যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় দলে বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত সুলিভান

বিশ্বকাপের পর প্রথম স্কোয়াড ঘোষণা করলেন মরিসিও পচেত্তিনো। আসন্ন প্রীতি ম্যাচগুলোকে সামনে রেখে ঘোষিত ২৮ সদস্যের দলে স্থান পেয়েছেন বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত তরুণ তারকা কাভান সুলিভান। প্রথমবার ১২ জন নতুন মুখকে দলে ডেকেছেন পচেত্তিনো।
২০৩০ সালের বিশ্বকাপ চক্রের প্রাথমিক প্রস্তুতি হিসেবে পেরু, চিলি, মেক্সিকো এবং কানাডার বিপক্ষে এই প্রীতি ম্যাচগুলো খেলবে মার্কিন দল। বৃহস্পতিবার কোচ পচেত্তিনো এই স্কোয়াড ঘোষণা করেন। এবারের স্কোয়াডের গড় বয়স মাত্র ২২ বছর ৯ মাস। ভবিষ্যৎ জাতীয় দল ও অলিম্পিক দলের কথা মাথায় রেখে কোচ এই তরুণ দল গঠন করেছেন।
দলে ক্রিশ্চিয়ান পুলিসিচ, ওয়েস্টন ম্যাককেনি এবং ফোলারিন বালোগুনের মতো বড় তারকারা জায়গা পাননি। তবে তরুণদের পাশাপাশি অভিজ্ঞদেরও রাখা হয়েছে দলে। দুইবারের বিশ্বকাপ অভিজ্ঞ টাইলস অ্যাডামস, অ্যান্টোনি রবিনসন, সার্জিনো দেস্ট ও জিও রেইনা দলে ফিরেছেন। এ ছাড়া গত বছরের মার্চের পর এই প্রথম দলে জায়গা পেলেন ইউনুস মুসা।
নতুন দল গঠন প্রসঙ্গে কোচ পচেত্তিনো বলেছেন, ‘সবার জন্য এটি একটি নতুন সূচনা। প্রথমবারের মতো দলে অভিজ্ঞ খেলোয়াড় এবং দুর্দান্ত সম্ভাবনাময় কিছু তরুণকে একসঙ্গে আনতে পেরে আমরা আনন্দিত। তরুণদের জন্য আমাদের সংস্কৃতি, আমাদের খেলার মূল নীতিগুলো আত্মস্থ করা গুরুত্বপূর্ণ। সবচেয়ে বড় কথা, আমাদের ভক্তরা যেভাবে চায়, সেভাবে দেশের প্রতিনিধিত্ব করার প্রতিশ্রুতি তাদের দেখাতে হবে।’
যুক্তরাষ্ট্রের পূর্ণাঙ্গ স্কোয়াড:
গোলরক্ষক: ক্রিস ব্র্যাডি, ম্যাট ফ্রিজ, ডিয়েগো কোশেন, ব্রায়ান শোয়াক।
ডিফেন্ডার: জর্জ ক্যাম্পবেল, সার্জিনো দেস্ট, অ্যালেক্স ফ্রিম্যান, পেটন মিলার, নিল পিয়েরে, ক্রিস রিচার্ডস, অ্যান্টোনি রবিনসন, মাইলস রবিনসন, অস্টন ট্রাস্ট্রি, ফ্রাঙ্কি ওয়েস্টফিল্ড।
মিডফিল্ডার: টাইলস অ্যাডামস, ম্যাথিস অ্যালবার্ট, সেবাস্টিয়ান বারহাল্টার, জেভিয়ের গোজো, আদ্রি মেহমেতি, ইউনুস মুসা, ব্রুকলিন রেইনস, জিও রেইনা, মালিক তিলম্যান।
ফরোয়ার্ড: কোল ক্যাম্পবেল, জাস্টিন এলিস, জুলিয়ান হল, রিকার্ডো পেপি, কাভান সুলভান।





