রোনালদো-রিভালদোর ব্রাজিলকেও হারিয়েছিল নরওয়ে

১৯৯৮ বিশ্বকাপে রোনালদোর ব্রাজিলকেও হারিয়েছিল নরওয়ে। ছবি: সংগৃহীত
ব্রাজিল পাঁচবারের বিশ্বচ্যাম্পিয়ন। আর্জেন্টিনা, জার্মানি, ইতালির মত পারাশক্তিদের হারিয়েছে একাধিকবার । সেই ব্রাজিল বারবার আটকে গেছে নরওয়ের কাছে। পাঁচ ম্যাচ খেলেও জিততে পারেনি কোনটি। এর দুটি জিতেছে নরওয়ে আর ড্র তিন ম্যাচ। এমনকি রোনালদো, রিভালদো, দুঙ্গা,কাফু, রবার্তো কার্লোসদের মত মহাতারকা মিলেও ১৯৯৮ বিশ্বকাপে নরওয়ের কাছে হেরেছিল তারা।
১৯৯৮ সালের ফ্রান্স বিশ্বকাপের গ্রুপ পর্বে মার্সেইতে মুখোমুখি হয়েছিল দুই দল। ব্রাজিল গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন হিসেবে নকআউট নিশ্চিত করে ফেললেও কোচ জাগালো পূর্ণ শক্তির দলই খেলিয়েছিলেন। রোনালদো, রিভালদো,বেবেতো, দুঙ্গা, কার্লোস, কাফু-সবাই ছিলেন একাদশে। বিশ্বকাপে টিকে থাকতে নরওয়ের দরকার ছিল জয়।
৭৭ মিনিটে দেনিলসনের ক্রসে দুর্দান্ত হেডে ব্রাজিলকে এগিয়ে নেন বেবেতো। ৮৩ মিনিটে সমতা ফেরান টোরে আন্দ্রে ফ্লো। এরপর ৮৯ মিনিটের পেনাল্টিতে ব্রাজিলকে ২-১ গোলে হারিয়ে দেয় নরওয়ে। বক্সের ভেতর জুনিয়র বাইয়ানো জার্সি টেনে ধরেন ফ্লোর । স্পট কিক থেকে গোল করেন কেতিল রেকডাল। বিশ্বকাপের ইতিহাসের অন্যতম বড় অঘটন ধরা হয় ব্রাজিলের এই হারকে।
ব্রাজিল-নরওয়ে প্রথম মুখোমুখি হয়েছিল ১৯৮৮ সালে। ওসলোতে প্রীতি ম্যাচে ১-১ গোলে ড্র করেছিল দুই দল।
১৯৯৭ সালে রোনালদো-রোমারিওদের ব্রাজিলকে ৪-২ ব্যবধানে হারিয়ে স্তব্ধ করে দেয় নরওয়ে। টোরে আন্দ্রে ফ্লোর জোড়া গোলের পাশাপাশি একবার করে বল জালে জড়ান ইয়াকবসেন ও ওস্টেনস্টাড। ব্রাজিলের হয়ে একটি করে গোল দেনিলসন ও রোমারিওর।
এবারের বিশ্বকাপের আগে দুই দলের সর্বশেষ দেখা হয়েছিল ২০০৬ সালে। অন্তর্বর্তীকালীন কোচ দুঙ্গার অধীনে ১-১ সমতায় শেষ হয়েছিল দুই দলের ম্যাচটি।
ব্রাজিলকে এবার হারানোটা একেবারে বিচ্ছিন্ন ঘটনাও নয় নরওয়ের। কেননা বাছাইপর্বে তারা ছিল চারবারের চ্যাম্পিয়ন ইতালির গ্রুপে। দুবারের দেখায় নরওয়ে দুই বারই হারের তেতো স্বাদ দেয় ইতালিকে। নিজেদের মাটিতে ৩-০ গোলে জয়ের পর ফিরতি লেগে নরওয়ে জেতে ৪-১ ব্যবধানে।
এমনকি বাছাইপর্বে তারা করেছিল রেকর্ড ৩৭ গোল! অথচ পর্তুগাল ২০, স্পেন ২১ আর ফ্রান্স গোল করেছিল ১৬টি।




