‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’তে যোগ দিলেন তৃণমূলের মহুয়া-কার্তি

সংগৃহীত ছবি
ভারতের প্রধান বিচারপতি সূর্য কান্তের একটি মন্তব্যকে ঘিরে তৈরি হওয়া বিতর্কের মধ্যেই ‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’ নামে ব্যঙ্গাত্মক এক রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্মে যোগ দিয়েছেন তৃণমূল কংগ্রেসের মহুয়া মৈত্র এবং কীর্তি আজাদ।
গত সপ্তাহে আদালতের এক শুনানিতে যুব সমাজ নিয়ে মন্তব্য করতে গিয়ে প্রধান বিচারপতি বলেছেন, ‘কিছু তরুণ তেলাপোকার মতো। তাদের চাকরি নেই, পেশাগত জায়গা নেই। কেউ মিডিয়ায় যায়, কেউ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে,। আবার কেউ আরটিআই অ্যাক্টিভিস্ট হয়ে সবাইকে আক্রমণ করতে শুরু করে।’
তার এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক সমালোচনা শুরু হয়। অনেকেই প্রশ্ন তোলেন, দেশের তরুণদের নিয়ে এমন মন্তব্য কতটা গ্রহণযোগ্য। এর মধ্যেই এক্সে (সাবেক টুইটার) আত্মপ্রকাশ করে ‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’। এটি মূলত একটি ব্যঙ্গাত্মক ও অনানুষ্ঠানিক রাজনৈতিক অ্যাকাউন্ট। যা প্রধান বিচারপতির মন্তব্যকে কেন্দ্র করেই তৈরি হয়েছে।
অ্যাকাউন্টটির পরিচিতিতেও রয়েছে ব্যঙ্গের ছাপ। সেখানে নিজেদের বলা হয়েছে, ‘তরুণদের রাজনৈতিক প্ল্যাটফর্ম, তরুণদের জন্য। ধর্মনিরপেক্ষ, সমাজতান্ত্রিক, গণতান্ত্রিক এবং অলস।’
খুব অল্প সময়ের মধ্যেই অ্যাকাউন্টটি জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। চালুর ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই এক্সে ১৫ হাজারের বেশি অনুসারী পায় তারা। পরে দাবি করা হয়, ইতোমধ্যে ৪০ হাজারের বেশি মানুষ এই প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হয়েছেন।
দলটির ওয়েবসাইটে নিজেদের পরিচয় দেওয়া হয়েছে ‘অলস ও বেকারদের কণ্ঠস্বর’ হিসেবে। সেখানে বলা হয়েছে, ‘এটি তাদের জন্য একটি রাজনৈতিক দল, যাদের হিসাব করতেই ভুলে গেছে রাষ্ট্রব্যবস্থা।’
এক পোস্টে দলটি জানিয়েছে, ‘সমর্থন বাড়ার সঙ্গে সঙ্গে আমাদের বিরুদ্ধে অপপ্রচার হতে পারে। তবে আমরা ভারতের সংবিধানে বিশ্বাস করি এবং এর মূল্যবোধ রক্ষায় কাজ করব।’
এই ঘটনাকে অনেকেই ভারতের তরুণদের হতাশা ও ক্ষোভের ব্যঙ্গাত্মক প্রকাশ হিসেবে দেখছেন।
সূত্র: হিন্দুস্তান টাইমস




