মেসির অবসর নিয়ে ব্রিটিশ মিডিয়ার খোঁচা

কিছুদিন আগে শেষ হওয়া উত্তর আমেরিকা বিশ্বকাপে ‘ফকল্যান্ডস ব্যানার’ নিয়ে আর্জেন্টিনা এবং ইংল্যান্ড সমর্থকদের মাঝে উত্তেজনার সৃষ্টি হয়েছিল। এবার আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে লিওনেল মেসির অবসর ঘোষণায় খোঁচা মারতে ছাড়েনি ব্রিটিশ মিডিয়া। তবে বিশ্বের সিংহভাগ গণমাধ্যমই আর্জেন্টাইন কিংবদন্তির বিদায় নিয়ে গুরুত্বসহকারে সংবাদ পরিবেশন করেছে।
স্পেনের প্রভাবশালী ক্রীড়া দৈনিক ‘মার্কা’ মেসির এই ঘোষণাকে ‘বোম্বশেল’ বা বোমা ফাটানোর সঙ্গে তুলনা করেছে। এছাড়া ‘আদ’ এবং ‘মুন্দো দেপোর্তিভো’ মেসির চিঠি থেকে আবেগঘন শিরোনাম করেছে। ‘স্পোর্ত’ শিরোনাম করেছে- ‘আমি শূন্য, আমার দেওয়ার মতো আর কিছু নেই।’
ফরাসি ক্রীড়া দৈনিক ‘লেকিপ’ তাদের শিরোনামে মেসির এই বার্তাটিকেই প্রাধান্য দিয়েছে— ‘আর্জেন্টিনার হয়ে আন্তর্জাতিক ক্যারিয়ার শেষ করলেন মেসি: আমার আর দেওয়ার কিছু নেই এবং দারুণ সব তরুণরা উঠে আসছে।’ ইতালির ঐতিহ্যবাহী ক্রীড়া দৈনিক ‘লা গাজেত্তা দেল্লো স্পোর্ত’ তাদের প্রধান পাতায় মেসির আবেগময় বিদায়ী চিঠি’ ও তার দীর্ঘ বর্ণাঢ্য ক্যারিয়ারের শেষ মুহূর্তটিকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে প্রকাশ করেছে।
তবে ব্রিটিশ ট্যাবলয়েড ‘দ্য সান’ কিছুটা খোঁচা মেরে শিরোনাম করেছে এভাবে- ‘কিংবদন্তি লিওনেল মেসি আবারও জাতীয় দল থেকে অবসর নিলেন।’ এর আগে ২০১৬ সালে অবসর নিয়েছিলেন মেসি। সেই ইতিহাস টেনেই মূলত খোঁচাটা মেরেছে ব্রিটিশ গণমাধ্যমটি। অন্যদিকে, দ্য গার্ডিয়ান যথাক্রমে লিখেছে, ‘আন্তর্জাতিক ফুটবল থেকে মেসির অবসর: এটি বেদনাদায়ক’। ডেইলি মেইল লিখেছে, ‘বিশ্বকাপ ব্যর্থতা এবং বাবার মৃত্যুর কয়েক সপ্তাহের মাঝেই অবসর নিলেন ৩৯ বছর বয়সী মেসি।’
পর্তুগালের ‘রেকর্ড’ পত্রিকা ধ্রুপদী ঢঙে মেসির উদ্ধৃতি ব্যবহার করে শিরোনাম করেছে- ‘আর্জেন্টিনার জাতীয় দল থেকে অবসরের ঘোষণা দিলেন মেসি: আমার আর দেওয়ার কিছু নেই।’ এছাড়া ব্রাজিলের ‘গ্লোবো স্পোর্ত’ এবং মেসির বর্তমান ঠিকানা মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের ‘মায়ামি হেরাল্ড’ও এই বিদায়কে গুরুত্বের সাথে বিশ্ববাসীর সামনে তুলে ধরেছে। মেসিকে নিয়ে বিশ্ব মিডিয়ার এই মাতামাতি প্রমাণ করে, তার বিদায় গোটা ক্রীড়া বিশ্বেই শূন্যতা তৈরি করেছে।










