১১ বোয়িং কেনার চুক্তি, বাংলাদেশকে নিয়ে ট্রাম্পের পোস্ট

সংগৃহীত ছবি
যুক্তরাষ্ট্রের উড়োজাহাজ নির্মাতা প্রতিষ্ঠান বোয়িংয়ের কাছ থেকে আরও ১১টি উড়োজাহাজ কিনছে বাংলাদেশ। এ নিয়ে বোয়িংয়ের সঙ্গে নতুন একটি সম্পূরক চুক্তি করেছে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। চুক্তির পর বাংলাদেশ ও তুরস্কের বোয়িং উড়োজাহাজ কেনার চুক্তিকে ‘ঐতিহাসিক’ দিন হিসেবে উল্লেখ করে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে পোস্ট করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
বৃহস্পতিবার (২৪ সেপ্টেম্বর) দেওয়া ওই পোস্টে ট্রাম্প বলেন, বাংলাদেশ ও তুরস্ক সম্মিলিতভাবে বোয়িংয়ের ১১১টি উড়োজাহাজ কেনার ঘোষণা দিয়েছে। এর সঙ্গে আরও ৫০টি উড়োজাহাজ কেনার বিকল্প রাখা হয়েছে।
তার ভাষ্য, এই বড় বিক্রয়চুক্তি যুক্তরাষ্ট্রের রপ্তানি ও কর্মসংস্থানে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখবে।
ট্রাম্প আরও বলেন, বোয়িং ও আমেরিকান উৎপাদন খাতের জন্য এটি একটি বড় দিন। মার্কিন বাণিজ্য বিভাগ ও বাণিজ্যমন্ত্রী হাওয়ার্ড লুটনিকের সহায়তার কথাও পোস্টে উল্লেখ করেন তিনি। তার দাবি, এই বিপুল পরিমাণ রপ্তানি যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন অঞ্চলে হাজার হাজার কর্মসংস্থান সৃষ্টিতে ভূমিকা রাখবে।
মার্কিন প্রেসিডেন্ট বলেন, যুক্তরাষ্ট্রে উৎপাদন, দেশটি থেকে রপ্তানি এবং মার্কিন শ্রমিকদের সুরক্ষার মাধ্যমে প্রতিষ্ঠান আরও শক্তিশালী ও টেকসই হয়ে উঠবে। বোয়িং ও প্রতিষ্ঠানটির কর্মীদের অভিনন্দনও জানান তিনি।
এর আগে বুধবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮১তম অধিবেশনের ফাঁকে নিউইয়র্কে বোয়িংয়ের সঙ্গে ১১টি নতুন উড়োজাহাজ কেনার সম্পূরক চুক্তি করে বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স। চুক্তির আওতায় পাঁচটি বোয়িং ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার এবং ছয়টি ৭৩৭-৮ উড়োজাহাজ কিনবে বিমান।
বোয়িং জানিয়েছে, চলতি বছরে এটি বিমানের দ্বিতীয় বোয়িং ক্রয়চুক্তি। এর আগে ১৪টি উড়োজাহাজ কেনার চুক্তির সঙ্গে নতুন ১১টি যুক্ত হওয়ায় বোয়িংয়ের কাছ থেকে বিমানের মোট অর্ডারের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ২৫টি।
বিমান জানিয়েছে, নতুন চুক্তিটি বহর আধুনিকায়ন ও আন্তর্জাতিক রুট সম্প্রসারণের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ। নতুন ৭৮৭-১০ ড্রিমলাইনার ও ৭৩৭-৮ উড়োজাহাজ যুক্ত হলে বিমানের দীর্ঘপথের ওয়াইডবডি এবং স্বল্প ও মাঝারি দূরত্বের ন্যারোবডি সক্ষমতা বাড়বে।




