষুব্ধ প্রধানমন্ত্রী, এমপি মিষ্টিকে পদত্যাগের নির্দেশ

    ঠাঁই নাই ঠাঁই নাই চট্টগ্রামের ১২ কারাগারে

    ঠাঁই নাই ঠাঁই নাই চট্টগ্রামের ১২ কারাগারে

    অকালে ঝরে যাওয়া এক সুরেলা স্বপ্ন

    অকালে ঝরে যাওয়া এক সুরেলা স্বপ্ন

    মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে দুই দফা ইনজেকশন, তবুও বেঁচে রইলেন নারী

    মৃত্যুদণ্ড কার্যকরে দুই দফা ইনজেকশন, তবুও বেঁচে রইলেন নারী

    কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব

    কনটেন্ট ক্রিয়েটর সালমান মুক্তাদিরের ব্যাংক হিসাব তলব