ছয় দলের সারা বছরের ক্রিকেট

সংগৃহীত ছবি
রবিবার ঢাকার এক হোটেলে জমকালো আয়োজনে ঘোষণা করা হয়েছে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের নতুন প্রকল্প; যার নাম ডি থ্রি বা ডোমেস্টিক থ্রি। সংক্ষেপে ঘরোয়া ক্রিকেটে তিন সংস্করণের প্রতিযোগিতাকে এক ছাতার নিচে নিয়ে আসার এ উদ্যোগের নাম ডি থ্রি। যেখানে ছয়টি দল বছর জুড়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবে চার দিনের ম্যাচ, ৫০ ওভারের ম্যাচ ও ২০ ওভারের ম্যাচে। বিসিবির টুর্নামেন্ট কমিটির ম্যানেজার আবু ইমাম মোহাম্মদ কাউসার আগামীর সময়কে জানিয়েছেন কবে, কোথায় হবে কোন সংস্করণের খেলা।
ওয়ালটন, সিটিজেনস ব্যাংক, এইস ব্লু স্টার, সেভেন রিংস সিমেন্ট, ফরচুন গ্রুপ আর একমি; দেশের এই ছয় করপোরেট প্রতিষ্ঠান তিন বছরের জন্য পেয়েছে ছয় দলের মালিকানা। প্রতিটি দলে সদস্য সংখ্যা হবে ২৩। এই ২৩ ক্রিকেটার থেকেই তাদের তিন সংস্করণের জন্য বানাতে হবে দল এবং সেখান থেকে একাদশ, যারা অংশ নেবে তিন সংস্করণের আলাদা আলাদা তিনটি টুর্নামেন্টে; ডি থ্রি টি-টোয়েন্টি, ডি থ্রি ওয়ানডে এবং ডি থ্রি ফোর ডে।
আগামীর সময়কে কাউসার বলেছেন, ‘ডিসেম্বরের ১৩ থেকে ৩১, এ সময়ের ভেতর আমরা টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্টটা শেষ করে ফেলতে চাই। জাতীয় দলের খেলোয়াড়দের প্রাপ্তি সাপেক্ষে হয়তো দিন একটু এদিক-ওদিক হতে পারে।
খেলা শুরু হবে বরিশালে, পরবর্তীকালে অন্যান্য ভেন্যুতে ম্যাচ হবে।’ টি-টোয়েন্টি সংস্করণে ম্যাচ হবে ১৯টি। সিঙ্গেল লিগ ভিত্তিতে ছয় দল প্রত্যেকেই প্রত্যেকের সঙ্গে একবার করে খেলবে, এরপর পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ চার দল খেলবে প্লে-অফে। দুই কোয়ালিফায়ার, একটি এলিমিনেটর ও একটি ফাইনাল, সব মিলিয়ে টি-টোয়েন্টি সংস্করণে ম্যাচ সংখ্যা ১৯।
২০ ওভারের রোমাঞ্চের পর চার দিনের ম্যাচে ধৈর্যের পরীক্ষা। জানুয়ারির ৭ থেকে ফেব্রুয়ারির ২, এ সময়ের ভেতর সাতটি চার দিনের ম্যাচ নিয়ে হবে ডি থ্রির প্রথম শ্রেণির সংস্করণ। ছয় দলকে দুটি গ্রুপে ভাগ করা হবে, গ্রুপ পর্বে সিঙ্গেল লিগের পর দুই গ্রুপের শীর্ষ দুই দল খেলবে ফাইনাল।
মে মাসের ১-২৯, এ সময়ে হবে ডি থ্রির ওয়ানডে অর্থাৎ ৫০ ওভারের ম্যাচের সংস্করণ। এ সংস্করণে মোট ম্যাচ হবে ১৬টি, ছয় দলের সিঙ্গেল লিগের পর শীর্ষ দুই দল খেলবে ফাইনালে।
আজ মঙ্গলবার হবে ডি থ্রির কোচ ও ম্যানেজমেন্ট স্টাফ বাছাইয়ের ড্রাফট, মিরপুরের শেরেবাংলা স্টেডিয়ামে মূল কোচ ও তিনজন সহকারী কোচ ডেকে নেওয়ার ড্রাফট শুরু হবে দুপুর ২টায়।



