যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে জোট থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু এটিই যথেষ্ট নয়: কাতার

মাজেদ আল-আনসারি- রয়টার্স
উপসাগরীয় আরব দেশগুলোর নিরাপত্তার জন্য শুধু যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্বের ওপর নির্ভর করা উচিত নয়, ইরান যুদ্ধ দেখিয়েছে এমন চিত্রই। বরং তাদের নিজেদের নিরাপত্তার ক্ষেত্রে স্বনির্ভর হওয়ার চেষ্টা করা উচিত। আবুধাবিতে সোমবার হিলি ফোরামের একটি প্যানেল আলোচনায় এ কথা বলেছেন কাতারের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের মুখপাত্র মাজেদ আল-আনসারি।
আনসারি বললেন, ‘উপসাগরীয় অঞ্চলে আমাদের বুঝতে হবে, এই অঞ্চলে আন্তর্জাতিক বাহিনীর উপস্থিতি এবং যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে কৌশলগত জোট থাকা খুবই গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু এটিই যথেষ্ট নয়। নিরাপত্তার ক্ষেত্রে স্বনির্ভর হওয়াই সামনে এগিয়ে যাওয়ার একমাত্র পথ।’
তিনি আরও বলেছেন, ‘হ্যাঁ, আমাদের অংশীদারদের প্রয়োজন। হ্যাঁ, আমাদের মিত্রদের প্রয়োজন। কিন্তু আমাদের নিরাপত্তার জন্য শুধু তাদের ওপর নির্ভর করা যাবে না।’
মধ্যপ্রাচ্যে যুক্তরাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় সামরিক ঘাঁটি কাতারে অবস্থিত। পুরো যুদ্ধজুড়ে যুক্তরাষ্ট্রের হামলার জবাবে মার্কিন সামরিক স্থাপনা এবং এ অঞ্চলের জ্বালানি অবকাঠামোতে হামলা চালিয়েছে ইরান।
তবে কাতারে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক উপস্থিতি দেশটিকে ইরান ও ইসরায়েলের হামলা থেকে রক্ষা করতে পারেনি।
ছয় মাস ধরে চলা সংঘাতের পর দুই পক্ষ এখন অচলাবস্থায় রয়েছে। কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালিতে ইরান জাহাজ চলাচল ব্যাহত করছে। অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের বন্দরগুলোকে পাল্টা অবরোধের চাপে রাখছে।
গত মাসে মধ্যস্থতার প্রচেষ্টার অংশ হিসেবে কাতারের প্রধানমন্ত্রী শেখ মোহাম্মদ বিন আবদুলরহমান আল-থানি তেহরান সফর করেন। এর আগে গুরুত্বপূর্ণ এই প্রণালির দুই তীরের দেশ ইরান ও ওমান জানিয়েছিল, তারা একটি অস্থায়ী নৌপথ চালু করা এবং সমুদ্র থেকে মাইন অপসারণের বিষয় নিয়ে আলোচনা করছে।
সূত্র: দ্য আরব উইকলি






