ইরান যুদ্ধের বড় ধাক্কা শ্রীলঙ্কার চা শিল্পে

গ্যাসের দাম আকাশছোঁয়া হওয়ায় ডানকেল্ড চা বাগানের কর্মী ৩৮ বছর বয়সী জেসিন্থা মালার পানি ফোটাতে কাঠ ব্যবহার করছেন। ছবি : রয়টার্স
ইরান যুদ্ধের কারণে জ্বালানি তেলের দাম বৃদ্ধি ও বিশ্ববাজারে চায়ের চাহিদা কমে যাওয়ায় বড় ধরনের সংকটে পড়েছেন শ্রীলঙ্কার চা শ্রমিকরা। এতে দিন দিন তাদের জীবনযাত্রার কষ্ট আরও তীব্র হচ্ছে।
শ্রীলঙ্কার হ্যাটন অঞ্চলের ডানকেল্ড চা বাগানের কর্মীমালার বার্তা সংস্থা রয়টার্সকে বলেছেন, ‘আমরা জানি না এই পরিস্থিতি কীভাবে সামাল দেব। যুদ্ধ যদি এভাবে চলতে থাকে, তবে অনেক মানুষকে চরম বিপাকে পড়তে হবে।’
যুদ্ধ শুরু হওয়ার পর রান্নার গ্যাসের দাম বেড়ে যাওয়ায় মালার এখন বাধ্য হয়ে লাকড়ি দিয়ে পরিবারের রান্নার কাজ করছেন। শুধু মালার একাই নন, রপ্তানি কমে যাওয়ায় ভবিষ্যৎ নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় দিন কাটছে শ্রীলঙ্কার লাখ লাখ চা শ্রমিকের।
আজ বিশ্ব চা দিবস
২১ মে ২০২৬
ইডিবির পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, শ্রীলঙ্কান চায়ের সবচেয়ে বড় ক্রেতা ইরাকে চাহিদা কমেছে প্রায় ৩৮ শতাংশ।
অন্যদিকে, যুদ্ধের কারণে জাহাজ চলাচল ও পরিবহন লজিস্টিকস ব্যাহত হওয়ায় সংযুক্ত আরব আমিরাতে (ইউএই) লঙ্কান চায়ের রপ্তানি নাটকীয়ভাবে ৯৩ শতাংশ কমে গেছে।
দিলমাহ সিলন টি কোম্পানি পিএলসির চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী দিলহান ফার্নান্দো বলেছেন, আমরা বেশ কিছুদিন ধরে বাড়তি খরচের বোঝা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করছি। কিন্তু জ্বালানির চড়া দাম এবং এর ফলে পরিবহন খাতে যে নেতিবাচক প্রভাব পড়েছে, তা সব জায়গাতেই মূল্যস্ফীতি বাড়িয়ে দিচ্ছে।







