দুই ক্লাবের প্রস্তাব পেয়ে রিয়াল ছাড়তে যাচ্ছেন এনদ্রিক?

রিয়াল মাদ্রিদে পর্যাপ্ত খেলার সুযোগ না পাওয়ায় দল ছাড়ার কথা ভাবছেন তরুণ ব্রাজিলিয়ান ফরোয়ার্ড এনদ্রিক। ইতোমধ্যে দুটি ক্লাব থেকে এনদ্রিককে প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে ‘গ্লোবো স্পোর্ত’। ইউরোপীয় টুর্নামেন্টে খেলা এবং একাদশে নিয়মিত থাকার সুযোগ আছে- এমন কোনো ক্লাবে পাড়ি জমাতে চান এই ব্রাজিলিয়ান সেনসেশন।
সংবাদমাধ্যমের দাবি অনুযায়ী, লস ব্লাঙ্কোসদের বর্তমান স্কোয়াডে বেশ কিছু পরিবর্তন আসায় কঠিন প্রতিযোগিতার মুখে পড়েছেন এনদ্রিক। কোচ হোসে মরিনহো এনদ্রিককে সেন্টার ফরোয়ার্ড হিসেবে খেলাতে চান। তার মতে, এনদ্রিক নাকি এখনও নাম্বার নাইন পজিশনের জন্য প্রস্তুত নয়। তাছাড়া কিলিয়ান এমবাপ্পে এবং কার্লোস এস্পির আগমন এনদ্রিকের রিয়াল একাদশে সুযোগ পাওয়া আরও কঠিন করে তুলেছে। এর ওপর ডান উইংয়ে রদ্রিগো, ব্রাহিম দিয়াজ, বার্নার্দো সিলভা এবং দিওমান্দের মতো একাধিক বিকল্প থাকায় কোচিং স্টাফের পরিকল্পনাতেও কিছুটা পিছিয়ে পড়েছেন তিনি। এখন ২০ বছর বয়সী এই তারকাকে দলে ভেড়াতে চায় ইতালিয়ান ক্লাব রোমা ও প্রিমিয়ার লিগের ক্লাব অ্যাস্টন ভিলা। তবে এনদ্রিকের ক্লাব ছাড়ার গুঞ্জন নতুন নয়। এর আগে ফ্রেঞ্চ ক্লাব অলিম্পিক লিওঁতে ধারে খেলে দারুণ সাফল্য পেয়েছিলেন। লিওঁর জার্সিতে ২১ ম্যাচে ৮ গোল এবং ৭ অ্যাসিস্ট করে ফর্মে ফেরার পাশাপাশি জাতীয় দলেও নিজের জায়গা পোক্ত করেছিলেন। মাঠের ধারাবাহিকতা ও মূল একাদশে নিয়মিত খেলা যে কতটা গুরুত্বপূর্ণ, সেটা ফ্রান্সের অভিজ্ঞতা থেকেই উপলব্ধি করতে পেরেছেন এনদ্রিক।
পল্লিমেইরাস থেকে পালামেন্টারি ফি ও বোনাস মিলিয়ে প্রায় ৮ কোটি ইউরো বা তার কাছাকাছি অঙ্কে এনদ্রিককে দলে ভিড়িয়েছিল রিয়াল মাদ্রিদ। তবে কম ম্যাচ খেলে তরুণ এই তারকার বাজারমূল্য যেন কমে না যায়, সে বিষয়েও সজাগ রয়েছে রিয়াল ম্যানেজমেন্ট। ক্লাবে এনদ্রিকের বার্ষিক বেতন ৫ মিলিয়ন ইউরো ছাড়িয়ে যাওয়ায় কোনো ধারের চুক্তিতে রিয়াল মাদ্রিদ তার বেতনের একটি অংশ বহন করতেও রাজি আছে। চ্যাম্পিয়ন্স লিগে খেলা এবং নিয়মিত খেলার নিশ্চয়তা দেওয়ায় এনদ্রিককে পাওয়ার দৌড়ে ইতালির ক্লাব রোমা শুরু থেকেই বেশ এগিয়ে ছিল। তবে শেষ মুহূর্তে ইংলিশ ক্লাব অ্যাস্টন ভিলাও এনদ্রিককে পাওয়ার লড়াইয়ে নেমেছে। ভিলার মূল স্ট্রাইকার ওলি ওয়াটকিন্সের ব্যাকআপ হিসেবে এই ব্রাজিলিয়ানকে পেতে উন্মুখ হয়ে আছে ইংলিশ ক্লাবটি। এখন দেখার বিষয়, শেষ পর্যন্ত কোন ঠিকানায় পাড়ি জমান এই ব্রাজিলিয়ান সেনসেশন।






