Agamir Somoy E-Paper
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
গরিবের চিকিৎসায় নিবেদিত হাফিজুর
বৃহস্পতিবার, ১৭ সেপ্টেম্বর, ২০২৬
আগামীর সময়
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • বিচিত্রা
  • চাকরি
  • ছবি
  • সাহিত্য
  • বিবিধ
  • ধর্ম
  • প্রবাস
  • ফ্যাক্টচেক
  • সোশ্যাল মিডিয়া
  • ধন্যবাদ
  • বিশেষ সংখ্যা
  • সর্বজনের গল্প
  • বিশেষ লেখা
EN
  • সর্বশেষ
  • জাতীয়
  • রাজনীতি
  • অর্থনীতি
  • চট্টগ্রাম
  • সারা দেশ
  • বিদেশ
  • খেলা
  • বিনোদন
  • লাইফস্টাইল
  • মতামত
  • ফিচার
  • ভিডিও
  • শিক্ষা
  • ক্লাব
  • ইপেপার
  • EN
লোড হচ্ছে…

প্রধান সম্পাদক ও প্রকাশক : আবদুস সাত্তার মিয়াজী

সম্পাদক : মোস্তফা মামুন

আগামীর সময়
আমাদের সম্পর্কেযোগাযোগশর্তাবলিগোপনীয়তাআমরা

ইডিবি ট্রেড সেন্টার (লেভেল-৬ ও ৭), ৯৩ কাজী নজরুল ইসলাম এভিনিউ, কারওয়ানবাজার, ঢাকা-১২১৫

যোগাযোগ: ০৯৬৬৬ ৭৭১০১০

বিজ্ঞাপন: ০১৭৫৫ ৬৫১১৬৪

[email protected]

