ফিফার ড্রিম ইলেভেন
নেই সিমন-ইয়ামাল

ফিফার ড্রিম ইলেভেন
এবারের বিশ্বকাপে শুধু এক গোল হজম করেছেন উনাই সিমন। স্পেনকে বিশ্বকাপ জেতাতে রেখেছেন গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা। তারপরও ফিফার ‘ড্রিম ইলেভেনে’ জায়গা হলো না তার। বিশ্বজোড়া সমর্থকদের ভোটে গড়া হয়েছে এই একাদশ। সেই দলে গোল্ডেন গ্লাভস জেতা উনাই সিমনের জায়গায় সুযোগ পেয়েছেন কেপ ভার্দের ভোজিনহা। টুর্নামেন্ট জুড়ে ১৮টি সেভ করা এই গোলকিপার পেয়েছেন সর্বোচ্চ ৩৯.৫ শতাংশ ভোট।
২০১০ সালে ফিফার সেরা একাদশে সুযোগ পেয়েছিলেন শিরোপা জেতা স্পেনের পাঁচজন। তবে এবার রয়েছেন শুধু তিনজন— পেদ্রো পোরো, মার্ক কুকুরেয়া ও রোদ্রি। ব্যালন ডি’অরের অন্যতম দাবিদার লামিন ইয়ামালও জায়গা পাননি এই দলে।
গোল্ডেন বলের লড়াইটা ছিল লিওনেল েমসি ও রোদ্রির। সেখানে রোদ্রি জিতলেও সেরা একাদশে তার চেয়ে বেশি ভোট পেয়ে জায়গা করে নিয়েছেন মেসি। রোদ্রির ভোট ১৫.৩৪ আর মেসির ২২.১৭ শতাংশ। ৮ গোল ও ৪ অ্যাসিস্টের জন্য ভক্তদের বেশি সমর্থন মেসির দিকেই। একাদশে মেসির সঙ্গে অন্য দুই ফরোয়ার্ড আর্লিং হলান্ড ও গোল্ডেন বুটজয়ী কিলিয়ান এমবাপ্পে।
বিশ্বকাপে তৃতীয় হলেও স্পেনের সমান তিনজন জায়গা পেয়েছেন ফ্রান্সের কিলিয়ান এমবাপ্পে, মাইকেল ওলিসে ও দাইয়ু উপামেকানো।
আর্জেন্টিনার মেসি ছাড়াও রয়েছেন ডিফেন্ডার লিসান্দ্রো মার্তিনেস। এই একাদশের সবচেয়ে কম ১০.২৫ শতাংশ ভোট পেয়েছেন মার্তিনেস।
সেরা একাদশ: ভোজিনহা (কেপ ভার্দে); পেদ্রো পোরো (স্পেন), লিসান্দ্রো মার্তিনেস (আর্জেন্টিনা), দাইয়ু উপামেকানো (ফ্রান্স), মার্ক কুকুরেয়া (স্পেন); রোদ্রি (স্পেন), মাইকেল ওলিসে (ফ্রান্স), জুড বেলিংহাম (ইংল্যান্ড); লিওনেল মেসি (আর্জেন্টিনা), আর্লিং হলান্ড (নরওয়ে) ও কিলিয়ান এমবাপ্পে (ফ্রান্স)।




