শেষ ১৩ মিনিটের ঝড়ে বেলজিয়ামকে উড়িয়ে দিল ফ্রান্স

বেলজিয়ামকে হারিয়ে উয়েফা নেশনস লিগে নিজেদের অসাধারণ ফর্ম ধরে রাখল ফ্রান্স। হাই-ভোল্টেজ ম্যাচটিতে পিছিয়ে পড়েও শেষ ১৩ মিনিটের অবিশ্বাস্য এক কামব্যাকে বেলজিয়ামকে ৪-১ গোলের বড় ব্যবধানে উড়িয়ে দিয়েছে দ্য ব্লুজরা। আর এই জয়ে কোচ হিসেবে জিনেদিন জিদানের অপরাজিত ধারা অক্ষুণ্ণ থাকল।
স্তাদে দি ফ্রান্সে অনুষ্ঠিত ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দলের আক্রমণ শানায়। ৩৫ মিনিটে রোমিও লাভিয়ার চমৎকার ৬০ গজ দীর্ঘ থ্রু-বল ধরে বল জালে জড়িয়ে বেলজিয়ামকে ১-০ গোলে এগিয়ে দেন দোদ লুকবাকিকো। গোল হজম করার পর ফ্রান্স একের পর এক আক্রমণ শানাতে থাকে এবং সমতা ফেরানোর জন্য মরিয়া হয়ে ওঠে। অবশেষে শেষ ১৩ মিনিটে ম্যাচের ভাগ্য বদলে যায়। ৭৭ মিনিটে বদলি খেলোয়াড় হিসেবে মাঠে নামা লিয়ান্দ্র দা কুঞ্চার পাস থেকে বক্সের বাইরে থেকে নেওয়া এক নিখুঁত নিচু শটে বেলজিয়ামের অভিষিক্ত গোলরক্ষক মার্টেন ভান্দেভুর্ডকে পরাস্ত করে ম্যাচে সমতা ফেরান দেজিরে দুয়ে। এর ঠিক চার মিনিট পর (৮১ মিনিটে) অন্য এক বদলি খেলোয়াড় মাইকেল ওলিসের নিখুঁত কাটব্যাক থেকে বল পেয়ে দারুণ ফিনিশিংয়ে ফ্রান্সকে ২-১ ব্যবধানে এগিয়ে দেন রায়ান চেরকি। নাটকের তখনো বাকি ছিল।
যোগ করা সময়ে সব আলো নিজের দিকে টেনে নেন বায়ার্ন মিউনিখের তারকা মাইকেল ওলিসে। ৮৮ এবং অতিরিক্ত সময়ের প্রথম মিনিটে (৯০+১ মিনিট) দেজিরে দুয়ের বাড়ানো দুটি বল থেকে তিনি জোড়া গোল করেন। এই পারফরম্যান্সের সুবাদে চলতি বছর ফ্রান্সের জার্সিতে ১৬ ম্যাচে ১৭টি গোল বা গোলে সহায়তার সাথে সরাসরি যুক্ত থাকার এক অনন্য মাইলফলক স্পর্শ করলেন এই ফরাসি মিডফিল্ডার। এই দুর্দান্ত জয়ের ফলে নেশন্স লিগের গ্রুপ ‘এ১’-এর পয়েন্ট তালিকার শীর্ষে অবস্থান করছে ফ্রান্স। ৪ ম্যাচে তাদের পয়েন্ট ১০। অন্যদিকে বেলজিয়াম ৬ পয়েন্ট নিয়ে তালিকার তৃতীয় স্থানে রয়েছে। এই ম্যাচে ফরাসি তরুণদের অভাবনীয় ট্যাকটিক্যাল পারফরম্যান্স এবং জিদানের সময়োপযোগী বদলি খেলোয়াড়দের সিদ্ধান্তই শেষ পর্যন্ত ম্যাচের ব্যবধান গড়ে দিয়েছে।