স্বত্ব © ২০২৬ | দৈনিক আগামীর সময়

পাখি-সব-করে-রব

আমীরুল ইসলাম : রঙের আকাশে রঙিন লেখক
আমীরুল ইসলাম : রঙের আকাশে রঙিন লেখক
বাংলা আধুনিক শিশুসাহিত্যে কীর্তিমান লেখকদের একজন আমীরুল ইসলাম। তার লেখায় আছে জাদুকরী মজার রহস্য; আছে মনকে রাঙিয়ে দিতে দারুণ সব গল্পকথার ছন্দ। যা ছোটদের কাছে শুধুই ছড়া, তা বড়দের কাছে ভাববার বিষয়। চিরচেনা ছন্দের বাক্সে না আটকে রেখে ছড়াকে তিনি নিরীক্ষার সুতায় বেঁধে টাপুরটুপুর করে নাচিয়েছেন। গল্পে এনেছেন কল্পনায় দেখা জাদুকরী ভাবনা। শিশু-কিশোরদের ভুবনকে জ্ঞানসমৃদ্ধ করে তুলতে তিনি গল্প, ছড়া, কবিতা, উপন্যাস, প্রবন্ধ, নিবন্ধ, জীবনী, ইতিহাস, চিত্রকলা— নানা বিষয় নিয়ে লিখেছেন। তার লেখায় শি...
পাখি সব করে রব•৩ ঘণ্টা আগে
আমীরুল ভাই
আমীরুল ভাই
শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম ২৬ বছর বয়সে মারা গেছেন। ২৬ না, ৬২ বছর বয়সে। ভুলে ২৬ লিখে ফেলেছি। তবে খুব ভুল কি লিখেছি? সেটা তো না। আমীরুল ভাই থাকলে কী বলতেন? ‘কীয়ের ভুল মিয়া? ৬২ আর ২৬ একই। ২ আর ৬।’ শিশুসাহিত্যিক। আমীরুল ভাই ছিল ‘পিওর’ শিশুসাহিত্যিক; গড়পড়তা আর দশজনের মতো না। আলাদা একজন। প্রাণ-প্রাচুর্যে ভরপুর মানুষ। বিচিত্র বিষয়ে আগ্রহ ছিল তার। বিচিত্র বিষয় নিয়ে লিখেছেন। বইয়ের সংখ্যা আমার অনুমান তিনশর বেশি তো হবেই। একটা ছাড়া আর সব বইয়েরই বিষয় নির্ভেজাল শিশুসাহিত্য। গল্প, কবিতা, ছড়া,...
পাখি সব করে রব•৩ ঘণ্টা আগে
আমাদের গল্প লিখেছেন যে বইয়ে
আমাদের গল্প লিখেছেন যে বইয়ে
এক ছিল রাজার ছেলে। এক ছিল রাখাল ছেলে। খুব বন্ধুত্ব তাদের মধ্যে। রাখাল ছেলে খুব ভালো বাঁশি বাজাতে পারে। তার বাঁশির সুরে ধানের ক্ষেতে বাতাস বয়ে যায়। নদীর জলে সুর খেলে যায়। আর রাজার ছেলে বাঁশি শুনতে খুব পছন্দ করে। রাখাল মাঠে যায়। বুড়ো বটগাছের তলে বসে উদাস দুপুরে বাঁশি বাজায়। রাজার ছেলে ঘোড়ায় চড়ে রাখালের বাঁশি শুনতে সেই মাঠে আসে। মুগ্ধ হয়ে বাঁশি শোনে। রাজার ছেলে একদিন বলে, ‘বন্ধু, একদিন আমি রাজা হব। সেদিন তুমি আমার প্রধানমন্ত্রী হবে। তুমি দেশ চালাবে। আর আমি শুধু নামেই রাজা থাকব। স...
পাখি সব করে রব•৩ ঘণ্টা আগে
ভালোবাসার আমীরুল ইসলাম
ভালোবাসার আমীরুল ইসলাম
তোমাদের ভীষণ ভালোবাসতেন তিনি। তোমাদের জন্য একজীবনে প্রচুর লিখেছেন। বিখ্যাত শিশুসাহিত্যিক আমীরুল ইসলাম গত শুক্রবার চলে গেছেন পরপারে। তার প্রতি শ্রদ্ধা জানিয়ে এই বিশেষ আয়োজন। এ সংখ্যার সব ড্রয়িং আমীরুল ইসলামেরই আরও পড়ুন আমীরুল ইসলাম : রঙের আকাশে রঙিন লেখক ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬ আরও পড়ুন...
পাখি সব করে রব•৩ ঘণ্টা আগে
নিউইয়র্কের ছড়া
নিউইয়র্কের ছড়া
