পশ্চিমবঙ্গের দুই আসনে উপনির্বাচন কি মমতার বিধানসভায় ফেরার সুযোগ

সংগৃহীত ছবি
বিধানসভা নির্বাচনের ফলের রেশ কাটতে না কাটতেই ফের ভোটের দামামা পশ্চিমবঙ্গে। নির্বাচন কমিশন সোমবার ঘোষণা করেছে, মুর্শিদাবাদের রেজিনগর এবং পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম বিধানসভা আসনে উপনির্বাচন হবে আগামী ৬ অক্টোবর এবং ভোটগণনা হবে ৯ অক্টোবর। এই ঘোষণার পরেই তৃণমূল কংগ্রেস নেত্রী সাবেক মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় রেজিনগর থেকে ফের বিধানসভায় পা রাখার লড়াইয়ে নামবেন কি না, তা নিয়ে নতুন করে শুরু হয়েছে জল্পনা।
নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর দুটি আসন থেকেই জয়ী হয়েছিলেন বিজেপির শুভেন্দু অধিকারী। শেষ পর্যন্ত ভবানীপুর আসনটি রেখে নন্দীগ্রামের বিধায়ক পদ ছেড়ে দেন তিনি। ভবানীপুরে তার কাছে ১৫ হাজার ১০৫ ভোটে হেরেছিলেন মমতা।
অন্যদিকে মুর্শিদাবাদ এর রেজিনগর থেকে জয়ী হয়েছিলেন আম জনতা উন্নয়ন পার্টির নেতা হুমায়ুন কবীর। নির্বাচনে ১ লক্ষ ২৩ হাজার ৫৩৬ ভোট পেয়ে বিজেপির বাপন ঘোষকে ৫৮ হাজার ৮৭৬ ভোটে হারিয়েছিলেন তিনি। তৃণমূলের প্রার্থী আতাউর রহমান পেয়েছিলেন ৪১ হাজার ৭১৮ ভোট। পরে হুমায়ুন কবীর বিধায়ক পদ ছেড়ে দেওয়ায় রেজিনগরেও উপনির্বাচনের প্রয়োজন হয়।
মমতাকে রেজিনগর থেকে লড়ার সুযোগ দেওয়ার কথা অবশ্য হুমায়ুন কবীর আগেই প্রকাশ্যে জানিয়েছিলেন। গত জুন মাসে তিনি বলেছিলেন, মমতা চাইলে তার ছেড়ে দেওয়া রেজিনগর আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করতে পারেন। যদিও মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় নিজে এখনও এমন কোনও ঘোষণা করেননি। ফলে রেজিনগর নিয়ে জল্পনা চললেও তাকে প্রার্থী করার সিদ্ধান্ত এখনও নিশ্চিত নয়।
অন্যদিকে নির্বাচন কমিশনের ঘোষিত সূচি অনুযায়ী আগামী ৯ সেপ্টেম্বর প্রকাশিত হবে উপনির্বাচনের বিজ্ঞপ্তি। মনোনয়ন জমা দেওয়ার শেষ দিন ১৬ সেপ্টেম্বর এবং ১৭ সেপ্টেম্বর হবে মনোনয়নপত্র পরীক্ষা। এরপর ১৯ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত প্রার্থীপদ প্রত্যাহার করা যাবে। ১১ অক্টোবরের মধ্যে গোটা নির্বাচন প্রক্রিয়া শেষ করার কথা রয়েছে।
এ বছর বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ২০৭ টি আসনে জয়ী হয়ে সরকার গঠন করেছে এবং তৃণমূল পেয়েছে ৮০টি আসন।