নিউইয়র্কের থার্ড এভিনিউ ব্যস্ততম সড়ক। নানা রঙের নানা মানুষ চক্ষু আমার চড়ক। ছুটছে সবাই। ব্যস্ত কাজে বিশ্বসেরা শহর। চোখ ধাঁধানো দালানকোঠা বইছে আলোর রহর।   ছুটছে মানুষ। যন্ত্র সবাই নেইকো আদি অন্ত। নিউইয়র্কের ম্যানহাটানে সবাই হন্তদন্ত।   মাটির নিচে মেট্রোরেলে আরেক ব্যস্ত শহর এই শহরে রাত নামে না নিওন আলোর প্রহর।   বড় বড় দোকান জুড়ে বইছে আলোর বন্যা বিষাদগীতি গাইছে বসে হোমলেস এক কন্যা। এই শহরে ধনী-গরিব সবাই যেন সমান। না খেয়ে কেউ মরবে না তা...
পাখি সব করে রব•৪ ঘণ্টা আগে
জাদুর জুতো
জাদুর জুতো
আজব এক ফুটবল ম্যাচের গল্প লিখেছেন কামাল হোসাইন। শহরের একটি জায়গা। গলির শেষ মাথা। সেখানে একটা ভাঙা ল্যাম্পপোস্ট রাত বাড়লেই আলো-ছায়ার খেলা তৈরি করে। সেখানেই থাকে চৌদ্দ বছরের কিশোর আয়ান। তার নিঃশ্বাস জুড়ে ফুটবল। ঘরের দেয়ালে সাঁটানো রয়েছে একটা পুরনো রঙ জ্বলে যাওয়া পোস্টার— আর্জেন্টিনার নীল-সাদা জার্সিতে লিওনেল মেসি দুই হাত উঁচিয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে আছেন। আয়ান রোজ রাতে ঘুমানোর আগে সেই পোস্টারের দিকে তাকিয়ে ভাবে, কখনো কি আমার পায়েও অমন জাদু আসবে? আয়ান ফুটবলটা দারুণ বোঝে, তার ড্রিবলি...
পাখি সব করে রব•৭ দিন আগে
নীলচে শকুন
নীলচে শকুন
আমার নাম ভালচারিন গিনি ফাউল। নামের সঙ্গে ফাউল থাকলেও আমি কিন্তু দুষ্টু নই অত। একটু দুষ্টু আছি অবশ্য! শোরগোল করতে ভালোবাসি ভীষণ, তাই অন্যরা মাঝেমধ্যে পড়ে বেশ বিপাকে। তার ওপর আমার গলার আওয়াজ? আর বলতে সে কথা! ব্যাপক বাজখাই! তারস্বরে চিল্লানো বলে যাকে। দেখতেই পাচ্ছো, আমি বেশ রঙিন। পিঠে লম্বা, চকচকে নীল ও সাদা রঙের পালক। বুকের অংশ গাঢ় নীল। বাকি শরীরে ছোট ছোট সাদা ফোঁটায় সাজানো কালো পালক। তাই রাজকীয় গিনি পাখি নামেও নামডাক আছে আমার। কিন্তু মাথার টাক আর লম্বাটে ঘাড়ের কারণে কেউ কেউ আমা...
পাখি সব করে রব•৭ দিন আগে
ছড়ায় ছড়ায় গল্প শোনো
ছড়ায় ছড়ায় গল্প শোনো
‘গল্প শোনো গল্প শোনো নেভাও ঘরের বাতি, খোকা যাবে বনের ভেতর খোকার পিঠে হাতি।’   ‘হা হা হি হি... হা হা হি হি কী যে বলো বোকা, খোকার পিঠে হাতি নাকি হাতির পিঠে খোকা?’   ‘হলোই না হয় হলোই না হয় দোষ হয়েছে কোনো? খোকার পিঠে হাতি গেল গল্প আমার শোনো।’   ‘কী করে হয় কী করে হয় কাণ্ড এমন বলো? নেই তো কথার আগা-মাথা গল্প এটা হলো?’   ‘শোনো শোনো একটু যেতেই হাতি গেল পড়ে, বাঁচল না রে সেই হাতিটা গেলই বুঝি মরে!’   ‘এটা কোনো কথা হলো কী যে বলো বোকা,...
পাখি সব করে রব•৭ দিন আগে
সকাল বেলার সূর্য
সকাল বেলার সূর্য
হলুদ আভা ছড়িয়ে টকটকে লাল সুয্যিমামা উঁকি দিচ্ছে আকাশে। মনের সুখে ডানা মেলে উড়ছে পাঁচটা পাখি। গাছপালা দাঁড়িয়ে আছে সটান হয়ে। সবুজ মাঠের মধ্যে দুটি মনোরম ঘর। নদীতে নৌকার সংখ্যাও ২। আর নদীর পানি? সে তো টলটলে নীল! বাংলার প্রকৃতির সকালবেলার এই অপরূপ দৃশ্য এঁকেছে শঙ্খ ঘোষ। ওর বয়স ২+৩ বছর। থাকে ঢাকায়। নার্সারিতে পড়ে হাতেখড়ি টিউটোরিয়াল স্কুলে
পাখি সব করে রব•৭ দিন আগে
ছাতা ধরা গাছ
ছাতা ধরা গাছ
গল্প লিখেছে মো. মিরসাব আবতাহী। সে থাকে চট্টগ্রামে। হালিশহর প্রি-ক্যাডেট স্কুলের তৃতীয় শ্রেণিতে তার রোল নং ২৭ সকাল থেকে বৃষ্টি পড়ছে। এমন বৃষ্টি, যেন আকাশের কেউ কল বন্ধ করতে ভুলে গেছে। আমি বারান্দায় বসেছিলাম। মাঠে যাওয়া যাবে না। ফুটবল খেলাও বন্ধ। হঠাৎ দেখি, আমাদের উঠোনের আমগাছটার নিচে একটা হলুদ রঙের কুকুরছানা গুটিসুটি মেরে বসে আছে। পুরোপুরি ভিজে গেছে সে। আমি মাকে বললাম, ‘ওকে ঘরে নিয়ে আসি?’ মা জানালা দিয়ে তাকিয়ে বললেন, ‘ওর মা নিশ্চয়ই আশপাশেই আছে। ভয় পাস না।’ কিন্তু কুকুরছানাটা ক...
পাখি সব করে রব•১৪ দিন আগে
জলের তলে
জলের তলে
খালি চোখে আমরা পানির নিচের দুনিয়া দেখতে না পেলেও সেখানে অনেক রঙবেরঙের মাছ, প্রাণী ও জলজ উদ্ভিদের বসবাস রয়েছে। সেই দুনিয়ার ছবি এঁকেছে আরাধ্য সরকার অদ্রি। সে থাকে ঢাকায়; নার্সারি শ্রেণিতে পড়ে মিরপুর ক্যান্টনমেন্ট পাবলিক স্কুল অ্যান্ড কলেজে  
পাখি সব করে রব•১৪ দিন আগে
শরতের ছড়া-কবিতা
শরতের ছড়া-কবিতা
নীল আকাশ আশরাফ মাহতাব   নীল আকাশে ভেসে বেড়ায় সাদা মেঘের ভেলা, আজ আকাশে সূর্য-মেঘের লুকোচুরি খেলা।   ক্ষণেক সূর্য মুখটা দেখায় আবার হঠাৎ ঢাকে, ক্ষণেক আবার মারে উঁকি ছেঁড়া মেঘের ফাঁকে।   ঝিকিমিকি রোদের মাঝে হঠাৎ বৃষ্টি নামে, ছাতা খুলে মাথায় দিতেই, হঠাৎ বৃষ্টি থামে।   সূর্য-মেঘের লুকোচুরি দেখতে খোকা আসে, আকাশ পানে তাকিয়ে সে খিলখিলিয়ে হাসে।   শরৎ আসে সারমিন চৌধুরী   মেঘের নায়ে চড়ে যখন শরৎ আসে ঘরে, বাংলাদেশ যায় তখনই...
পাখি সব করে রব•১৪ দিন আগে
টুনি হলো প্রজাপতি
টুনি হলো প্রজাপতি
ছিল একটা পতঙ্গ। পায়ের মাপের জুতা না পেয়ে ভীষণ পেরেশানিতে পড়ে গিয়েছিল সে। তারপর একসময় ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়েছিল। ঘুম ভাঙতেই দেখে, ম্যাজিক! মজার এই গল্প লিখেছেন পল্লব শাহরিয়ার টুনি। টুনি কিন্তু এখন প্রজাপতি। টুনি যখন শুঁয়োপোকা ছিল, তখন সে প্রতিদিন তার পছন্দের লাল রঙের ছোট্ট এক জোড়া জুতা পরে পুরো বাগানের সব গাছের পাতায় হাঁটাহাঁটি করত। তার সবচেয়ে বেশি ভালো লাগত বর্ষার দিনে। এ সময় অনেক গাছে কচি কচি পাতা হয়, সেগুলোর ওপর দিয়ে হাঁটতে তার খুব ভালো লাগে। একদিন সকালে টুনি ঘুম থেকে উঠে দ...
পাখি সব করে রব•এক মাস আগে
মাছ নাকি লোমশ ব্যাঙ
মাছ নাকি লোমশ ব্যাঙ
দেখতে ব্যাঙের মতো। আবার শরীরভর্তি লোম। কিন্তু সে আদতে মাছ একটা। ওর গল্প শোনাচ্ছেন আরিফুল ইসলাম জানোই তো, ব্যাঙ একটা উভচর প্রাণী। ডাঙা ও জলে সমানভাবে বিচরণ করতে পারে। আমার নামে ‘ফ্রগ’ বা ব্যাঙ শব্দটি থাকলেও আমি কিন্তু ডাঙায় উঠলেই অক্কা পাই! মানে, পানিতেই বিচরণ আমার। কারণ, আমি তো আসলে একটা মাছ। ‘হেয়ারি ফ্রগফিশ’ বা লোমশ ব্যাঙমাছ— এমন নাম কে রেখেছে, জানি না! তবে আমাদের শরীরভর্তি এমন অসংখ্য সরু সুচালো চামড়া আছে, যেগুলো দেখতে চুল বা লোমের মতো। সম্ভবত এ কারণেই এমন নামকরণ। আমরা স...
পাখি সব করে রব•এক মাস আগে
রঙ করো মন দিয়ে
রঙ করো মন দিয়ে
বড় এক ব্যাঙের ছাতার ওপর চুপটি করে বসে আছে একটি কচ্ছপছানা। মুখে হাসি, কিন্তু মনটা মনে হয় একটু খারাপ ওর। তোমরা ওকে ইচ্ছামতো রাঙিয়ে দাও তো। সঙ্গে ব্যাঙের ছাতাগুলোতেও রঙ করতে ভুলো না যেন  
পাখি সব করে রব•এক মাস আগে
বনের মাঝে কাণ্ডকীর্তি
বনের মাঝে কাণ্ডকীর্তি
এই তো সেদিন            বনের মাঝে  সিংহ রাজা            ছোলা ভাজে                   হালুম চিবোয় বুট— সত্যি কথা             বলছি আমি                   নয় মোটেও ঝুট... বানরছানা            গাছের ডালে নাচে আবার              তালে তালে&...
পাখি সব করে রব•এক মাস আগে
বৃষ্টি জুড়ে
বৃষ্টি জুড়ে
ছন্দটা তো মন্দ না তো আনন্দটা তাতে বৃষ্টি জুড়ে মিষ্টি সুরে সৃষ্টি যখন মাতে।   সৃষ্টিখেলায় দৃষ্টি মেলায় টুপ টুপা টুপ রূপ এমন ছবি দেখেই কবি ভাবতে গিয়েই চুপ!   চুপ থেকে এই লেখার মাঝেই তুলে ধরেন কবি আষাঢ়-শ্রাবণ দেখা যখন বর্ষা রূপের ছবি।
পাখি সব করে রব•এক মাস আগে
দেশটা যেন শিল্পীর আঁকা
দেশটা যেন শিল্পীর আঁকা
রোদ চিকচিক আকাশ ভরা মাঠ থইথই আলো নরম নরম পুবাল হাওয়ায় মন করে দেয় ভালো। প্রজাপতির রঙিন ডানা ঘুড়ির মতো ওড়ে নকশি তোলা ঘাসের বনে চড়ুই পাখি ঘোরে। মৌমাছিরা গান শোনাতে ফুলকাননে আসে ঘ্রাণ লুকানো ফুলকুঁড়িরা মুখ লুকিয়ে হাসে। আউলা কেশে দাঁড়িয়ে থাকা বাবলা গাছের শাঁখে বকপাখিরা উদাস মনে নদীর ছবি আঁকে।   একটু দূরে চকের নদী বুকভরা তার ঢেউ মেঘের দেশে চিঠি পাঠায় নাম না জানা কেউ। পাখির মেলা গাছের ডালে ডাল জুড়ে সব সুখ হঠাৎ করেই বৃষ্টি এসে দেয় ভিজিয়ে বুক। জবুথবু পাত...
পাখি সব করে রব•এক মাস আগে
মিঠেকড়া বৃষ্টির ছড়া
মিঠেকড়া বৃষ্টির ছড়া
মেঘের গাড়ি আবেদীন জনী আকাশবুকে নীল সড়কে চলছে মেঘের গাড়ি গড়গড়িয়ে তরতরিয়ে চলছে সারি সারি। চলছে কোথায় কেউ জানে না মেঘ সাগরের ঢেউ জানে না আকাশপরী— সেও জানে না এই কথাটা কে জানে, কে? জানে মেঘের মেয়ে জলের নূপুর পায় দিয়ে যে বেড়ায় নেচে-গেয়ে।   তখন আমি প্রশ্ন করি, মেঘমেয়ে তুই বল চলছে কোথায় মেঘের গাড়ি, ঝরবে কোথায় জল? মেঘমেয়েটা অবশেষে চুল উড়িয়ে হেসে হেসে বলল হাওয়ায় ভেসে ভেসে মেঘের গাড়ি তাড়াতাড়ি সেই দেশেতে চলছে মাটি মানুষ বৃক্ষ যেথায় জলপিপাসায় জ্বলছে।   বৃষ্টিবিলাস রা...
পাখি সব করে রব•২ মাস আগে
সবুজ পাতা লাল ঘর
সবুজ পাতা লাল ঘর
ভিটের রঙ সোনালি। দরজার রঙ খয়েরি। জানালার রঙ নীল। েদয়ালের রঙ মেটে। চালার রঙ লাল। কী যে দারুণ রঙিন ঘর একটা! সামনে সবুজ মাঠ। চারপাশে সবুজ পাতা ওড়াউড়ি করছে। একপাশে লাল আর আগুনরঙা এটা কী রে হাসছে? সুয্যিমামা নািক? নিসর্গ আব্দুল্লাহই ভালো বলতে পারবে। এই ছবি ওরই আঁকা। ওর বয়স ২+৩+২ বছর। চট্টগ্রামের কোতোয়ালির ইস্পাহানি মোড়ে ওর বাসা। প্রথম শ্রেণিতে পড়ে স্যার মরিস ব্রাউন ইন্টারন্যাশনাল স্কুলে।  
পাখি সব করে রব•২ মাস আগে